গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে এমএফসি
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএমআপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা জোরদারে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে মিডিয়া ফ্রিডম কোয়ালিশন (এমএফসি)।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, ডিজিটাল যুগে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলায় স্বাধীন গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশে মিডিয়া ফ্রিডম কোয়ালিশনের কূটনৈতিক নেটওয়ার্ক সংবাদপত্রের স্বাধীনতা শক্তিশালী করার বিষয়ে সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, ডিজিটাল যুগে অপপ্রচার ও ভুল তথ্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্বাধীন গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য।
সংস্থাটি মনে করে, স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য কার্যকর আইনি কাঠামো, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং অযাচিত প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
বাংলাদেশে (এমএফসি)র কূটনৈতিক নেটওয়ার্ক জানায়, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার, নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতা রক্ষায় তারা সরকার, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।
এই বিবৃতিতে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, যুক্তরাজ্যসহ ১৩টি দেশ স্বাক্ষর করেছে।
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে এমএফসি
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা জোরদারে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে মিডিয়া ফ্রিডম কোয়ালিশন (এমএফসি)।
বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, ডিজিটাল যুগে ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলায় স্বাধীন গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশে মিডিয়া ফ্রিডম কোয়ালিশনের কূটনৈতিক নেটওয়ার্ক সংবাদপত্রের স্বাধীনতা শক্তিশালী করার বিষয়ে সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, ডিজিটাল যুগে অপপ্রচার ও ভুল তথ্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্বাধীন গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য।
সংস্থাটি মনে করে, স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য কার্যকর আইনি কাঠামো, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং অযাচিত প্রভাবমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।
বাংলাদেশে (এমএফসি)র কূটনৈতিক নেটওয়ার্ক জানায়, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের অধিকার, নিরাপত্তা এবং স্বাধীনতা রক্ষায় তারা সরকার, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।
এই বিবৃতিতে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, যুক্তরাজ্যসহ ১৩টি দেশ স্বাক্ষর করেছে।