এনবিআর ভবনের সামনে প্রায় ২০০ মোটরসাইকেল সারিবদ্ধভাবে রেখে এ কর্মসূচি পালন করেন বাইকাররা।
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএমআপডেট : ১৭ মে ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
এনবিআর ভবনের সামনে বাইকারদের মানববন্ধন
ঢাকার আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রধান কার্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেলের ওপর সম্ভাব্য নতুন কর আরোপের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বাইক চালকরা।
রবিবার দুপুর ১২টার দিকে এনবিআর ভবনের সামনে প্রায় ২০০ মোটরসাইকেল সারিবদ্ধভাবে রেখে এ কর্মসূচি পালন করেন বাইকাররা।
এ সময় ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা আরোহীরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে কর প্রত্যাহারের দাবিতে স্লোগান দেন।
তাদের দাবি, মোটরসাইকেল এখন আর কোনো বিলাসবহুল পণ্য নয়; বরং সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও জীবিকার অন্যতম প্রধান মাধ্যম। এতে নতুন করে কর আরোপ করলে অনেকের জীবিকা কেড়ে নেওয়া হবে।
এ সময় তারা এনবিআর বরাবর একটি স্মারক লিপি দিয়েছেন। বিষয়টি আলাপ-কে নিশ্চিত করেছেন এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ আল-আমিন শেখ।
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে মোটরসাইকেল মালিকদের ওপর নতুন করে অগ্রিম কর (এআইটি) বা বাড়তি শুল্ক আরোপের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই তারা রাস্তায় নেমেছেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত বাজেটে ১১১-১২৫ সিসির মোটরসাইকেলের জন্য বছরে ২ হাজার টাকা, ১২৬-১৬৫ সিসির জন্য ৫ হাজার টাকা এবং ১৬৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর (এআইটি) আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। এতে দেশের লাখ লাখ মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।
তারা বলেন, নতুন এই কর আরোপ কার্যকর হলে সাধারণ ব্যবহারকারীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হবে।
মানববন্ধনের কারণে এনবিআর ভবনের সামনের সড়কের এক পাশে যানবাহনের গতি কিছুটা ধীর হয়ে পড়ে। তবে বড় ধরনের কোনো যানজট সৃষ্টি হয়নি।
এদিকে মোটরসাইকেল মালিকদের ওপর কর আরোপ জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রবিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, ‘‘সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম মারফত জানা যাচ্ছে, সরকার মোটরসাইকেল মালিকদের ওপর কর আরোপ করতে যাচ্ছে। মোটরসাইকেলের মালিক ও চালক সাধারণত কোনো সম্পদশালী মানুষ নন; জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে তারা এই বাহনটি ব্যবহার করেন। করের আওতা বাড়ানো রাষ্ট্রের রাজস্ব আহরণের জন্য প্রয়োজন হতে পারে, তবে জীবনযুদ্ধে ক্লান্ত এসব মানুষগুলোর ওপর অতিরিক্ত কর আরোপ অবশ্যই উচিত নয়।’’
কর আরোপ ‘জনস্বার্থবিরোধী’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘‘আশা করি সরকার এমন কোনো চিন্তা করে থাকলে তা থেকে সরে আসবে। অন্যথায় এটি একটি জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।’’
অগ্রিম আয়কর ইস্যুতে ঢাকায় বাইকারদের বিক্ষোভ
এনবিআর ভবনের সামনে প্রায় ২০০ মোটরসাইকেল সারিবদ্ধভাবে রেখে এ কর্মসূচি পালন করেন বাইকাররা।
ঢাকার আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রধান কার্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেলের ওপর সম্ভাব্য নতুন কর আরোপের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন বাইক চালকরা।
রবিবার দুপুর ১২টার দিকে এনবিআর ভবনের সামনে প্রায় ২০০ মোটরসাইকেল সারিবদ্ধভাবে রেখে এ কর্মসূচি পালন করেন বাইকাররা।
এ সময় ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা আরোহীরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে কর প্রত্যাহারের দাবিতে স্লোগান দেন।
তাদের দাবি, মোটরসাইকেল এখন আর কোনো বিলাসবহুল পণ্য নয়; বরং সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও জীবিকার অন্যতম প্রধান মাধ্যম। এতে নতুন করে কর আরোপ করলে অনেকের জীবিকা কেড়ে নেওয়া হবে।
এ সময় তারা এনবিআর বরাবর একটি স্মারক লিপি দিয়েছেন। বিষয়টি আলাপ-কে নিশ্চিত করেছেন এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোঃ আল-আমিন শেখ।
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে মোটরসাইকেল মালিকদের ওপর নতুন করে অগ্রিম কর (এআইটি) বা বাড়তি শুল্ক আরোপের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদেই তারা রাস্তায় নেমেছেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত বাজেটে ১১১-১২৫ সিসির মোটরসাইকেলের জন্য বছরে ২ হাজার টাকা, ১২৬-১৬৫ সিসির জন্য ৫ হাজার টাকা এবং ১৬৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর (এআইটি) আরোপের প্রস্তাব রয়েছে। এতে দেশের লাখ লাখ মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।
তারা বলেন, নতুন এই কর আরোপ কার্যকর হলে সাধারণ ব্যবহারকারীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হবে।
মানববন্ধনের কারণে এনবিআর ভবনের সামনের সড়কের এক পাশে যানবাহনের গতি কিছুটা ধীর হয়ে পড়ে। তবে বড় ধরনের কোনো যানজট সৃষ্টি হয়নি।
এদিকে মোটরসাইকেল মালিকদের ওপর কর আরোপ জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রবিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
পোস্টে জামায়াত আমির বলেন, ‘‘সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম মারফত জানা যাচ্ছে, সরকার মোটরসাইকেল মালিকদের ওপর কর আরোপ করতে যাচ্ছে। মোটরসাইকেলের মালিক ও চালক সাধারণত কোনো সম্পদশালী মানুষ নন; জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে তারা এই বাহনটি ব্যবহার করেন। করের আওতা বাড়ানো রাষ্ট্রের রাজস্ব আহরণের জন্য প্রয়োজন হতে পারে, তবে জীবনযুদ্ধে ক্লান্ত এসব মানুষগুলোর ওপর অতিরিক্ত কর আরোপ অবশ্যই উচিত নয়।’’
কর আরোপ ‘জনস্বার্থবিরোধী’ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘‘আশা করি সরকার এমন কোনো চিন্তা করে থাকলে তা থেকে সরে আসবে। অন্যথায় এটি একটি জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।’’