ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ‘কালচার’ বনাম ‘ভালচার’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘তুচ্ছ’ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায় প্রায়ই। কিন্তু এর বাইরে সংঘর্ষ ছাড়াই যেভাবে সামাজিক পাটাতনে পচন ধরেছে নীরবে, তা-কি খেয়াল করছে রাষ্ট্র? তবে তা শুধু এই জেলায় কেন, পচন ধরা পাটাতনটি পুরো বাংলাদেশেরই।

আপডেট : ০২ জুন ২০২৬, ০২:৩৯ পিএম

একটা বাঁশ বা লাঠির মাথায় একগাদা লোহার শিক। আগা সূঁচালো, কখনও বাঁকানো। এর নাম টেটা। অনেকটা বর্শার মতো।

টেটার নাম শুনলেই চোখের সামনে একটা জেলার নাম ভেসে ওঠে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া। যেখানে এই ২০২৬ সালের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের যুগেও ঘোষণা দিয়ে এই গ্রাম-ওই গ্রাম, এই পাড়া-ওই পাড়ায় ‍‘যুদ্ধ’ হয়।

দৈনিক ইত্তেফাকের ২০এ মার্চের খবর, “ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিড়ির ধোঁয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৭।”

যমুনা টিভিতে ২০২৫ সালের ২৫এ জুনের শিরোনাম, “ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাছের ফুল ছেঁড়া নিয়ে দু'পক্ষের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ৩০।”

গুগলে ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংঘর্ষ’ লিখে সার্চ করলে এমন আরো অসংখ্য খবর খুঁজে পাওয়া যাবে। ‘তুচ্ছ’ ঘটনা নিয়ে হওয়া এসবতো বাহ্যিক সংঘর্ষ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী বলা হয়। কিন্তু সেখানে যে সংঘর্ষ ছাড়াই আরো ঘটনা ঘটে যায়, সেসব মোটেও ‘তুচ্ছ’ নয়।

গত শনিবার নির্মাতা তানিম নূরের ঈদের সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনী হওয়ার কথা ছিলো  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে। কারণ জেলায় কোনো সিনেমা হল নেই। আয়োজন করেছিলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফিল্ম সোসাইটি।

প্রদর্শনীর আগে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার জেলার কওমি ছাত্র ঐক্য পরিষদ সিনেমাটি প্রদর্শনের বিরোধিতা করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে নানা পোস্ট করেন তারা।

অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পরে অনুমতি বাতিল করে। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে জেলা প্রশাসনও প্রদর্শনী না করা পক্ষে থাকে।

জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদ আলাপ-কে বলেন, “আয়োজকরা আমাকে কিছু আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। আবার যারা বাধা দিয়েছে তারাও আমাদের মাধ্যমে বাধা দেয়নি। কিন্তু আমরা ফেইসবুকে দেখেছি যা হচ্ছে। আমাদের নিজস্ব তথ্যও ছিলো। তাই নিরাপত্তাই সবচেয়ে বড় কারণ ছিলো প্রদর্শনী বন্ধ করার।”

সিনেমা প্রদর্শনের বিষয়ে আমাদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেয়া হয়নি। ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। তবে ফেসবুকে নানা রকম আলোচনার কারণে অনানুষ্ঠানিকভাবে জেনেছি। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় আপাতত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনী বন্ধ থাকবে।”

ওই রাতে কসবা উপজেলায় আরেকটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রদর্শনী বন্ধ করে দেন। আয়োজকদের ভাষায় ‘সাত গাড়ি পুলিশ’ যায় প্রদর্শনী বন্ধ করতে।
অবশ্য লেখক ও গবেষক আলতাফ পারভেজ মনে করেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নয়, বাংলাদেশের যেকোনো জেলাতেই ‘ডাক এলে’ একই ঘটনা ঘটতো, সরকার তথা প্রশাসন একই পদক্ষেপ নিতো।

ফিরে দেখা নাসিরনগর

একটি ফেইসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে নারকীয় সহিংসতা হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে। ধর্মীয় অবমাননাকর ছবি পোস্টের অভিযোগে ২০১৬ সালের ৩০এ অক্টোবর ওই এলাকায় ১৫টি মন্দির ও তিন শতাধিক বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট ও আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।

উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের হরিণ বেড় গ্রামের রসরাজ দাস নামের এক যুবক তার ফেইসবুকে ধর্মীয় অবমাননাকর ছবি পোস্ট করেছেন, এমন অভিযোগ ওঠে।

স্থানীয়রা রসরাজ দাসকে পুলিশের কাছে তুলে দেন। তার বিরুদ্ধে আইসিটি অ্যাক্টে মামলা হয়। তবে তাতে ক্ষান্ত হয়নি ‘ক্ষুব্ধ’ জনতা।

‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত’–এর উপজেলা শাখার নেতারা নাসিরনগর ডিগ্রি কলেজ মোড়ে বিক্ষোভের ডাক দেন। অন্যদিকে ‘খাঁটি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত’–এর নেতারা নাসিরনগর খেলার মাঠে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেন।

আলাদা সমাবেশ চলার সময় হিন্দুপাড়াগুলোতে হামলা চালানো হয়। দেড় ঘণ্টা ধরে চলে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ।

২০১৬ সালের ৩০এ অক্টোবর ওই এলাকায় ১৫টি মন্দির ও তিন শতাধিক বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট ও আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত

মোদীবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ১৩জন

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঢাকা সফর করেন ২০২১ সালের ২৬এ মার্চ। তার আগে থেকেই এই সফরের বিরোধিতা করছিলো হেফাজতে ইসলাম।

এই সফরের বিরোধিতা রাস্তায় গড়ায়। ঢাকার বায়তুল মোকাররম, চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে বিক্ষোভ থেকে সংঘর্ষ হয়। তবে সবচেয়ে সহিংসতা ছড়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়।

২০২১ সালের ৬ই এপ্রিলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নরেন্দ্র মোদীর সফরের বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ, সংঘাত ও সহিংসতায় সরকারি হিসাবে মোট ১৭ জন মারা যায়।

এর মধ্যে ১৩ জনই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, “সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী, এঁরা ২৬ থেকে ২৮ মার্চ ‘হেফাজতের ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের’ সময় সংঘর্ষে মারা গেছেন।”

২৬এ মার্চ সকাল এগারোটার দিকে বিক্ষোভ শুরু হয়। টানা তিন দিন ধরে বিচ্ছিন্নভাব চলে সংঘর্ষ।

জেলার টি-এ রোডের দুই পাশে জেলা সদরের পৌরসভা, শিল্পকলা, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, পৌর মিলনায়তন, ভূমি অফিস, প্রেস ক্লাব ছাড়াও বেশ কিছু সরকারি ভবনে একে একে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

পরদিন একটি ট্রেনেও হামলা করা হয়, যেটি এর আগের দিন পুড়িয়ে দেয়া রেল স্টেশন পার হচ্ছিল।

২০১৬ ও ২০২১ সালে দুইবার হামলার শিকার হয় ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সঙ্গীতাঙ্গন

সুরের শহরে পোড়া গন্ধ

অনেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে বলেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী। শিল্প-সংস্কৃতি, শিক্ষা-সাহিত্যে স্বনামধন্য এই জনপদ।

তিতাস পাড়ের সন্তান ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ। এই নামটির জন্য বিশ্বের কাছেই সুপরিচিত ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

এই শহরেই জন্মেছেন ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁ, কবি আল মাহমুদ, সাহিত্যিক অদ্বৈত মল্লবর্মন, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এমন আরো অনেক বরেণ্য মানুষ। 

২০১৬ সালের ১২ই জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের টিএ রোড এলাকায় ছাত্রলীগ, ব্যবসায়ী ও পুলিশের সঙ্গে মাদ্রাসার ছাত্রদের সংঘর্ষ হয়। এতে এক শিক্ষার্থী নিহতের খবর পাওয়া যায়।

এ ঘটনার জের ধরেই ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতাঙ্গনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ'র ব্যবহৃত সরোদ, বেহালা, সন্তুর, এস্রাজ, সৌদি আরবের বাদশাহ’র দেওয়া জায়নামাজ, ভারতের মাইহার রাজ্যের রাজা দেওয়া গালিচাসহ সব পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

পাঁচ বছর পর ২০২১ সালের এপ্রিলে হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতাল চলাকালীন আরেকবার হামলার নিশানা হয় সুরসম্রাট দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন’।

একটি জাদুঘর, তিনটি ক্লাসরুম, সরোদ মঞ্চ, প্রশাসনিক কক্ষ ও স্টোররুমে থাকা বাদ্যযন্ত্র, চেয়ার-টেবিল ও অন্যান্য আসবাবপত্রসহ সবকিছু ভেঙে তছনছ করে আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেয়।

A-1.jpg

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় না হলে কী হতো

লেখক ও গবেষক আলতাফ পারভেজ বলছেন, “বাংলাদেশের যেকোনো জেলায় এমন ‘ডাক এলে’ একই ঘটনা ঘটবে। প্রশাসনও একই কাজ করবে। অন্য জেলায় তারা কেন এখনও দয়া করে কেন ডাক দিচ্ছে না তাতেই আমি অবাক হচ্ছি।”

সমাজের এই অসহিষ্ণুতা ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন এই গবেষক। বলেন, “সমাজের পাটাতনে পচন ধরেছে আমরা খেয়ালই করিনি। একটা সামাজিক পরিবর্তন হয়েছে এটা স্বীকার করতে হবে। আমাদের উচিত রিয়েলিটি মাইন্যে নেওয়া।”

গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আবদুন নূর তুষার অবশ্য মনে করেন, ক্ষমতায় টিকে থাকার দূষণে আক্রান্ত রাজনীতিই এই বাস্তবতা তৈরি করেছে।

তিনি বলছেন, “দিনের পর দিন, বছরের পর বছর এই পরিবেশ তৈরি হয়েছে, হতে দেওয়া হয়েছে। ক্ষমতার লোভের রাজনীতি, সংস্কৃতি বিবর্জিত রাজনীতিই এর কারণ। ক্ষমতার মসনদ টিকিয়ে রাখার জন্যই এসব ব্যবহার করা হয়েছে।”

কিছুদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমার তার কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে হলে গিয়ে সিনেমা দেখেছেন। ফেইসবুকে সেই ভিডিও বেশ ভাইরাল হয়েছিল।

ওই ঘটনা মনে করিয়ে আবদুন নূর তুষার বলেন, “যে দেশে প্রধানমন্ত্রী সিনেমা পছন্দ করেন, কন্যাসহ হলে সিনেমা দেখতে যান, সেই দেশের একটি জেলায় একটা সিনেমা প্রদর্শনী হবে না কেন? তাহলে কি তারা ক্ষমতার সর্বোচ্চ পদকেও চ্যালেঞ্জ করছে?”

আলতাফ পারভেজ বলছেন, “যে বাংলাদেশকে দীর্ঘদিন ধরে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে তা অনেকটাই সফল। সরকার এখানে যেভাবে ঘটনাটিকে ‘এন্টারটেইন’ করেছে, অন্য কোথাও ঘটলে এভাবেই ‘এন্টারটেইন’ করবে।”

‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সমাচার

সিনেমাটির প্রদর্শনী বন্ধে দেশজুড়ে প্রতিক্রিয়া হয়েছে বেশ। ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন আলাপ-কে বলেন, “এটা করেছেতো কওমী শিক্ষার্থীরা। এই পরিস্থিতিতো শেখ হাসিনা তৈরি করে গেছেন। তিনিতো কওমী জননী ছিলেন। তার সন্তানরা এখন তা লিগ্যাসি টানছেন।”

তিনি প্রত্যাশা করেন নির্বাচিত সরকার এদিকে নজর দেবে। যদি তিনি আশাবাদী নন।

বাঁধন বলেন, “রাজনীতিবিদরা চান না সমাজ থেকে এসব উৎখাত যাক। সব রাজনীতিবিদের ক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য। সবাই এদের ম্যানেজ করে চলে”।

ঘটনার পর পরিচালক রেদোয়ান রনি ফেইসবুকে লিখেছেন, “শুধু “বনলতা এক্সপ্রেস” নয়, দেশের সব চলচ্চিত্রের জন‍্য এ ঘটনা চরম উদ্বেগজনক! আজ এটাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করলে অদূর ভবিষ্যতেই এটা চলচ্চিত্র উন্নয়নের সবচেয়ে বড় ক্ষতির কারণ হবে। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তথ‍্য মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ব‍্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। শো মাস্ট গো অন।”

জুলাই অভ্যুত্থানে সক্রিয় থাকা চলচ্চিত্র পরিচালক আশফাক নিপুন লিখেছেন, “জনগণের ভোটে নির্বাচিত যে সরকার তাদের প্রধানমন্ত্রীর কন্যাসমেত ঢাকায় সিনেপ্লেক্সে ছবি দেখতে যাওয়াকে ব্যাপকভাবে সেলিব্রেট করেন, সেই সরকারের প্রথম ১২০ দিনের মধ্যেই দেশে–বিদেশে দারুণভাবে সমাদৃত ১০০ ভাগ খাঁটি দেশীয় ছবির স্থানীয় প্রদর্শন বন্ধ হওয়া পুরাপুরি বিপরীতমুখী বার্তা দেয়। ইংরেজিতে যাকে ডাবল স্ট্যান্ডার্ড বলে।”

সিনেমা প্রদর্শনীতে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি-না তা জানতে যোগাযোগ করা হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদের সাথে। তিনি আলাপ-কে বলেছেন, “আমিতো আয়োজকদের বলেছি ফরমালি যোগাযোগ করতে। তারা যোগাযোগ করলে আমি দুই পক্ষের সাথে কথা বলে বিষয়টি সুরাহা করার চেষ্টা করবো।”

“ফেইসবুকে পাল্টাপাল্টি হয়ে যাওয়াতে বিষয়টি এতো দূর গড়িয়েছে”, যোগ করেন জেলা প্রশাসক।

আবদুন নূর তুষার বলছিলেন, “এই পরিস্থিতি রাজনীতিবিদরাই তৈরি করতে দিয়েছেন। সুতরাং রাজনীতিবিদদেরই ঠিক করতে হবে এর সমাধান কী। এভাবেই চলবে না-কি উদার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ তারা গড়বেন। সরকার যদি নৈতিকভাবে সঠিক অবস্থানে থাকে তাহলে এই শক্তিকে ‘কনফ্রন্ট’ করা উচিত।”