বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ আলকারাজ–সাবালেঙ্কা, বিশ্বসেরা দল পিএসজি
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:২৬ পিএমআপডেট : ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম
বর্ষসেরা পুরুষ ক্রীড়াবিদের আলকারাজ ও নারী ক্রীড়াবিদ আরিনা
২০২৫ সালের লরেস বিশ্ব ক্রীড়া পুরস্কারে বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের সম্মান পেয়েছেন স্প্যানিশ টেনিস সেনসেশন কার্লোস আলকারাজ। ফ্রেঞ্চ ওপেন ও ইউএস ওপেন জয়ের পাশাপাশি বছর শেষে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে থেকে এই সাফল্য অর্জন করেন তিনি।
এর মাধ্যমে তিনি রজার ফেদেরার, নোভাক জোকোভিচ ও রাফায়েল নাদাল-এর পর চতুর্থ টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে এই সম্মান পেলেন।
নারীদের বিভাগে সেরা হয়েছেন আরিনা সাবালেঙ্কা। ২০২৫ সালে চারটি গ্র্যান্ড স্লামের সবগুলোতেই সেমিফাইনাল খেলেন এবং ইউএস ওপেন জিতে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ওঠেন তিনি।
অ্যাকশন স্পোর্টসে তৃতীয়বারের মতো সেরা হয়েছেন ক্লোয়ি কিম। এক্স গেমস ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে দারুণ সাফল্যের পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় প্রথম নারী হিসেবে ডাবল কর্ক ১০৮০ সম্পন্ন করে ইতিহাস গড়েন তিনি।
এ ছাড়া আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন কিংবদন্তি জিমন্যাস্ট নাদিয়া কোমানেচি, যিনি ৫০ বছর আগে মন্ট্রিয়াল অলিম্পিক ১৯৭৬-এ সাতটি নিখুঁত ১০ স্কোর করেছিলেন।
২০২৫ সালে লরেসের “বিশ্বসেরা দল” হয়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই।
ফরাসি এই ক্লাবটি বছরজুড়ে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে ছয়টি বড় শিরোপা জিতেছে, যার মধ্যে প্রথমবারের মতো উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ফাইনালে দুর্দান্ত খেলায় তারা প্রতিপক্ষকে পাঁচ গোল দিয়ে স্মরণীয় জয় তুলে নেয়।
দেশীয় লিগ ও কাপের পাশাপাশি ইউরোপীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক সাফল্য পিএসজিকে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী ক্লাবে পরিণত করেছে। এর আগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, বার্সেলোনা, বায়ার্ন মিউনিখ ও রিয়াল মাদ্রিদ এই পুরস্কার জিতেছিল।
লরেস বিশ্ব ক্রীড়া পুরস্কার প্রথম আয়োজন করা হয় ২০০০ সালে। এটি বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত।
বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশের এক হাজারের বেশি ক্রীড়া সাংবাদিক বিভিন্ন বিভাগে মনোনয়ন নির্ধারণ করেন। এরপর কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদদের নিয়ে গঠিত লরেস বিশ্ব ক্রীড়া একাডেমি বিজয়ীদের নির্বাচন করে।
এই আয়োজন শুধু পুরস্কার প্রদানেই সীমাবদ্ধ নয়, এর মাধ্যমে লরেস স্পোর্ট ফর গুড-এর কাজও তুলে ধরা হয়, যা বিশ্বের নানা প্রান্তে তরুণদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করছে।
সব মিলিয়ে, লরেস পুরস্কার শুধু সেরাদের স্বীকৃতি দেয় না, এটি ক্রীড়ার শক্তিকে ব্যবহার করে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তাও ছড়িয়ে দেয়।
লরেস ক্রীড়া পুরস্কার
বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ আলকারাজ–সাবালেঙ্কা, বিশ্বসেরা দল পিএসজি
২০২৫ সালের লরেস বিশ্ব ক্রীড়া পুরস্কারে বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের সম্মান পেয়েছেন স্প্যানিশ টেনিস সেনসেশন কার্লোস আলকারাজ। ফ্রেঞ্চ ওপেন ও ইউএস ওপেন জয়ের পাশাপাশি বছর শেষে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বরে থেকে এই সাফল্য অর্জন করেন তিনি।
এর মাধ্যমে তিনি রজার ফেদেরার, নোভাক জোকোভিচ ও রাফায়েল নাদাল-এর পর চতুর্থ টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে এই সম্মান পেলেন।
নারীদের বিভাগে সেরা হয়েছেন আরিনা সাবালেঙ্কা। ২০২৫ সালে চারটি গ্র্যান্ড স্লামের সবগুলোতেই সেমিফাইনাল খেলেন এবং ইউএস ওপেন জিতে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ওঠেন তিনি।
অ্যাকশন স্পোর্টসে তৃতীয়বারের মতো সেরা হয়েছেন ক্লোয়ি কিম। এক্স গেমস ও বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে দারুণ সাফল্যের পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় প্রথম নারী হিসেবে ডাবল কর্ক ১০৮০ সম্পন্ন করে ইতিহাস গড়েন তিনি।
এ ছাড়া আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন কিংবদন্তি জিমন্যাস্ট নাদিয়া কোমানেচি, যিনি ৫০ বছর আগে মন্ট্রিয়াল অলিম্পিক ১৯৭৬-এ সাতটি নিখুঁত ১০ স্কোর করেছিলেন।
২০২৫ সালে লরেসের “বিশ্বসেরা দল” হয়েছে প্যারিস সেন্ট জার্মেই।
ফরাসি এই ক্লাবটি বছরজুড়ে অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে ছয়টি বড় শিরোপা জিতেছে, যার মধ্যে প্রথমবারের মতো উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ফাইনালে দুর্দান্ত খেলায় তারা প্রতিপক্ষকে পাঁচ গোল দিয়ে স্মরণীয় জয় তুলে নেয়।
দেশীয় লিগ ও কাপের পাশাপাশি ইউরোপীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক সাফল্য পিএসজিকে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম শক্তিশালী ক্লাবে পরিণত করেছে। এর আগে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, বার্সেলোনা, বায়ার্ন মিউনিখ ও রিয়াল মাদ্রিদ এই পুরস্কার জিতেছিল।
লরেস বিশ্ব ক্রীড়া পুরস্কার প্রথম আয়োজন করা হয় ২০০০ সালে। এটি বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত।
বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশের এক হাজারের বেশি ক্রীড়া সাংবাদিক বিভিন্ন বিভাগে মনোনয়ন নির্ধারণ করেন। এরপর কিংবদন্তি ক্রীড়াবিদদের নিয়ে গঠিত লরেস বিশ্ব ক্রীড়া একাডেমি বিজয়ীদের নির্বাচন করে।
এই আয়োজন শুধু পুরস্কার প্রদানেই সীমাবদ্ধ নয়, এর মাধ্যমে লরেস স্পোর্ট ফর গুড-এর কাজও তুলে ধরা হয়, যা বিশ্বের নানা প্রান্তে তরুণদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করছে।
সব মিলিয়ে, লরেস পুরস্কার শুধু সেরাদের স্বীকৃতি দেয় না, এটি ক্রীড়ার শক্তিকে ব্যবহার করে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তাও ছড়িয়ে দেয়।