প্রকাশ : ০৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৬ পিএমআপডেট : ০৬ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৬ পিএম
ভেনেজুয়েলায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার পর দুর্যোগ মোকাবিলা নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল পৌঁছানোর আগে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকারের তৎপরতা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট ছিল না বলে দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন লেখা হয়েছে।
রোববার রাতে ভেনেজুয়েলার তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৩৪২ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন ১৬ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি।
গত ২৪এ জুন হওয়া এই ভূমিকম্পটি ছিলো লাতিন আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে একটি। এর আঘাতে শত শত ভবন ধসে পড়েছে এবং রাজধানী কারাকাসের উত্তরের উপকূলীয় লা গুয়াইরা অঞ্চলে হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
ভূমিকম্পের ১১ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও, অনেক পরিবার ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা স্বজনদের মরদেহ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।
আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলগুলো ধীরে ধীরে তাদের অভিযান শেষ করলেও স্থানীয়দের অনুসন্ধান এখনো চলছে।
এমনই একটি পরিবারের সদস্য রোসা লোপেজ। তার ২৫ বছর বয়সি জামাতা হোসে আন্তোনিও টোলেদো ভূমিকম্পের সময় ভবন ধসে নিহত হন। উদ্ধারকারীরা তার মরদেহ একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও জায়গা না থাকায় সেটি অন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু মরদেহটি রাখা হয় একটি পার্কিং এলাকার খোলা জায়গায়।
কয়েক দিন পর এক ফরেনসিক চিকিৎসকের সহায়তায় পরিবারটি তার মরদেহ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। কিন্তু মরদেহ দাফনের জন্য একটি প্রতিষ্ঠানের চাওয়া ৪৫০ ডলার পরিশোধ করার সামর্থ্য ছিল না পরিবারের। পরে স্থানীয় মেয়রের কার্যালয় থেকে বিনা খরচে কবরের জায়গা দেওয়ার খবর পেয়ে রাতেই তাকে দাফন করা হয়।
ফরেনসিক প্রযুক্তিবিদ জোয়েল মিরাবাল বলেন, গত সাত দিন ধরে তিনি টানা কাজ করছেন। তিনি বলেন, প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে স্বজন বা প্রতিবেশীরা মরদেহ শনাক্ত করতে পারলেও কাজটি অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। অনেক ক্ষেত্রেই ট্যাটু, শরীরের দাগ বা পোশাক দেখে পরিচয় নিশ্চিত করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, "অনেক মরদেহ বাস্তব জীবনের চেহারার সঙ্গে ১০ শতাংশও মিলছে না।"
যেসব মরদেহ শনাক্ত করা যাচ্ছে না, সেগুলো লা গুয়াইরা বন্দরের ফরেনসিক কেন্দ্রের কাছে পাঠানো হচ্ছে। তবে মৃতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় গণকবর তৈরির প্রয়োজন হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন মিরাবাল। তার ধারণা, ধ্বংসস্তূপ থেকে সব মরদেহ উদ্ধার করতে তিন মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত্যু বেড়ে ৩ হাজার ৩০০
ভেনেজুয়েলায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৩ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হওয়ার পর দুর্যোগ মোকাবিলা নিয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দল পৌঁছানোর আগে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকারের তৎপরতা প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট ছিল না বলে দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন লেখা হয়েছে।
রোববার রাতে ভেনেজুয়েলার তথ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৩৪২ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছেন ১৬ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি।
গত ২৪এ জুন হওয়া এই ভূমিকম্পটি ছিলো লাতিন আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে একটি। এর আঘাতে শত শত ভবন ধসে পড়েছে এবং রাজধানী কারাকাসের উত্তরের উপকূলীয় লা গুয়াইরা অঞ্চলে হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
ভূমিকম্পের ১১ দিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও, অনেক পরিবার ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা স্বজনদের মরদেহ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।
আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলগুলো ধীরে ধীরে তাদের অভিযান শেষ করলেও স্থানীয়দের অনুসন্ধান এখনো চলছে।
এমনই একটি পরিবারের সদস্য রোসা লোপেজ। তার ২৫ বছর বয়সি জামাতা হোসে আন্তোনিও টোলেদো ভূমিকম্পের সময় ভবন ধসে নিহত হন। উদ্ধারকারীরা তার মরদেহ একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলেও জায়গা না থাকায় সেটি অন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু মরদেহটি রাখা হয় একটি পার্কিং এলাকার খোলা জায়গায়।
কয়েক দিন পর এক ফরেনসিক চিকিৎসকের সহায়তায় পরিবারটি তার মরদেহ শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। কিন্তু মরদেহ দাফনের জন্য একটি প্রতিষ্ঠানের চাওয়া ৪৫০ ডলার পরিশোধ করার সামর্থ্য ছিল না পরিবারের। পরে স্থানীয় মেয়রের কার্যালয় থেকে বিনা খরচে কবরের জায়গা দেওয়ার খবর পেয়ে রাতেই তাকে দাফন করা হয়।
ফরেনসিক প্রযুক্তিবিদ জোয়েল মিরাবাল বলেন, গত সাত দিন ধরে তিনি টানা কাজ করছেন। তিনি বলেন, প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে স্বজন বা প্রতিবেশীরা মরদেহ শনাক্ত করতে পারলেও কাজটি অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠছে। অনেক ক্ষেত্রেই ট্যাটু, শরীরের দাগ বা পোশাক দেখে পরিচয় নিশ্চিত করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, "অনেক মরদেহ বাস্তব জীবনের চেহারার সঙ্গে ১০ শতাংশও মিলছে না।"
যেসব মরদেহ শনাক্ত করা যাচ্ছে না, সেগুলো লা গুয়াইরা বন্দরের ফরেনসিক কেন্দ্রের কাছে পাঠানো হচ্ছে। তবে মৃতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় গণকবর তৈরির প্রয়োজন হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন মিরাবাল। তার ধারণা, ধ্বংসস্তূপ থেকে সব মরদেহ উদ্ধার করতে তিন মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
বিষয়: