প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৯ পিএমআপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০১ পিএম
দেশব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। বৃহস্পতিবার দুপুরে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব ও মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী এই তথ্য জানান।
তিনি জানান, পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন ও আসাদগেটের সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনে এই কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
সফল পাইলটিং এর পর পর্যায়ক্রমে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপটি সারা দেশের সকল যানবাহনের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।
জ্বালানি বিভাগ থেকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার কারণে জ্বালানি বিতরণে যে বিলম্ব ও দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, তা নিরসনেই এই অটোমেশন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই সিস্টেমের মাধ্যমে একই ব্যক্তির বারবার জ্বালানি সংগ্রহ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি বন্ধ হবে।
স্মার্টফোন না থাকলেও ফুয়েল পাস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে কিউআর কোড প্রিন্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন চালকরা। এই পুরো প্রক্রিয়াটি সংযুক্ত থাকবে বিআরটিএর কেন্দ্রীয় ডেটাবেসের সাথে।
মনির হোসেন চৌধুরী জানান, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। ৯ই এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত দেশে ১ লাখ ৪৩ হাজার ১৪৩ মেট্রিক টন ডিজেল, ১৬ হাজার ৮১২ মেট্রিক টন পেট্রোল এবং ৯ হাজার ৫৬৯ মেট্রিক টন অকটেন মজুত আছে।
তিনি নিশ্চিত করেন যে, আগামী দুই মাসেও অকটেন ও পেট্রোলের কোনো সংকট হবে না এবং নিয়মিত বিরতিতে জাহাজ থেকে তেল খালাস হচ্ছে।
যুগ্ম সচিব আরও জানান যে, সরকার জ্বালানি খাতে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিচ্ছে। বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকায় বিক্রি করা হলেও এর প্রকৃত দাম হওয়া উচিত প্রায় ১৫৫ টাকা। ফলে সরকারকে প্রতি মাসে তিন হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদান করতে হচ্ছে।
অবৈধ মজুত রোধে দেশব্যাপী কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে জানিয়ে বলা হয়, গত ৮ই এপ্রিল একদিনেই ৩৬১টি অভিযানে ১,৩৬২ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ৩রা মার্চ থেকে ৮ই এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৭,৩৪২টি অভিযান চালিয়ে ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৪২ লিটার অবৈধ মজুতকৃত জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ সব ঘটনায় ৩,০১১টি মামলা এবং ১ কোটি ৪৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩৬ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
ঢাকার দুইটি ফিলিং স্টেশনে চালু হলো ফুয়েল পাস
দেশব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে এবং ফিলিং স্টেশনগুলোতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। বৃহস্পতিবার দুপুরে জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব ও মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী এই তথ্য জানান।
তিনি জানান, পরীক্ষামূলকভাবে রাজধানীর তেজগাঁও এলাকার ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন ও আসাদগেটের সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনে এই কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
সফল পাইলটিং এর পর পর্যায়ক্রমে ‘ফুয়েল পাস’ অ্যাপটি সারা দেশের সকল যানবাহনের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।
জ্বালানি বিভাগ থেকে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ার কারণে জ্বালানি বিতরণে যে বিলম্ব ও দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, তা নিরসনেই এই অটোমেশন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই সিস্টেমের মাধ্যমে একই ব্যক্তির বারবার জ্বালানি সংগ্রহ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি বন্ধ হবে।
স্মার্টফোন না থাকলেও ফুয়েল পাস ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করে কিউআর কোড প্রিন্ট করে ব্যবহার করতে পারবেন চালকরা। এই পুরো প্রক্রিয়াটি সংযুক্ত থাকবে বিআরটিএর কেন্দ্রীয় ডেটাবেসের সাথে।
মনির হোসেন চৌধুরী জানান, দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই। ৯ই এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত দেশে ১ লাখ ৪৩ হাজার ১৪৩ মেট্রিক টন ডিজেল, ১৬ হাজার ৮১২ মেট্রিক টন পেট্রোল এবং ৯ হাজার ৫৬৯ মেট্রিক টন অকটেন মজুত আছে।
তিনি নিশ্চিত করেন যে, আগামী দুই মাসেও অকটেন ও পেট্রোলের কোনো সংকট হবে না এবং নিয়মিত বিরতিতে জাহাজ থেকে তেল খালাস হচ্ছে।
যুগ্ম সচিব আরও জানান যে, সরকার জ্বালানি খাতে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিচ্ছে। বর্তমানে প্রতি লিটার ডিজেল ১০০ টাকায় বিক্রি করা হলেও এর প্রকৃত দাম হওয়া উচিত প্রায় ১৫৫ টাকা। ফলে সরকারকে প্রতি মাসে তিন হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদান করতে হচ্ছে।
অবৈধ মজুত রোধে দেশব্যাপী কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে জানিয়ে বলা হয়, গত ৮ই এপ্রিল একদিনেই ৩৬১টি অভিযানে ১,৩৬২ লিটার তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া ৩রা মার্চ থেকে ৮ই এপ্রিল পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৭,৩৪২টি অভিযান চালিয়ে ৪ লাখ ৬৯ হাজার ৪২ লিটার অবৈধ মজুতকৃত জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ সব ঘটনায় ৩,০১১টি মামলা এবং ১ কোটি ৪৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি ৩৬ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।