গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় তিন শিশুসন্তান, স্ত্রী ও শ্যালককে গলা কেটে হত্যার পর ফোনকলে আত্মীয়কে জানিয়েছেন ঘাতক। স্বীকারোক্তি দিয়ে পালিয়ে গেছেন তিনি।শনিবার ভোররাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। চার মাস ধরে স্ত্রী-সন্তানসহ প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়ায় থাকতেন ঘাতক ফোরকান। কাপাসিয়া থানার ওসি মো. শাহীনুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে আলাপকে জানিয়েছেন, ‘ঘাতক ফোরকান স্ত্রী, সন্তানকে হত্যার পর ফোনকল করে আত্মীয়কে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।’ফোরকান এখন গোপালগঞ্জে পলাতক রয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তিন সন্তান, স্ত্রী ও শ্যালককে হত্যা: ফোনকলে স্বীকারোক্তি দিয়ে পলাতক স্বামী
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় তিন শিশুসন্তান, স্ত্রী ও শ্যালককে গলা কেটে হত্যার পর ফোনকলে আত্মীয়কে জানিয়েছেন ঘাতক। স্বীকারোক্তি দিয়ে পালিয়ে গেছেন তিনি।
শনিবার ভোররাতে কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
চার মাস ধরে স্ত্রী-সন্তানসহ প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়ায় থাকতেন ঘাতক ফোরকান।
কাপাসিয়া থানার ওসি মো. শাহীনুর আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে আলাপকে জানিয়েছেন, ‘ঘাতক ফোরকান স্ত্রী, সন্তানকে হত্যার পর ফোনকল করে আত্মীয়কে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।’
ফোরকান এখন গোপালগঞ্জে পলাতক রয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানিয়েছেন তিনি।