হামের হটস্পট উপজেলাগুলোতে সংক্রমণ কমেছে

আপডেট : ১৭ মে ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম

সরকারের বিশেষ হাম টিকাদান কর্মসূচির ইতিবাচক ফল পাওয়া শুরু হয়েছে। হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় এখন হাম রোগীর সংখ্যা অনেক কমে গেছে। বেশিরভাগ এলাকাতেই প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা দুই অঙ্কের নিচে নেমে এসেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ৫ই এপ্রিল শুরু হওয়া বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ৫ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়া হয়। এরপর থেকেই আক্রান্ত এলাকার নতুন রোগীর সংখ্যা দ্রুত কমতে শুরু করে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, যেসব এলাকায় বিশেষ টিকাদান চালানো হয়েছে সেখানে এখন হাম রোগী প্রায় নেই বললেই চলে। তিনি জানান, বর্তমানে সারাদেশেই হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. চিরঞ্জিত দাস বলেন, টিকা নেওয়ার পর কার্যকারিতা দেখা দিতে সাধারণত ২ থেকে ৩ সপ্তাহ সময় লাগে। ১৭ই এপ্রিলের পর থেকে হটস্পট এলাকাগুলোতে আক্রান্তের সংখ্যা স্পষ্টভাবে কমতে শুরু করেছে, যা টিকার কার্যকারিতার প্রমাণ।

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, ভ্যাকসিনের পূর্ণ সুফল পেতে আরও কিছু সময় লাগবে। কারণ শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হতে ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ সময় লাগে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মার্চ ও এপ্রিলে হাম রোগীর সংখ্যা অনেক বেড়ে গেলেও এখন পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আগে প্রতিদিন প্রায় ১০০ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলেও বর্তমানে তা কমে ৮ থেকে ১০ জনে নেমেছে।

নাটোরেও বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির ফলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে। সেখানে বর্তমানে হামজনিত মৃত্যু বা জটিলতার খবর নেই।

পাবনাতেও হাম রোগীর সংখ্যা কমেছে। মার্চে প্রতিদিন ১৯ থেকে ২১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হলেও এখন সেই সংখ্যা ৮ থেকে ১০ জনে নেমে এসেছে।