গাজীপুরে চাঞ্চল্যকর ৫ খুনের ঘটনার মূল অভিযুক্ত ফোরকানকে নিয়ে নতুন তথ্য মিলেছে। একাধিক গণমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, তার হদিস মিলেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, এখনো কোনো খোঁজ মেলেনি ফোরকানের। তবে পাওয়া গেছে তার মোবাইল ফোন।
পদ্মা নদীতে একজনের ঝাঁপ দেওয়ার সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া গেলেও তা ফোরকানের কি না তা নিশ্চিত নয় পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুরের পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দীন এ তথ্য জানান।
গত ৮ই মে শুক্রবার গাজীপুরের কাপাসিয়ার রাউৎকোনা গ্রামে একই পরিবারের পাঁচ সদস্য খুন হন। খুন হওয়ার মধ্যে আছেন নারী, তার তিন সন্তান ও তার ভাই। এই ঘটনায় মূল সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয় ওই নারীর স্বামী মো. ফোরকানকে। ঘটনার পর থেকেই তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।
ঘটনার ছয় দিন পর ফোরকানের মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ। মেহেরপুরে বাসের এক হেলপারের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় মোবাইল ফোনটি।
পুলিশ সুপার বলেন, ১১ই মে সকালে পদ্মা সেতুর মাঝামাঝি স্থানে রেলিংয়ের পাশে পড়ে থাকা মোবাইল ফোনটি দেখতে পেয়ে তুলে নিয়ে যান বাসের হেলপার।
পুলিশ পদ্মা সেতুর সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করলে দেখতে পায়, সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে এক ব্যক্তি একটি প্রাইভেট কার থেকে সেতুর মাঝামাঝি স্থানে নেমে আসেন। পরে তিনি মোবাইল ফোনটি রেখে ২-৩ মিনিট অবস্থান করেন এবং এক পর্যায়ে সেতুর রেলিং টপকে পদ্মা নদীতে ঝাঁপ দেন।
তবে ওই ব্যক্তিই ফোরকান কি না ভিডিও ফুটেজ দেখে তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ ও ফোরকানের স্বজনরা।
তার খোঁজে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানায় পুলিশ সুপার।