প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৬ পিএমআপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৬ পিএম
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অন্তত ১ হাজার ২০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
হাই স্কুলে শিক্ষক সংকট ও জরাজীর্ণ ভবন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরকারি সেবার মান কমে যাওয়ার প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে চলমান বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। শনিবার দেশজুড়ে লাখ লাখ মানুষের বিক্ষোভে রাজধানী প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অন্তত ১ হাজার ২০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ফ্রান্স সরকারের হিসাবে, বিক্ষোভে অংশ নেন প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষ। তবে শ্রমিক ইউনিয়ন সিজিটি দাবি করেছে, এ সংখ্যা প্রায় আট লাখ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, প্যারিসে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। একপর্যায়ে বিভিন্ন সড়ক ও গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়, কয়েকটি দোকানে লুটপাট চলে এবং একটি রেস্তোরাঁ পুড়ে যায়। লিওঁ শহরে আগুন দেওয়া হয় পর্যটন কার্যালয়ে। মার্সেইয়ে সিটি হলে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু জানিয়েছেন, সংঘর্ষে ১৫০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ফরাসি সরকার এসব সহিংসতার জন্য উগ্র বামপন্থীদের দায়ী করেছে।
বিক্ষোভকারীদের অনেকে হলুদ রঙের নিরাপত্তা জ্যাকেট পরে সড়ক অবরোধ করেন। এতে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাখোঁর আগের মেয়াদে আলোচিত ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনের বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।
দেশটিতে চলমান রাজনৈতিক বিভাজন ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে রয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাখোঁ। সরকারি ঋণ কমানোর পরিকল্পনা নিয়েও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে পারেনি তার সরকার। এতে সরকারের ঋণ নেওয়ার খরচ দুই দশকের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বিক্ষোভের আগে শুক্রবার আন্দোলনকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান প্রেসিডেন্ট ম্যাখোঁ। তবে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই অসন্তোষ তার সরকারের জন্য তৈরি করেছে নতুন চ্যালেঞ্জ।
এই বছরের সেপ্টেম্বরে প্যারিসের উত্তরের শহরতলির কয়েকটি হাই স্কুলে শিক্ষকসংকট ও জরাজীর্ণ ভবনের প্রতিবাদে এই আন্দোলন শুরু হয়। পরবর্তীতে শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈষম্য, সরকারি ব্যয় এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ক্ষোভে তা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট
হাই স্কুলে শিক্ষক সংকট ও জরাজীর্ণ ভবন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরকারি সেবার মান কমে যাওয়ার প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে চলমান বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। শনিবার দেশজুড়ে লাখ লাখ মানুষের বিক্ষোভে রাজধানী প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অন্তত ১ হাজার ২০০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ফ্রান্স সরকারের হিসাবে, বিক্ষোভে অংশ নেন প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষ। তবে শ্রমিক ইউনিয়ন সিজিটি দাবি করেছে, এ সংখ্যা প্রায় আট লাখ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, প্যারিসে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। একপর্যায়ে বিভিন্ন সড়ক ও গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়, কয়েকটি দোকানে লুটপাট চলে এবং একটি রেস্তোরাঁ পুড়ে যায়। লিওঁ শহরে আগুন দেওয়া হয় পর্যটন কার্যালয়ে। মার্সেইয়ে সিটি হলে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।
ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু জানিয়েছেন, সংঘর্ষে ১৫০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ফরাসি সরকার এসব সহিংসতার জন্য উগ্র বামপন্থীদের দায়ী করেছে।
বিক্ষোভকারীদের অনেকে হলুদ রঙের নিরাপত্তা জ্যাকেট পরে সড়ক অবরোধ করেন। এতে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাখোঁর আগের মেয়াদে আলোচিত ‘ইয়েলো ভেস্ট’ আন্দোলনের বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।
দেশটিতে চলমান রাজনৈতিক বিভাজন ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে রয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাখোঁ। সরকারি ঋণ কমানোর পরিকল্পনা নিয়েও বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে পারেনি তার সরকার। এতে সরকারের ঋণ নেওয়ার খরচ দুই দশকের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বিক্ষোভের আগে শুক্রবার আন্দোলনকারীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান প্রেসিডেন্ট ম্যাখোঁ। তবে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এই অসন্তোষ তার সরকারের জন্য তৈরি করেছে নতুন চ্যালেঞ্জ।
এই বছরের সেপ্টেম্বরে প্যারিসের উত্তরের শহরতলির কয়েকটি হাই স্কুলে শিক্ষকসংকট ও জরাজীর্ণ ভবনের প্রতিবাদে এই আন্দোলন শুরু হয়। পরবর্তীতে শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈষম্য, সরকারি ব্যয় এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ক্ষোভে তা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
বিষয়: