ধর্ষণের দায়ে নরওয়ের ক্রাউন প্রিন্সেসের ছেলের চার বছরের কারাদণ্ড

আপডেট : ১৫ জুন ২০২৬, ০৪:৫৫ পিএম

নরওয়ের ক্রাউন প্রিন্সেসের ছেলে মারিয়ুস বোরগ হোইবিকে ধর্ষণের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করেছেন দেশটির আদালত। সোমবার নরওয়ের ওসলোর একটি আদালত দেশটির ক্রাউন প্রিন্সেস মেতে-মারিতের ছেলে মারিয়াস বোরগ হোইবিকে চারটি ধর্ষণ মামলার মধ্যে দুইটি ধর্ষণের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে চার বছরের কারাদণ্ড দেন।

রায় ঘোষণার সময় হোইবি আদালতে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন না। ভিডিও লিংকের মাধ্যমে শুনানিতে অংশ নেন তিনি। রাষ্ট্রপক্ষ আদালতের কাছে হোইবির সাত বছর সাত মাসের কারাদণ্ড চেয়েছিল। আর তার আইনজীবীরা সর্বোচ্চ ১৮ মাসের বেশি সাজা দেওয়ার বিপক্ষে ছিলেন। 

প্রায় তিন মাস আগে শুরু হওয়া মামলায় হোইবির বিরুদ্ধে মোট ৪০টি অভিযোগ আনা হয়েছিল।  তবে ২৯ বছর বয়সী হোইবি তার বিরুদ্ধে আনা ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেন। 

মামলার ভুক্তভোগী ছয় নারীর মধ্যে শুধুমাত্র নরওয়েজিয়ান ইনফ্লুয়েন্সার নোরা হাউকল্যান্ডের নামই প্রকাশ্যে এসেছে। আদালত হোইবিকে হাউকল্যান্ডসহ আরও তিন নারীকে মোট ৬ লাখ ৪০ হাজার নরওয়েজিয়ান ক্রোনার মানে ৫০ হাজার ইউরো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। 

হেইবির আইনজীবীরা জানান, তিনি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। 

মারিয়ুস বোরগ হোইবির বয়স যখন চার বছর, তখন তার মা মেতে-মারিত নরওয়ের রাজপরিবারে বিয়ে করেন। হোইবি যদিও রাজপরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বেড়ে উঠেছেন, তিনি নিজে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজপরিবারের সদস্য নন।