রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ৩০টি ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ২৭টি কোম্পানি ছাড়া বাকি সবগুলোর দর বেড়েছে।
মেরাজ মেভিজ
প্রকাশ : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:২৬ পিএমআপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
আস্থায় বড় উত্থান শেয়ারবাজারে
নির্বাচনের পর প্রথম দিনেই বড় ধরনের উত্থানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে দেশের দুই শেয়ার বাজারে।
রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ৩০টি ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ২৭টি কোম্পানি ছাড়া বাকি সবগুলোর দর বেড়েছে।
দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ২০০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৬০০ পয়েন্টে। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স একদিনে প্রায় ৪ শতাংশ বেড়েছে। অন্য সূচকগুলোও ২ থেকে ৪ শতাংশ বেড়েছে।
আর প্রায় পাঁচ মাস পর দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ছাড়িয়েছে এক হাজার কোটি টাকা।
এর আগে ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পরদিন ৬ই অগাস্ট ডিএসইএক্স সূচক ১৯৭ পয়েন্ট বেড়েছিল আর তার পরদিন তার আগের দিন থেকে ৩০৬ পয়েন্ট বেড়েছিল।
নির্বাচনের পর এই উত্থানকে প্রত্যাশিত বলছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন।
“একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। এরপর তারা যে ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে, অন্যান্য দলের নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমান দেখা করতে যাচ্ছেন- সব মিলে শেয়ার বাজার একটি লম্বা সময়ের জন্য সুস্থির থাকবে বলেই ধারণা করছেন বিনিয়োগকারীরা। আমার মনে হয়, ইনডেক্স বড় ধরনের উত্থান এসব বিষয় কাজ করেছে,” আলাপকে বলেন তিনি।
তবে আলাদা আলাদা প্রতিষ্ঠান বিবেচনায় এই উত্থান খুব বেশি নয় বলে মনে করছেন তিনি।
তার ভাষায়, “তবে খুব বেশি যে উত্থান হয়েছে ব্যাপারটা কিন্তু এমন না। ৩০ টাকার যে শেয়ারটা কমতে কমতে দুই থেকে তিন টাকায় এসে দাঁড়িয়েছিল সেটা কিছুটা বেড়ে আজ হয়তো চার টাকা হয়েছে।”
অন্তত আরও কিছু দিন এই উত্থান অব্যহত থাকলেও এরপর আবার নিচে নামবে বলে মনে করছেন তিনি।
ডিএসই’র সাবেক সভাপতি শাকিল রিজভীও মনে করছেন রাজনৈতিক সুস্থিরতার আভাসই এই উত্থানের পেছনে অন্যতম কারণ।
একই সঙ্গে এই উত্থান এর আগে অগাস্টে দেখা গিয়েছিল জানিয়ে তিনি আলাপকে বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায়ের পর শেয়ার বাজারে এমন উত্থান দেখা গিয়েছিল। এরপর আবার রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় সেটা কমে যায়।”
তবে আগামী সরকার ব্যবসা বাণিজ্যে গতি আনতে পারলে শেয়ার বাজারের চাঙ্গাভাব বজায় থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ডিএসইতে সব খাত মিলে আজ দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ৩৬৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার; দাম কমেছে ২৬টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে চারটি।
সবকটি মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। ডিএসইতে ১ হাজার ২৭৫ কোটি ৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে।
যা আগের দিন থেকে ৪৮৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকা বেশি।
অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ৩০ পয়েন্ট বা প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ১২৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৮৬ পয়েন্ট বা ৪ শতাংশের বেশি বেড়ে ২ হাজার ১৪৫ পয়েন্টে উঠে এসেছে।
অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪৮৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৫১৮ পয়েন্টে।
সিএসইতে ২৪৭ টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২২০ টির দর বেড়েছে, কমেছে ১৭ টির এবং ১০ টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
সিএসইতে ২৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। মঙ্গলবার লেনদেন হয় ৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
আস্থায় বড় উত্থান শেয়ারবাজারে
রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ৩০টি ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের ২৭টি কোম্পানি ছাড়া বাকি সবগুলোর দর বেড়েছে।
নির্বাচনের পর প্রথম দিনেই বড় ধরনের উত্থানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে দেশের দুই শেয়ার বাজারে।
রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ৩০টি ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ২৭টি কোম্পানি ছাড়া বাকি সবগুলোর দর বেড়েছে।
দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ২০০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫ হাজার ৬০০ পয়েন্টে। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স একদিনে প্রায় ৪ শতাংশ বেড়েছে। অন্য সূচকগুলোও ২ থেকে ৪ শতাংশ বেড়েছে।
আর প্রায় পাঁচ মাস পর দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ ছাড়িয়েছে এক হাজার কোটি টাকা।
এর আগে ২০২৪ সালে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পরদিন ৬ই অগাস্ট ডিএসইএক্স সূচক ১৯৭ পয়েন্ট বেড়েছিল আর তার পরদিন তার আগের দিন থেকে ৩০৬ পয়েন্ট বেড়েছিল।
নির্বাচনের পর এই উত্থানকে প্রত্যাশিত বলছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন।
“একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। এরপর তারা যে ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে, অন্যান্য দলের নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমান দেখা করতে যাচ্ছেন- সব মিলে শেয়ার বাজার একটি লম্বা সময়ের জন্য সুস্থির থাকবে বলেই ধারণা করছেন বিনিয়োগকারীরা। আমার মনে হয়, ইনডেক্স বড় ধরনের উত্থান এসব বিষয় কাজ করেছে,” আলাপকে বলেন তিনি।
তবে আলাদা আলাদা প্রতিষ্ঠান বিবেচনায় এই উত্থান খুব বেশি নয় বলে মনে করছেন তিনি।
তার ভাষায়, “তবে খুব বেশি যে উত্থান হয়েছে ব্যাপারটা কিন্তু এমন না। ৩০ টাকার যে শেয়ারটা কমতে কমতে দুই থেকে তিন টাকায় এসে দাঁড়িয়েছিল সেটা কিছুটা বেড়ে আজ হয়তো চার টাকা হয়েছে।”
অন্তত আরও কিছু দিন এই উত্থান অব্যহত থাকলেও এরপর আবার নিচে নামবে বলে মনে করছেন তিনি।
ডিএসই’র সাবেক সভাপতি শাকিল রিজভীও মনে করছেন রাজনৈতিক সুস্থিরতার আভাসই এই উত্থানের পেছনে অন্যতম কারণ।
একই সঙ্গে এই উত্থান এর আগে অগাস্টে দেখা গিয়েছিল জানিয়ে তিনি আলাপকে বলেন, “আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায়ের পর শেয়ার বাজারে এমন উত্থান দেখা গিয়েছিল। এরপর আবার রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় সেটা কমে যায়।”
তবে আগামী সরকার ব্যবসা বাণিজ্যে গতি আনতে পারলে শেয়ার বাজারের চাঙ্গাভাব বজায় থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ডিএসইতে সব খাত মিলে আজ দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ৩৬৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার; দাম কমেছে ২৬টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে চারটি।
সবকটি মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। ডিএসইতে ১ হাজার ২৭৫ কোটি ৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে।
যা আগের দিন থেকে ৪৮৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকা বেশি।
অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ৩০ পয়েন্ট বা প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ১২৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৮৬ পয়েন্ট বা ৪ শতাংশের বেশি বেড়ে ২ হাজার ১৪৫ পয়েন্টে উঠে এসেছে।
অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪৮৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৫১৮ পয়েন্টে।
সিএসইতে ২৪৭ টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২২০ টির দর বেড়েছে, কমেছে ১৭ টির এবং ১০ টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
সিএসইতে ২৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। মঙ্গলবার লেনদেন হয় ৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা।
বিষয়: