সস্ত্রীক বাংলাদেশ ছেড়েছেন জামিনে থাকা সেই আল-কায়েদা নেতা
আল কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা ইকরামুল জামিন নিয়ে বাইরে বের হওয়ার পর প্রায় ২৩ মাস ছিলেন পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে। ভারতে তিনি ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’। ভারত থেকে অবৈধ পথে বাংলাদেশে ঢুকে ময়মনিসংহ থেকে কার্যক্রম চালাতেন। পরে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন।
দীপু সারোয়ার
প্রকাশ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১০ পিএমআপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
মাওলানা ইকরামুল হক
আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ (একিউআইএস) শাখার দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা ময়মনসিংহের মাওলানা ইকরামুল হককে নিয়ে পুলিশের কাছে তেমন কোনো তথ্য নেই। এমনকি তিনি দেশে আছেন, কী নেই তাও জানেন না তারা।
তবে তার পরিবার নিশ্চিত করেছে গত ৩০এ অগাস্ট স্ত্রী ফারিয়া আফরিনকে সাথে নিয়ে সৌদি আরব চলে গেছেন ইকরামুল।
ইকরামুলকে নিয়ে গত ১৫ই অগাস্ট ‘জামিন নিয়ে বের হওয়া এক আল-কায়েদা নেতাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে গোয়েন্দারা’ শিরোনমে প্রতিবেদন প্রকাশ করে আলাপ।
তখন ইকরামুলের বাবা আলাপ-কে জানিয়েছিলেন, একমাস আগে ইকরামুলের সন্ধানে গ্রামে যায় গোয়েন্দারা। ইউপি মেম্বারসহ স্থানীয়দের সাথে কথা বলে তারা।
আলাপ-এর প্রতিবেদন প্রকাশের পর দেশ-বিদেশের একাধিক গণমাধ্যম তাকে নিয়ে খবর প্রকাশ করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নজরদারি বাড়ায়।
তবে নজরদারির ফাঁক গলে ইকরামুল স্ত্রীসহ দেশ ছেড়ে চলে যেতে পেরেছেন।
ইকরামুলের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের সদর উপজেলার বোরোরচর ইউনিয়নে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জের সানারপাড় এলাকায় ছিলেন তিনি।
মঙ্গলবার বিকেলে ইকরামুলের বাবা মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে ইয়াসমিন আক্তার নামে একজন ফোন ধরেন। পরিচয় জানতে চাইলে জানান, তিনি ইকরামুলের মা।
তিনি বলেন, “আমার স্বামী জয়নাল আবেদীন কাছে নেই। ছেলে ইকরামুল ও তার স্ত্রী সৌদি আরব চলে গেছেন। ৩০এ অগাস্ট দেশ ছাড়েন তারা।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান আলাপ-কে বলেন, “উনি ময়মনসিংহে থাকেন না। তবে নারায়ণগঞ্জে থাকেন বলে শুনেছি।”
ইকরামুল সৌদি আরবে চলে গেছেন কি-না জানতে চাইলে কামরুল বলেন, “খোঁজ নিয়ে জানতে হবে।”
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট জানায়, ভারতের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ ইকরামুলের নামে সেদেশের বিভিন্ন থানায় ১০টি মামলা রয়েছে।
প্রকৃত নামের আড়ালে এনক্রিপ্টেড অ্যাপে ‘আবু তালহা’, ‘মাওলানা সাবেত’, ‘নূর হোসেন’, ‘মনসুর’ ও ‘মিলন’ নামে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাতেন ইকরামুল।
২০২৩ সালের ৩০এ মে ঢাকার মাদারটেক থেকে গ্রেপ্তার হন ইকরামুল। গ্রেপ্তার করা হয় তার স্ত্রী ফারিয়া আফরিনকেও। বাংলাদেশের আনসার আল ইসলামের শীর্ষ নেতা ওসমান গণি ওরফে আবু ইমরান ও মুখপাত্র তামিম আল আদনানীর ঘনিষ্ঠ, এমন তথ্যের ভিত্তিতে ইকরামুলকে গ্রেপ্তার করা হয় সে সময়। ঢাকার সবুজবাগ থানায় দায়ের হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামি তিনি।
গ্রেপ্তারের পর ১৬ দিন জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে পাঠানো হয় গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে।
“মোট ৪৯৯ দিন কারাবন্দি ছিলেন ইকরামুল। তার হাজতি নম্বর ছিলো ৩৩৯/২৩। জামিন পাওয়ার পর ২০২৪ সালের ১০ই অক্টোবর গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ছাড়া পান তিনি,” নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কারা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা।
আল-কায়েদার পথে যাত্রা
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র জানাচ্ছে, ময়মনসিংহে জন্ম হলেও মাদরাসায় পড়াশোনার সূত্রে ঢাকার ধানমন্ডি ও গেন্ডারিয়ার ফরিদাবাদ এলাকায় বেড়ে উঠেছেন ইকরামুল।
জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলূম ফরিদাবাদ মাদরাসা থেকে ২০১৭ সালে দাওরা-ই-হাদিস পাস করেন ইকরামুল। পরের বছর ভারতে পাড়ি জমান। ভর্তি হন উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসায়।
সেখানেই তিনি একিউআইএসের নেটওয়ার্কে যুক্ত হন বলে সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
“ইকরামুল ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে অবৈধ পথে দেশে আসেন। ২০২৩ সালের মে মাসে গ্রেপ্তার হওয়ার আগ পর্যন্ত ময়মনসিংহ থেকে সাংগঠনিক কাজ পরিচালনা করছিলেন তিনি,” বলেন ওই কর্মকর্তা।
প্রযুক্তিতে দক্ষ, পাসপোর্টে মিথ্যা পরিচয়
সিটিটিসি’র একজন কর্মকর্তা বলেন, ২০০৭ সালে বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের (বেফাকুল মাদারিসিল অ্যারাবিয়া) অধীনে হিফজ পরীক্ষায় সারা দেশে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন।
বাংলার পাশাপাশি উর্দু, আরবি ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা আছে তার। তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ায় একিউআইএসের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই দাওয়াতি বা দাওয়াহ শাখার শীর্ষ নেতা হিসেবে তিনি মনোনীত হন বলে জানাচ্ছেন সিটিটিসির এক কর্মকর্তা।
তার এই দক্ষতা ব্যবহার করে একিউআইএসের সদস্যদের নিয়মিত অনলাইনে দাওয়াহ বিষয়ে ক্লাস তিনি নিতেন বলেও ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
সিটিটিসি’র আরেক কর্মকর্তা জানান, নূর হোসেন নামে মিথ্যা পরিচয়ে ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়েছিলেন ইকরামুল। যেখানে তার বাবার নাম সাবু মিয়া ও মা নাবিয়া বিবি। ঠিকানা পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের দিনহাটা।
ইকরামুলের স্ত্রী ফারিয়া আফরিনও নাম-পরিচয় বদলে মরিয়ম খাতুন নামে ভারতের আধার কার্ড তৈরি করেছিলেন বলে ওই কর্মকর্তা জানান।
ফলো আপ
সস্ত্রীক বাংলাদেশ ছেড়েছেন জামিনে থাকা সেই আল-কায়েদা নেতা
আল কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা ইকরামুল জামিন নিয়ে বাইরে বের হওয়ার পর প্রায় ২৩ মাস ছিলেন পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে। ভারতে তিনি ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’। ভারত থেকে অবৈধ পথে বাংলাদেশে ঢুকে ময়মনিসংহ থেকে কার্যক্রম চালাতেন। পরে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন।
আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ (একিউআইএস) শাখার দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা ময়মনসিংহের মাওলানা ইকরামুল হককে নিয়ে পুলিশের কাছে তেমন কোনো তথ্য নেই। এমনকি তিনি দেশে আছেন, কী নেই তাও জানেন না তারা।
তবে তার পরিবার নিশ্চিত করেছে গত ৩০এ অগাস্ট স্ত্রী ফারিয়া আফরিনকে সাথে নিয়ে সৌদি আরব চলে গেছেন ইকরামুল।
ইকরামুলকে নিয়ে গত ১৫ই অগাস্ট ‘জামিন নিয়ে বের হওয়া এক আল-কায়েদা নেতাকে হন্যে হয়ে খুঁজছে গোয়েন্দারা’ শিরোনমে প্রতিবেদন প্রকাশ করে আলাপ।
তখন ইকরামুলের বাবা আলাপ-কে জানিয়েছিলেন, একমাস আগে ইকরামুলের সন্ধানে গ্রামে যায় গোয়েন্দারা। ইউপি মেম্বারসহ স্থানীয়দের সাথে কথা বলে তারা।
আলাপ-এর প্রতিবেদন প্রকাশের পর দেশ-বিদেশের একাধিক গণমাধ্যম তাকে নিয়ে খবর প্রকাশ করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নজরদারি বাড়ায়।
তবে নজরদারির ফাঁক গলে ইকরামুল স্ত্রীসহ দেশ ছেড়ে চলে যেতে পেরেছেন।
ইকরামুলের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের সদর উপজেলার বোরোরচর ইউনিয়নে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জের সানারপাড় এলাকায় ছিলেন তিনি।
মঙ্গলবার বিকেলে ইকরামুলের বাবা মুহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে ইয়াসমিন আক্তার নামে একজন ফোন ধরেন। পরিচয় জানতে চাইলে জানান, তিনি ইকরামুলের মা।
তিনি বলেন, “আমার স্বামী জয়নাল আবেদীন কাছে নেই। ছেলে ইকরামুল ও তার স্ত্রী সৌদি আরব চলে গেছেন। ৩০এ অগাস্ট দেশ ছাড়েন তারা।”
কবে ফিরবেন ইকরামুল জানতে চাইলে ইয়াসমিন বলেন, “কবে ফিরবে জানি না।”
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ কামরুল হাসান আলাপ-কে বলেন, “উনি ময়মনসিংহে থাকেন না। তবে নারায়ণগঞ্জে থাকেন বলে শুনেছি।”
ইকরামুল সৌদি আরবে চলে গেছেন কি-না জানতে চাইলে কামরুল বলেন, “খোঁজ নিয়ে জানতে হবে।”
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট জানায়, ভারতের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ ইকরামুলের নামে সেদেশের বিভিন্ন থানায় ১০টি মামলা রয়েছে।
প্রকৃত নামের আড়ালে এনক্রিপ্টেড অ্যাপে ‘আবু তালহা’, ‘মাওলানা সাবেত’, ‘নূর হোসেন’, ‘মনসুর’ ও ‘মিলন’ নামে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাতেন ইকরামুল।
২০২৩ সালের ৩০এ মে ঢাকার মাদারটেক থেকে গ্রেপ্তার হন ইকরামুল। গ্রেপ্তার করা হয় তার স্ত্রী ফারিয়া আফরিনকেও। বাংলাদেশের আনসার আল ইসলামের শীর্ষ নেতা ওসমান গণি ওরফে আবু ইমরান ও মুখপাত্র তামিম আল আদনানীর ঘনিষ্ঠ, এমন তথ্যের ভিত্তিতে ইকরামুলকে গ্রেপ্তার করা হয় সে সময়। ঢাকার সবুজবাগ থানায় দায়ের হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী মামলার আসামি তিনি।
গ্রেপ্তারের পর ১৬ দিন জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে পাঠানো হয় গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে।
“মোট ৪৯৯ দিন কারাবন্দি ছিলেন ইকরামুল। তার হাজতি নম্বর ছিলো ৩৩৯/২৩। জামিন পাওয়ার পর ২০২৪ সালের ১০ই অক্টোবর গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ছাড়া পান তিনি,” নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কারা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা।
আল-কায়েদার পথে যাত্রা
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক সূত্র জানাচ্ছে, ময়মনসিংহে জন্ম হলেও মাদরাসায় পড়াশোনার সূত্রে ঢাকার ধানমন্ডি ও গেন্ডারিয়ার ফরিদাবাদ এলাকায় বেড়ে উঠেছেন ইকরামুল।
জামিয়া আরাবিয়া ইমদাদুল উলূম ফরিদাবাদ মাদরাসা থেকে ২০১৭ সালে দাওরা-ই-হাদিস পাস করেন ইকরামুল। পরের বছর ভারতে পাড়ি জমান। ভর্তি হন উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরের দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসায়।
সেখানেই তিনি একিউআইএসের নেটওয়ার্কে যুক্ত হন বলে সংশ্লিষ্ট এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
“ইকরামুল ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে অবৈধ পথে দেশে আসেন। ২০২৩ সালের মে মাসে গ্রেপ্তার হওয়ার আগ পর্যন্ত ময়মনসিংহ থেকে সাংগঠনিক কাজ পরিচালনা করছিলেন তিনি,” বলেন ওই কর্মকর্তা।
প্রযুক্তিতে দক্ষ, পাসপোর্টে মিথ্যা পরিচয়
সিটিটিসি’র একজন কর্মকর্তা বলেন, ২০০৭ সালে বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের (বেফাকুল মাদারিসিল অ্যারাবিয়া) অধীনে হিফজ পরীক্ষায় সারা দেশে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন।
বাংলার পাশাপাশি উর্দু, আরবি ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা আছে তার। তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ায় একিউআইএসের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই দাওয়াতি বা দাওয়াহ শাখার শীর্ষ নেতা হিসেবে তিনি মনোনীত হন বলে জানাচ্ছেন সিটিটিসির এক কর্মকর্তা।
তার এই দক্ষতা ব্যবহার করে একিউআইএসের সদস্যদের নিয়মিত অনলাইনে দাওয়াহ বিষয়ে ক্লাস তিনি নিতেন বলেও ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
সিটিটিসি’র আরেক কর্মকর্তা জানান, নূর হোসেন নামে মিথ্যা পরিচয়ে ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়েছিলেন ইকরামুল। যেখানে তার বাবার নাম সাবু মিয়া ও মা নাবিয়া বিবি। ঠিকানা পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারের দিনহাটা।
ইকরামুলের স্ত্রী ফারিয়া আফরিনও নাম-পরিচয় বদলে মরিয়ম খাতুন নামে ভারতের আধার কার্ড তৈরি করেছিলেন বলে ওই কর্মকর্তা জানান।