মাদকবিরোধী অভিযানে ‘সুনির্দিষ্ট হামলার’ আশঙ্কায় আত্মরক্ষার্থে পিস্তল ব্যবহার করেছিলেন বলে দাবি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের।
নিজের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেইজে রবিবারে দুপুরে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি অস্ত্র উঁচিয়ে ধরার ‘খণ্ডিত’ দৃশ্য প্রচারের অভিযোগ তুলে গণমাধ্যমকে দোষারোপ করেন।
প্রতিমন্ত্রী দাবি করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পাশাপাশি তার ‘নিজস্ব গোয়েন্দাসূত্রে’ পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই নিরাপত্তার স্বার্থে ওই মুহূর্তে পিস্তল ব্যবহার করতে হয়েছিল।
গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর, মুন্সিটেক ও করাতিটোলা এলাকার মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে স্থানীয় সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রতিমন্ত্রীর ‘নিজস্ব গোয়েন্দাসূত্র’ তার ওপর সম্ভাব্য আকস্মিক হামলার বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল।
ইশরাক হোসেন বিবৃতিতে বলেন, কর্মসূচি চলাকালে একটি স্পটে পৌঁছালে ৩০ থেকে ৩৫ জন আইনলঙ্ঘনকারী ব্যক্তি হঠাৎ মারমুখী ভঙ্গিতে তাদের গাড়িবহরের দিকে ধেয়ে আসে। ঠিক সেই মুহূর্তে জানমালের প্রত্যক্ষ হুমকি ও সুনির্দিষ্ট হামলার আশঙ্কায় তিনি গাড়ি থেকে নেমে স্বল্প সময়ের জন্য আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার সঙ্গে সঙ্গেই লাইসেন্সকৃত পিস্তলটি যথাস্থানে রাখা হয় বলে দাবি করেন তিনি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর অনতিবিলম্বে গেন্ডারিয়া থানার পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশের প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে ও সহায়তায় চালানো যৌথ অভিযানে ৪-৫টি অবৈধ মাদকের আস্তানা উচ্ছেদ করা হয়।
ইশরাক হোসেনের ফেইসবুক থেকে নেওয়া ভিডিও সব গণমাধ্যমে প্রকাশ হলেও প্রতিমন্ত্রী বিবৃতিতে দাবি করেন, গণমাধ্যম খণ্ডিত ভিডিও দিয়ে ‘অপতথ্য’ প্রচার করেছে।
প্রথম আলো, দ্য ডেইলি স্টার, দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক কালবেলাসহ কয়েকটি গণমাধ্যমের নাম উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, “সংবাদমাধ্যমগুলো অতিউৎসাহী হয়ে সত্যতা যাচাই ছাড়াই খণ্ডিত ফটোকার্ড ও বিকৃত তথ্য পরিবেশন করেছে।”



