হাদী হত্যা মামলার দুই আসামি ভারতে গ্রেপ্তার: এএনআই
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৯ পিএমআপডেট : ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম
ফয়সাল করিম মাসুদ
শরীফ ওসমান হাদিকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান দুই আসামিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হােসেন।
পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে স্পেশাল টাস্কফোর্স তাদের গ্রেপ্তার করে বলে জানিয়েছে ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআই।
সংবাদ সংস্থাটি তাদের এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একটি প্রেস রিলিজও প্রকাশও করেছে। সেখানে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে হত্যার মতো গুরুতর অপরাধ করে এই দুই বাংলাদেশি অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে আশ্রয় নেয়।
বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার জন্য বনগাঁও সীামান্ত এলাকায় অবস্থান নেয়। গোপন তথ্য পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।
এই দুই জন বাংলাদেশি ‘পলিটিকাল অ্যাকটিভিস্ট’ শরীফ ওসমান হাদী হত্যায় জড়িত বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।
গ্রেপ্তারের পর মাসুদ ও আলমগীরকে পশ্চিমবঙ্গের আদালতে তোলা হয় এবং তাদের দুজনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
১২ই ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত দুর্বৃত্তরা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদিকে গুলি করে এবং এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে অবস্থার অবনতি হলে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেয়া হলে ১৮ই ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ওসমান হাদী।
তদন্তকারীদের মতে, হামলাকারীদের মধ্যে একজনকে ফয়সাল করিম মাসুদ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকার তাকে গ্রেফতারে সহায়তার জন্য ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল।
হাদী হত্যা মামলার দুই আসামি ভারতে গ্রেপ্তার: এএনআই
শরীফ ওসমান হাদিকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান দুই আসামিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হােসেন।
পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও সীমান্ত এলাকা থেকে স্পেশাল টাস্কফোর্স তাদের গ্রেপ্তার করে বলে জানিয়েছে ভারতের বার্তা সংস্থা এএনআই।
সংবাদ সংস্থাটি তাদের এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের একটি প্রেস রিলিজও প্রকাশও করেছে। সেখানে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে হত্যার মতো গুরুতর অপরাধ করে এই দুই বাংলাদেশি অবৈধভাবে ভারতে ঢুকে আশ্রয় নেয়।
বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার জন্য বনগাঁও সীামান্ত এলাকায় অবস্থান নেয়। গোপন তথ্য পেয়ে সেখানে অভিযান চালায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।
এই দুই জন বাংলাদেশি ‘পলিটিকাল অ্যাকটিভিস্ট’ শরীফ ওসমান হাদী হত্যায় জড়িত বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।
গ্রেপ্তারের পর মাসুদ ও আলমগীরকে পশ্চিমবঙ্গের আদালতে তোলা হয় এবং তাদের দুজনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
১২ই ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা হেলমেট পরিহিত দুর্বৃত্তরা ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদিকে গুলি করে এবং এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে অবস্থার অবনতি হলে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেয়া হলে ১৮ই ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ওসমান হাদী।
তদন্তকারীদের মতে, হামলাকারীদের মধ্যে একজনকে ফয়সাল করিম মাসুদ হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকার তাকে গ্রেফতারে সহায়তার জন্য ৫০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছিল।