এপ্রিলে ৪৬৩ সড়ক দুর্ঘটনার ৩০ শতাংশই মোটরসাইকেলে: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ মে ২০২৬, ০৭:৩১ পিএমআপডেট : ০৬ মে ২০২৬, ০৮:৩৬ পিএম
সারাদেশে এপ্রিলে ৪৬৩টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। যার মধ্যে ১৪২টিই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা।
৬ই মে বুধবারে দেয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এপ্রিল মাসের সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান প্রকাশ করেন সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এপ্রিলে সড়ক দুর্ঘটনায় চার শতাধিক নিহত ও সাত শতাধিক আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৫৩জন নারী ও ৪৮জন শিশু। এর মধ্যে ১১৩জন নিহত হন মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়, যা মোট নিহতের সংখ্যার ২৭.৯৭ শতাংশ।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এই সময়ে ৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৪জন নিহত ও ১১জন আহত হয়েছেন। ৩৪টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ২৫জন নিহত ও ১৭জন আহত হয়েছেন।
ধরন বিষয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্ঘটনার প্রায় অর্ধেকই হয়েছে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। এছাড়া প্রায় ২৩ শতাংশ দুর্ঘটনায় যানবাহন পথচারীকে ধাক্কা বা চাপা দেয়। এছাড়াও প্রায় ২১ শতাংশ ক্ষেত্রে হয় দুই যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ।
দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহনের মধ্যে প্রায় ২৬ শতাংশ ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ বা লরি এবং ২৩ শতাংশ মোটরসাইকেল।
মোট দুর্ঘটনার বেশিরভাগ (প্রায় ২৯ শতাংশ) ঘটেছে সকালে।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এই প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে- ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, বেপরোয়া গাড়ি চালানো, চালকদের অদক্ষতা বা অসুস্থতা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল, ট্রাফিক আইন না জানা ও মানা, চালকদের বেতন-কর্মঘণ্টা নিশ্চিত না থাকা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএ-র সক্ষমতার ঘাটতি ও গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি।
সংগঠনটি ৯টি দৈনিক, ১৭টি নিউজ পোর্টাল ও নিজেদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করেছে বলে উল্লেখ করা হয় প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে।
এপ্রিলে ৪৬৩ সড়ক দুর্ঘটনার ৩০ শতাংশই মোটরসাইকেলে: রোড সেফটি ফাউন্ডেশন
সারাদেশে এপ্রিলে ৪৬৩টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। যার মধ্যে ১৪২টিই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা।
৬ই মে বুধবারে দেয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এপ্রিল মাসের সড়ক দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান প্রকাশ করেন সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এপ্রিলে সড়ক দুর্ঘটনায় চার শতাধিক নিহত ও সাত শতাধিক আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৫৩জন নারী ও ৪৮জন শিশু। এর মধ্যে ১১৩জন নিহত হন মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায়, যা মোট নিহতের সংখ্যার ২৭.৯৭ শতাংশ।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এই সময়ে ৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৪জন নিহত ও ১১জন আহত হয়েছেন। ৩৪টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ২৫জন নিহত ও ১৭জন আহত হয়েছেন।
ধরন বিষয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্ঘটনার প্রায় অর্ধেকই হয়েছে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে। এছাড়া প্রায় ২৩ শতাংশ দুর্ঘটনায় যানবাহন পথচারীকে ধাক্কা বা চাপা দেয়। এছাড়াও প্রায় ২১ শতাংশ ক্ষেত্রে হয় দুই যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ।
দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহনের মধ্যে প্রায় ২৬ শতাংশ ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, পিকআপ বা লরি এবং ২৩ শতাংশ মোটরসাইকেল।
মোট দুর্ঘটনার বেশিরভাগ (প্রায় ২৯ শতাংশ) ঘটেছে সকালে।
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের এই প্রতিবেদনে সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে- ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, বেপরোয়া গাড়ি চালানো, চালকদের অদক্ষতা বা অসুস্থতা, মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল, ট্রাফিক আইন না জানা ও মানা, চালকদের বেতন-কর্মঘণ্টা নিশ্চিত না থাকা, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বিআরটিএ-র সক্ষমতার ঘাটতি ও গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি।
সংগঠনটি ৯টি দৈনিক, ১৭টি নিউজ পোর্টাল ও নিজেদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করেছে বলে উল্লেখ করা হয় প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে।