বিজিবির ড্রোন ও থার্মাল ক্যামেরায় ধরা পড়া বাঘ উদ্ধারে তৎপরতা

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম

কামড়ে তিনজনকে আহত করার পর লুকিয়ে পরে বাঘটি। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিজিবি সদস্যরা। ফাঁকা গুলিও ছোড়া হয়। ড্রোন ও থার্মাল ক্যামেরা ব্যবহার করে বাঘটির অবস্থান শনাক্ত করে বিজিবি। এরপর উদ্ধার অভিযানে নামে বন বিভাগ। 

ঘটনাটি লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার গোতামারী ইউনিয়নের আমঝোল সীমান্তে। বাঘটি উদ্ধারে বন বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে বিজিবি।

রবিবার বিকেল ৫টার দিকে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন-এর অধীনে বনচৌকি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৯০৫/১১-এস-এর কাছাকাছি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা শরীফা বেগম হারিয়ে যাওয়া ছাগল খুঁজতে গিয়েছিলেন। হঠাৎ তাকে আক্রমণ করে বসে বাঘ। 

শরীফার চিৎকার শুনে তাকে উদ্ধারে এগিয়ে যান নজরুল ইসলাম ও আফছার আলী। তাদের ওপরও হামলা চালায় বাঘটি। আহত হন নজরুল ও আফছার। 

খবর পেয়ে বিজিবির একটি টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। 

সেখানে বলা হয়েছে, জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে বিজিবি। এতে বাঘটি ঘটনাস্থল ত্যাগ করে আশ্রয় নেয় পাশের জঙ্গলে।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

রাতে থার্মাল ক্যামেরা ও ড্রোন ব্যবহার করে সীমান্তবর্তী জঙ্গলে বাঘটির অবস্থান শনাক্ত করে বিজিবি। 

এরপর বাঘটিকে নিরাপদে উদ্ধার এবং লোকালয়ে প্রবেশের ঝুঁকি এড়াতে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জানানো হয় লালমনিরহাট বন বিভাগকে।

বন বিভাগের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাঘটিকে উদ্ধারের কার্যক্রম শুরু করেন।

স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। 

বাঘটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ, নিরাপদে উদ্ধার এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় বন বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রেখেছে বিজিবি।