সড়ক ছাড়াও এই সময়ে ১৩টি নৌ-পথ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ আহত হয়েছেন। এই সাথে ২৪টি কোরবানীর গরু মারা গেছে। ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৬, ০১:০৩ পিএমআপডেট : ০৪ জুন ২০২৬, ০২:০১ পিএম
ঈদযাত্রার ১৩ দিনে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন। অর্থাৎ, প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছেন ২২ জন। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
ঈদুল আজহার আগে-পরে ১৩ দিনের (২১এ মে থেকে ২রা জুন পর্যন্ত) হিসেব নিয়ে এই পরিসংখ্যান তৈরি করেছে সংস্থাটি। নিহতের মধ্যে ৪৮ জনই শিশু, নারী ৩৪ জন।
সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে এবং সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে।
সংস্থাটি বলছে, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১২৪ জন, বাস যাত্রী ২১ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রলি আরোহী ৩২ জন, প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স আরোহী ১১ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান) ৪৮ জন এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-ভটভটি-মাহিন্দ্র) ৮ জন নিহত হয়েছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৯৭টি জাতীয় মহাসড়কে, ১১২টি আঞ্চলিক সড়কে, ৪২টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৩৭টি শহরের সড়কে এবং ৪টি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে।
সংস্থাটির তথ্যমতে, গত বছরের তুলনায় প্রাণহানি কমেছে ১৬.৮৮%।
২০২৫ সালের ঈদুল আজহার আগে-পরে ১২ দিনে ৩১২ জন নিহত হয়েছিলেন। প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছিলেন ২৬ জন। এ বছরে প্রতিদিন গড়ে ২১.৬১ জন নিহত হয়েছেন।
তবে প্রাণহানি কমার এই হার কোনো উন্নতির সূচক নির্দেশ করছে না। কারণ পরিবহন খাতে কোনো প্রকার ব্যবস্থাপনাগত উন্নতি ঘটেনি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
কিশোর-যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ১১ জন পথচারী নিহত হয়েছে। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের মধ্যে ৫৭ শতাংশের বয়স ১৪ থেকে ২০ বছর।
দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে সংস্থাটি জানাচ্ছে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, বেতন-কর্মঘন্টা নির্দিষ্ট না থাকা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল, তরুণ-যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএ’র সক্ষমতার ঘাটতি,গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলেছে, একটি সুস্থ-স্বাভাবিক ও নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে হলে কমপক্ষে তিন বছর মেয়াদি একটি টেকসই ও সমন্বিত পরিবহন পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন। এই পরিকল্পনার অধীনে রেলপথ সংস্কার এবং সম্প্রসারণ করে ট্রেনের সংখ্যা বাড়িয়ে সড়ক পথের মানুষকে ট্রেনমুখী করতে হবে। নৌ-পরিবহন উন্নত ও জনবান্ধব করতে হবে। বিআরটিসি’র রুট বিস্তৃত করে বাসের সংখ্যা বাড়াতে হবে।
পুলিশ, বিজিবি, আনসার-সহ সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহের যেসব বাস রয়েছে সেগুলো সরকার বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ঈদযাত্রায় ব্যবহার করলে দেশে মানসম্পন্ন গণপরিবহনের ঘাটতি অনেকাংশে পূরণ করা সম্ভব হবেএবং সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।
সড়ক ছাড়াও এই সময়ে ১৩টি নৌ-পথ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ আহত হয়েছেন। এই সাথে ২৪টি কোরবানীর গরু মারা গেছে। ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পরিসংখ্যান
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় ঝরলো ২৮১ মানুষের প্রাণ
সড়ক ছাড়াও এই সময়ে ১৩টি নৌ-পথ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ আহত হয়েছেন। এই সাথে ২৪টি কোরবানীর গরু মারা গেছে। ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।
ঈদযাত্রার ১৩ দিনে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন। অর্থাৎ, প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছেন ২২ জন। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
ঈদুল আজহার আগে-পরে ১৩ দিনের (২১এ মে থেকে ২রা জুন পর্যন্ত) হিসেব নিয়ে এই পরিসংখ্যান তৈরি করেছে সংস্থাটি। নিহতের মধ্যে ৪৮ জনই শিশু, নারী ৩৪ জন।
সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে এবং সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে।
সংস্থাটি বলছে, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১২৪ জন, বাস যাত্রী ২১ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রলি আরোহী ৩২ জন, প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স আরোহী ১১ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান) ৪৮ জন এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-ভটভটি-মাহিন্দ্র) ৮ জন নিহত হয়েছেন।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৯৭টি জাতীয় মহাসড়কে, ১১২টি আঞ্চলিক সড়কে, ৪২টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৩৭টি শহরের সড়কে এবং ৪টি অন্যান্য স্থানে সংঘটিত হয়েছে।
সংস্থাটির তথ্যমতে, গত বছরের তুলনায় প্রাণহানি কমেছে ১৬.৮৮%।
২০২৫ সালের ঈদুল আজহার আগে-পরে ১২ দিনে ৩১২ জন নিহত হয়েছিলেন। প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছিলেন ২৬ জন। এ বছরে প্রতিদিন গড়ে ২১.৬১ জন নিহত হয়েছেন।
তবে প্রাণহানি কমার এই হার কোনো উন্নতির সূচক নির্দেশ করছে না। কারণ পরিবহন খাতে কোনো প্রকার ব্যবস্থাপনাগত উন্নতি ঘটেনি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
কিশোর-যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ১১ জন পথচারী নিহত হয়েছে। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের মধ্যে ৫৭ শতাংশের বয়স ১৪ থেকে ২০ বছর।
দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে সংস্থাটি জানাচ্ছে ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন, বেপরোয়া গতি, চালকদের অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা, বেতন-কর্মঘন্টা নির্দিষ্ট না থাকা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল, তরুণ-যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএ’র সক্ষমতার ঘাটতি,গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলেছে, একটি সুস্থ-স্বাভাবিক ও নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে হলে কমপক্ষে তিন বছর মেয়াদি একটি টেকসই ও সমন্বিত পরিবহন পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন। এই পরিকল্পনার অধীনে রেলপথ সংস্কার এবং সম্প্রসারণ করে ট্রেনের সংখ্যা বাড়িয়ে সড়ক পথের মানুষকে ট্রেনমুখী করতে হবে। নৌ-পরিবহন উন্নত ও জনবান্ধব করতে হবে। বিআরটিসি’র রুট বিস্তৃত করে বাসের সংখ্যা বাড়াতে হবে।
পুলিশ, বিজিবি, আনসার-সহ সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানসমূহের যেসব বাস রয়েছে সেগুলো সরকার বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ঈদযাত্রায় ব্যবহার করলে দেশে মানসম্পন্ন গণপরিবহনের ঘাটতি অনেকাংশে পূরণ করা সম্ভব হবেএবং সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে মনে করছে সংস্থাটি।
সড়ক ছাড়াও এই সময়ে ১৩টি নৌ-পথ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ আহত হয়েছেন। এই সাথে ২৪টি কোরবানীর গরু মারা গেছে। ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।
বিষয়: