প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫২ পিএমআপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
সুন্দরবনের দুর্গম এলাকা থেকে ৫৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৪১ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৪টি খালি কার্তুজ ও সাতটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করেছে র্যাব।
সুন্দরবনে র্যাবের অভিযানে পাঁচ দস্যু বাহিনীর ৫৯জন সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। একই অভিযানে সুন্দরবনের দুর্গম এলাকা থেকে ৫৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৪১ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৪টি খালি কার্তুজ ও সাতটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করেছে র্যাব।
বুধবার খুলনায় র্যাব-৬ সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাবের মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ। এসময় সুন্দরবন ও উপকূলীয় মানুষের নিরাপত্তায় র্যাবের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। এমনকি দস্যুতার পথ না ছাড়লে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন র্যাব মহাপরিচালক।
আত্মসমর্পণ করা ৫৯ জনের মধ্যে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন, আফজাল ওরফে দুলাভাই বাহিনীর ১৫ জন, আফতাব বাহিনীর ৮ জন এবং মিজান বাহিনীর ৭ জন সদস্য রয়েছেন।
র্যাবের তিন দিনের সেই অভিযানে উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে চারটি শর্টগান, ৪৭টি ওয়ান শুটারগান, চারটি পাইপগান, তিনটি এয়ারগান ও একটি পয়েন্ট-২২ বোর রাইফেল।
র্যাবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে সুন্দরবনের ৩২৮ জন বনদস্যু আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তাদের মধ্যে ৩০ জন পরবর্তী সময়ে আবারও দস্যুতায় ফিরে যান। ফলে পুরো সুন্দরবনজুড়ে বাড়তে থাকে দস্যুতা। আতংক ছড়িয়ে পড়ে মাওয়ালী,বাওয়ালী আর এই পথে চলাচলকারী সাধারণ মানুষদের মধ্যে।
এই পরিস্থিতিতে এই বছরের ২রা মার্চ থেকে সুন্দরবনে ধারাবাহিক অভিযান জোরদার করে র্যাব। অভিযানে দস্যু বাহিনীগুলো কোণঠাসা হয়ে পড়লে তাদের কয়েকজন স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আগ্রহও প্রকাশ করেন।
তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে চলতি মাসের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটক ও বনজীবীদের জন্য সুন্দরবন আবার খুলে দেওয়ার পর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এই ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে বাহিনীটি।
সুন্দরবনে ৫৯ দস্যুর আত্মসমর্পণ
সুন্দরবনে র্যাবের অভিযানে পাঁচ দস্যু বাহিনীর ৫৯জন সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। একই অভিযানে সুন্দরবনের দুর্গম এলাকা থেকে ৫৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৪১ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৪টি খালি কার্তুজ ও সাতটি ওয়াকিটকি উদ্ধার করেছে র্যাব।
বুধবার খুলনায় র্যাব-৬ সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাবের মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ। এসময় সুন্দরবন ও উপকূলীয় মানুষের নিরাপত্তায় র্যাবের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। এমনকি দস্যুতার পথ না ছাড়লে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন র্যাব মহাপরিচালক।
আত্মসমর্পণ করা ৫৯ জনের মধ্যে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন, আফজাল ওরফে দুলাভাই বাহিনীর ১৫ জন, আফতাব বাহিনীর ৮ জন এবং মিজান বাহিনীর ৭ জন সদস্য রয়েছেন।
র্যাবের তিন দিনের সেই অভিযানে উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে চারটি শর্টগান, ৪৭টি ওয়ান শুটারগান, চারটি পাইপগান, তিনটি এয়ারগান ও একটি পয়েন্ট-২২ বোর রাইফেল।
র্যাবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে সুন্দরবনের ৩২৮ জন বনদস্যু আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তাদের মধ্যে ৩০ জন পরবর্তী সময়ে আবারও দস্যুতায় ফিরে যান। ফলে পুরো সুন্দরবনজুড়ে বাড়তে থাকে দস্যুতা। আতংক ছড়িয়ে পড়ে মাওয়ালী,বাওয়ালী আর এই পথে চলাচলকারী সাধারণ মানুষদের মধ্যে।
এই পরিস্থিতিতে এই বছরের ২রা মার্চ থেকে সুন্দরবনে ধারাবাহিক অভিযান জোরদার করে র্যাব। অভিযানে দস্যু বাহিনীগুলো কোণঠাসা হয়ে পড়লে তাদের কয়েকজন স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আগ্রহও প্রকাশ করেন।
তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে চলতি মাসের ১লা সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটক ও বনজীবীদের জন্য সুন্দরবন আবার খুলে দেওয়ার পর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এই ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে বাহিনীটি।
বিষয়: