প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএমআপডেট : ১৭ জুন ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম
অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলো একটি কার্টেল গঠন করে সমন্বিতভাবে পণ্যের মূল্য বাড়িয়েছে।
‘তীব্র’ গরমের মধ্যে আইসক্রিমের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়ানোর অভিযোগে জাপানের শীর্ষ কয়েকটি খাদ্যপ্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে দেশটির প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলো একটি কার্টেল গঠন করে সমন্বিতভাবে পণ্যের মূল্য বাড়িয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপান ফেয়ার ট্রেড কমিশন (জেএফটিসি) মঙ্গলবার ছয়টি বড় বড় আইসক্রিম ও হিমায়িত ডেজার্ট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে সরেজমিন পরিদর্শন চালায়। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে মেইজি, মোরিনাগা মিল্ক ইন্ডাস্ট্রি, লোটে, মোরিনাগা, এজাকি গ্লিকো এবং আকাগি নিউগিয়ো।
জাপানি সংবাদমাধ্যম এনএইচকের তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠান কয়েক বছর ধরে জনপ্রিয় বিভিন্ন হিমায়িত ডেজার্টের দাম একাধিকবার ৫ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির তুলনায় বেশি মুনাফা আদায়ের উদ্দেশ্যেই তারা সমন্বিতভাবে দাম বাড়িয়েছে।
তদন্ত নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য না করলেও অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। মেইজি, গ্লিকো ও মোরিনাগা মিল্ক পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করবে।
এমন সময়ে এ অভিযোগ সামনে এলো, যখন তীব্র তাপপ্রবাহে জাপানে আইসক্রিমের চাহিদা বেড়েছে। ২০২৫ সালে দেশটি ইতিহাসের উষ্ণতম গ্রীষ্ম পার করার পর চলতি বছর ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি তাপমাত্রার দিনের জন্য ‘কোকুশোবি’ নামে নতুন একটি পরিভাষাও চালু করেছে।
তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে জাপানের খাদ্যশিল্পে এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় মূল্য-কারসাজির ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
‘তীব্র’ গরমে জাপানে আইসক্রিমের দামে কারসাজির অভিযোগ
‘তীব্র’ গরমের মধ্যে আইসক্রিমের দাম কৃত্রিমভাবে বাড়ানোর অভিযোগে জাপানের শীর্ষ কয়েকটি খাদ্যপ্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়েছে দেশটির প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলো একটি কার্টেল গঠন করে সমন্বিতভাবে পণ্যের মূল্য বাড়িয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপান ফেয়ার ট্রেড কমিশন (জেএফটিসি) মঙ্গলবার ছয়টি বড় বড় আইসক্রিম ও হিমায়িত ডেজার্ট প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে সরেজমিন পরিদর্শন চালায়। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে মেইজি, মোরিনাগা মিল্ক ইন্ডাস্ট্রি, লোটে, মোরিনাগা, এজাকি গ্লিকো এবং আকাগি নিউগিয়ো।
জাপানি সংবাদমাধ্যম এনএইচকের তথ্য অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠান কয়েক বছর ধরে জনপ্রিয় বিভিন্ন হিমায়িত ডেজার্টের দাম একাধিকবার ৫ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির তুলনায় বেশি মুনাফা আদায়ের উদ্দেশ্যেই তারা সমন্বিতভাবে দাম বাড়িয়েছে।
তদন্ত নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য না করলেও অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। মেইজি, গ্লিকো ও মোরিনাগা মিল্ক পৃথক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করবে।
এমন সময়ে এ অভিযোগ সামনে এলো, যখন তীব্র তাপপ্রবাহে জাপানে আইসক্রিমের চাহিদা বেড়েছে। ২০২৫ সালে দেশটি ইতিহাসের উষ্ণতম গ্রীষ্ম পার করার পর চলতি বছর ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি তাপমাত্রার দিনের জন্য ‘কোকুশোবি’ নামে নতুন একটি পরিভাষাও চালু করেছে।
তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে জাপানের খাদ্যশিল্পে এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় মূল্য-কারসাজির ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
বিষয়: