নারী উন্নয়নের ভিত্তি রচনা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৮ পিএমআপডেট : ০৮ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন
রাষ্ট্র ও সমাজের মূলধারা থেকে নারীকে বিচ্ছিন্ন রেখে জাতীয় অগ্রগতি অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রবিবার ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, উনিশশো ছিয়াত্তর সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে প্রথম নারী বিষয় দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন। পরে উনিশশো আটাত্তর সালে গঠন করা হয় মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া এটিকে বর্তমান মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তর করেন।”
রাষ্ট্রপতি তার বক্তব্যে বলেন, নারী উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, সেটিকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দিয়েছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
খালেদা জিয়ার গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা ও দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “নারী শিক্ষার এই যুগান্তকারী উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত; বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এটিকে তৃতীয় বিশ্বের একটি সফল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।”
রাষ্ট্রপতি তার বক্তব্যে বর্তমান সরকারের ফ্যামিলি কার্ড চালুর বিষয়টি তুলে ধরেন। আগামী ১০ই মার্চ ফ্যামিলি কার্ড চালুর বিষয়টি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি একে ‘যুগান্তকারী’ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন। এই কার্ডের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারী ও তাদের পরিবারগুলো স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাবে বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননাপ্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেন।
নারী উন্নয়নের ভিত্তি রচনা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান: রাষ্ট্রপতি
রাষ্ট্র ও সমাজের মূলধারা থেকে নারীকে বিচ্ছিন্ন রেখে জাতীয় অগ্রগতি অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রবিবার ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, উনিশশো ছিয়াত্তর সালে রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে প্রথম নারী বিষয় দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেন। পরে উনিশশো আটাত্তর সালে গঠন করা হয় মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া এটিকে বর্তমান মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে রূপান্তর করেন।”
রাষ্ট্রপতি তার বক্তব্যে বলেন, নারী উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, সেটিকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী রূপ দিয়েছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
খালেদা জিয়ার গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা ও দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “নারী শিক্ষার এই যুগান্তকারী উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত; বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এটিকে তৃতীয় বিশ্বের একটি সফল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।”
রাষ্ট্রপতি তার বক্তব্যে বর্তমান সরকারের ফ্যামিলি কার্ড চালুর বিষয়টি তুলে ধরেন। আগামী ১০ই মার্চ ফ্যামিলি কার্ড চালুর বিষয়টি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি একে ‘যুগান্তকারী’ পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন। এই কার্ডের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারী ও তাদের পরিবারগুলো স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ পাবে বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননাপ্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেন।