প্রকাশ : ২৫ মার্চ ২০২৬, ০৫:১১ পিএমআপডেট : ২৬ মার্চ ২০২৬, ০১:২৩ পিএম
আলাপ রিপোর্ট
নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে তার নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)-কে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগ প্রদান করলেন। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান দেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।
তিনি বিএনপির মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ ছাড়েন তিনি। তার পদত্যাগের পর অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফকে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।
নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আসাদুজ্জামান। বিএনপির সরকারে তিনি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
কে এই রুহুল কুদ্দুস
রুহুল কুদ্দুস বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রুহুল কুদ্দুস ১৯৯৫ সালে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী হিসেবে আইন পেশা শুরু করেন। পরের বছরই ১৯৯৬ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। এরপর ২০০৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি।
২০২৩ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হন।
বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক কর্মকর্তা হিসেবেও কাজ করেছেন রুহুল কুদ্দুস। যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ২০০৩ থেকে ২০০৬ মেয়াদে কর্মরত ছিলেন তিন।
মো. রুহুল কুদ্দুস ১৯৮৬ সালে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর হাইস্কুল থেকে এসএসসি, ১৯৮৮ সালে যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে কৃতিত্বের এইচএসসি পাস করেন। এরপর ১৯৯৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স), ১৯৯৪ সালে এলএলএম করেন। ছাত্রজীবনে সাংবাদিকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।
পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য লন্ডনে পাড়ি জমান তিনি। ২০০৫ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন।
২০০৬ সালে লন্ডনের সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে বার ভোকেশনাল কোর্স সম্পন্ন করেন। সে বছরই তিনি যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার অ্যাট ল সনদ পান।
নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন রুহুল কুদ্দুস কাজল
নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে তার নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস (কাজল)-কে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগ প্রদান করলেন। এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান দেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন।
তিনি বিএনপির মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ ছাড়েন তিনি। তার পদত্যাগের পর অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফকে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।
নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আসাদুজ্জামান। বিএনপির সরকারে তিনি আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
কে এই রুহুল কুদ্দুস
রুহুল কুদ্দুস বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হয়ে বর্তমানে এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রুহুল কুদ্দুস ১৯৯৫ সালে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী হিসেবে আইন পেশা শুরু করেন। পরের বছরই ১৯৯৬ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। এরপর ২০০৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি।
২০২৩ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী হন।
বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক কর্মকর্তা হিসেবেও কাজ করেছেন রুহুল কুদ্দুস। যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ২০০৩ থেকে ২০০৬ মেয়াদে কর্মরত ছিলেন তিন।
মো. রুহুল কুদ্দুস ১৯৮৬ সালে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর হাইস্কুল থেকে এসএসসি, ১৯৮৮ সালে যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে কৃতিত্বের এইচএসসি পাস করেন। এরপর ১৯৯৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স), ১৯৯৪ সালে এলএলএম করেন। ছাত্রজীবনে সাংবাদিকতার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন তিনি।
পরবর্তীতে উচ্চশিক্ষার জন্য লন্ডনে পাড়ি জমান তিনি। ২০০৫ সালে তিনি যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন।
২০০৬ সালে লন্ডনের সিটি ইউনিভার্সিটি থেকে বার ভোকেশনাল কোর্স সম্পন্ন করেন। সে বছরই তিনি যুক্তরাজ্যের লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার অ্যাট ল সনদ পান।
বিষয়: