প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ এএমআপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০০ এএম
ইউরোপে নেটোর সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার গ্রিনকেউইচ
রাশিয়ার যেকোনো হামলা মোকাবিলায় নিজেদের সামরিক সক্ষমতা তুলে ধরে মস্কোকে সতর্কবার্তা দিতে যাচ্ছে নেটো।
সোমবার পোল্যান্ডের ওয়ারশতে এক নিরাপত্তা সম্মেলনে জোটটির শীর্ষ সামরিক কমান্ডার জেনারেল অ্যালেক্সাস গ্রিনকেউইচ এ বিষয়ে বক্তব্য দেবেন বলে ফ্রান্স ২৪-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ইউরোপে নেটোর সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার গ্রিনকেউইচ সম্ভাব্য সেই হামলার ‘বিজয় কৌশল’ বা ‘থিওরি অব ভিক্টরি’ ব্যাখ্যা করবেন। এর মাধ্যমে রাশিয়ার আগ্রাসন প্রতিরোধ এবং হামলার শিকার হলে তা মোকাবিলায় নেটোর প্রস্তুতি সম্পর্কেও বার্তা দেওয়া হবে।
উক্রেইনকে সমর্থন দেওয়া পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে রাশিয়ার কথিত নাশকতা ও হস্তক্ষেপমূলক তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার মধ্যেই এ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সামরিক জোটটি। সাম্প্রতিক সময়ে জার্মানির একটি বিমানবন্দরে বিস্ফোরকবাহী ড্রোন পাওয়ার মতো ঘটনায় সেই উদ্বেগ আরও জোরালো হয়েছে।
মার্কিন জেনারেলের মুখপাত্র কর্নেল মার্টিন ও'ডোনেল বলেন, নেটোর কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো জোটের সামরিক সুবিধা বজায় রাখা এবং প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষার পরিকল্পনা কার্যকর রাখা। বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে আগ্রাসন ঠেকাতে এখনই প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠিত হওয়া নেটো রাশিয়ার সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধের সামরিক পরিকল্পনা সাধারণত গোপন রাখে। ফলে গ্রিনকেউইচের বক্তব্যে নতুন কোনো সামরিক পরিকল্পনার বিস্তারিত প্রকাশের সম্ভাবনা কম। বরং রাশিয়াকে সতর্ক করার পাশাপাশি জোটের পূর্বাঞ্চলীয় সদস্যদের আশ্বস্ত করাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য বলে মনে করা হচ্ছে।
নেটো অবশ্য নিজেদের প্রতিরক্ষামূলক জোট হিসাবে বর্ণনা করার পাশাপাশি রাশিয়ায় হামলার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়ে আসছে। তবে পশ্চিমা কর্মকর্তাদের অভিযোগ, উক্রেইন যুদ্ধে রুশ বাহিনীর অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার প্রেক্ষাপটে মস্কোর কথিত ‘হাইব্রিড হামলা’ আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এসব তৎপরতা প্রাণহানির ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তারা।
এদিকে নেটোর বেসামরিক প্রধান মার্ক রুটে সদস্যদেশগুলোকে শান্ত থাকার পাশাপাশি উক্রেইনকে সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। রাশিয়ার বিষয়ে সরল বিশ্বাসী হওয়া উচিত নয়, তবে মস্কোও জানে নেটো সামরিকভাবে কতটা শক্তিশালী, উল্লেখ করেন মার্ক।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর সংশয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা জোরদারে উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপের দেশগুলো।
রাশিয়াকে সতর্ক করতে সামরিক সক্ষমতা তুলে ধরবে নেটো
রাশিয়ার যেকোনো হামলা মোকাবিলায় নিজেদের সামরিক সক্ষমতা তুলে ধরে মস্কোকে সতর্কবার্তা দিতে যাচ্ছে নেটো।
সোমবার পোল্যান্ডের ওয়ারশতে এক নিরাপত্তা সম্মেলনে জোটটির শীর্ষ সামরিক কমান্ডার জেনারেল অ্যালেক্সাস গ্রিনকেউইচ এ বিষয়ে বক্তব্য দেবেন বলে ফ্রান্স ২৪-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
ইউরোপে নেটোর সুপ্রিম অ্যালাইড কমান্ডার গ্রিনকেউইচ সম্ভাব্য সেই হামলার ‘বিজয় কৌশল’ বা ‘থিওরি অব ভিক্টরি’ ব্যাখ্যা করবেন। এর মাধ্যমে রাশিয়ার আগ্রাসন প্রতিরোধ এবং হামলার শিকার হলে তা মোকাবিলায় নেটোর প্রস্তুতি সম্পর্কেও বার্তা দেওয়া হবে।
উক্রেইনকে সমর্থন দেওয়া পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে রাশিয়ার কথিত নাশকতা ও হস্তক্ষেপমূলক তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ার মধ্যেই এ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সামরিক জোটটি। সাম্প্রতিক সময়ে জার্মানির একটি বিমানবন্দরে বিস্ফোরকবাহী ড্রোন পাওয়ার মতো ঘটনায় সেই উদ্বেগ আরও জোরালো হয়েছে।
মার্কিন জেনারেলের মুখপাত্র কর্নেল মার্টিন ও'ডোনেল বলেন, নেটোর কৌশলের মূল লক্ষ্য হলো জোটের সামরিক সুবিধা বজায় রাখা এবং প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষার পরিকল্পনা কার্যকর রাখা। বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে আগ্রাসন ঠেকাতে এখনই প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠিত হওয়া নেটো রাশিয়ার সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধের সামরিক পরিকল্পনা সাধারণত গোপন রাখে। ফলে গ্রিনকেউইচের বক্তব্যে নতুন কোনো সামরিক পরিকল্পনার বিস্তারিত প্রকাশের সম্ভাবনা কম। বরং রাশিয়াকে সতর্ক করার পাশাপাশি জোটের পূর্বাঞ্চলীয় সদস্যদের আশ্বস্ত করাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য বলে মনে করা হচ্ছে।
নেটো অবশ্য নিজেদের প্রতিরক্ষামূলক জোট হিসাবে বর্ণনা করার পাশাপাশি রাশিয়ায় হামলার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়ে আসছে। তবে পশ্চিমা কর্মকর্তাদের অভিযোগ, উক্রেইন যুদ্ধে রুশ বাহিনীর অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হওয়ার প্রেক্ষাপটে মস্কোর কথিত ‘হাইব্রিড হামলা’ আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এসব তৎপরতা প্রাণহানির ঝুঁকিও তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তারা।
এদিকে নেটোর বেসামরিক প্রধান মার্ক রুটে সদস্যদেশগুলোকে শান্ত থাকার পাশাপাশি উক্রেইনকে সমর্থন অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। রাশিয়ার বিষয়ে সরল বিশ্বাসী হওয়া উচিত নয়, তবে মস্কোও জানে নেটো সামরিকভাবে কতটা শক্তিশালী, উল্লেখ করেন মার্ক।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতির নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর সংশয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা জোরদারে উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপের দেশগুলো।
বিষয়: