প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ০৪:২২ পিএমআপডেট : ০৫ মে ২০২৬, ০৪:২২ পিএম
দেশে চলমান হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু টিকা পেয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, টিকাদানের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৮৯ শতাংশ অর্জিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
ডা. জাহেদ বলেন, এ পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু টিকা পেয়েছে, যা আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, “হাম এবং এর উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। আক্রান্ত শিশুরা যখন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে, তখন তাদের আইসিইউ সাপোর্ট দেওয়া কঠিন হয়ে যায়।”
সরকার এই সংকট মোকাবিলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছ জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচিকে আরও বেগবান করা হয়েছে।
ডা. জাহেদ জানান, টিকা কার্যক্রমে সহায়তার জন্য ইউনিসেফ ও গ্যাভির পক্ষ থেকে আরও ২২ লাখ মিক্সিং সিরিঞ্জ দেশে পৌঁছেছে। এ ছাড়া যক্ষ্মা রোগ শনাক্তকরণে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৬ লাখ জিনএক্সপার্ট কার্টিজ এবং ১১ হাজার শিশুর জন্য যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ অনুদান হিসেবে পাওয়া গেছে।
এর বাইরে বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দপ্তরগুলো প্রস্তুতি শুরু করেছে বলে জানান তিনি।
হামের টিকা পেয়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু
দেশে চলমান হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচিতে ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু টিকা পেয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, টিকাদানের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ৮৯ শতাংশ অর্জিত হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
ডা. জাহেদ বলেন, এ পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী ১ কোটি ৬১ লাখ শিশু টিকা পেয়েছে, যা আগামী কয়েকদিনের মধ্যে শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, “হাম এবং এর উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। আক্রান্ত শিশুরা যখন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে পড়ে, তখন তাদের আইসিইউ সাপোর্ট দেওয়া কঠিন হয়ে যায়।”
সরকার এই সংকট মোকাবিলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছ জানিয়ে তিনি বলেন, শিশুদের এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচিকে আরও বেগবান করা হয়েছে।
ডা. জাহেদ জানান, টিকা কার্যক্রমে সহায়তার জন্য ইউনিসেফ ও গ্যাভির পক্ষ থেকে আরও ২২ লাখ মিক্সিং সিরিঞ্জ দেশে পৌঁছেছে।
এ ছাড়া যক্ষ্মা রোগ শনাক্তকরণে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৬ লাখ জিনএক্সপার্ট কার্টিজ এবং ১১ হাজার শিশুর জন্য যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ অনুদান হিসেবে পাওয়া গেছে।
এর বাইরে বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দপ্তরগুলো প্রস্তুতি শুরু করেছে বলে জানান তিনি।
বিষয়: