প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৬, ০৯:০৬ পিএমআপডেট : ২০ জুন ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগের মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান।
শনিবার দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক নৌযানগুলোকে ওই এলাকায় না যাওয়ার আইআরজিসি ‘কঠোর সতর্কবার্তা’ দিয়েছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হলে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাদের দাবি, লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযান যুদ্ধবিরতির শর্তের পরিপন্থী এবং এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রও দায় এড়াতে পারে না।
ইরানের সামরিক কর্তৃপক্ষ বলছে, সম্প্রতি ঘোষিত যুদ্ধবিরতির লক্ষ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ এলাকায় সামরিক অভিযান বন্ধ করা। কিন্তু লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় সেই চুক্তির কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে।
তবে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিক নৌযান চলাচলে এর বাস্তব প্রভাব কতটা পড়ছে, সে বিষয়ে বিশ্বস্ত সূত্র থেকে নিশ্চিত হতে পারেনি বিবিসি।
ইরানের এই দাবির পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স তা প্রত্যাখ্যান করেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি এখনো পুরোপুরি খোলা রয়েছে এবং ইরান এটি বন্ধ করে রেখেছে এমন কোনো প্রমাণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নেই।
ভ্যান্সের ভাষায়, “গতকালই হরমুজ প্রণালি দিয়ে ১ কোটি ৬০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে। জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।” তার এই বক্তব্য ইরানের দাবির বিপরীত অবস্থান তুলে ধরে এবং হরমুজ প্রণালির বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য হরমুজ প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি হওয়া ২০ শতাংশ তেল এই নৌপথ দিয়েই পরিবহন করা হয়।
ফলে প্রণালিটি বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেবে।
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি উদ্যোগকে ঘিরে যখন কিছুটা স্বস্তির আশা তৈরি হয়েছিল, তখন ইরানের এই ঘোষণাকে নতুন অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।
হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগের মধ্যেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান।
শনিবার দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক নৌযানগুলোকে ওই এলাকায় না যাওয়ার আইআরজিসি ‘কঠোর সতর্কবার্তা’ দিয়েছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হলে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাদের দাবি, লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযান যুদ্ধবিরতির শর্তের পরিপন্থী এবং এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রও দায় এড়াতে পারে না।
ইরানের সামরিক কর্তৃপক্ষ বলছে, সম্প্রতি ঘোষিত যুদ্ধবিরতির লক্ষ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ এলাকায় সামরিক অভিযান বন্ধ করা। কিন্তু লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় সেই চুক্তির কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে।
তবে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ হয়েছে কি না এবং আন্তর্জাতিক নৌযান চলাচলে এর বাস্তব প্রভাব কতটা পড়ছে, সে বিষয়ে বিশ্বস্ত সূত্র থেকে নিশ্চিত হতে পারেনি বিবিসি।
ইরানের এই দাবির পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স তা প্রত্যাখ্যান করেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি এখনো পুরোপুরি খোলা রয়েছে এবং ইরান এটি বন্ধ করে রেখেছে এমন কোনো প্রমাণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে নেই।
ভ্যান্সের ভাষায়, “গতকালই হরমুজ প্রণালি দিয়ে ১ কোটি ৬০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে। জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।” তার এই বক্তব্য ইরানের দাবির বিপরীত অবস্থান তুলে ধরে এবং হরমুজ প্রণালির বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য হরমুজ প্রণালি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি হওয়া ২০ শতাংশ তেল এই নৌপথ দিয়েই পরিবহন করা হয়।
ফলে প্রণালিটি বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেবে।
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি উদ্যোগকে ঘিরে যখন কিছুটা স্বস্তির আশা তৈরি হয়েছিল, তখন ইরানের এই ঘোষণাকে নতুন অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।
বিষয়: