প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএমআপডেট : ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম
এ ঘটনায় অন্তত ১৯ জন নিহত এবং ১৩৪ জন আহত হয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত।
ভোরে হঠাৎ কেঁপে ওঠে ফিলিপাইন। এক মুহূর্তে মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে দক্ষিণ ফিলিপাইনের উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে। শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে ঘরবাড়ি, সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ঘটনায় অন্তত ১৯ জন নিহত এবং ১৩৪ জন আহত হয়েছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ নিহতের এই তথ্য নিশ্চিত করলেও চূড়ান্ত সংখ্যা এখনো সরকারি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এছাড়া অন্তত সাতজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সময় সকালে দক্ষিণ ফিলিপাইনের উপকূলের কাছে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর পরপরই বিভিন্ন এলাকায় মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা স্থানে আশ্রয় নেয়। জরুরি উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।
ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে অনবরত আফটারশকে । স্থানীয় সময় সকাল ১১টা পর্যন্ত ১৩৮টি আফটারশক বা পরাঘাত রেকর্ড করা হয়েছে। যার মাত্রা ছিল ১ দশমিক ৩ থেকে ৬ দশমিক ৭-এর মধ্যে।
ফিলিপাইনের আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্প গবেষণা প্রতিষ্ঠান (ফিভলকস) জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলটি কোটাবাটো ট্রেঞ্চের মুখোমুখি অবস্থান করছে, যা দেশটির অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্প উৎপাদক ভূতাত্ত্বিক কাঠামো। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, এই ট্রেঞ্চ ছোট থেকে বড় ধরনের ভূমিকম্প সৃষ্টি করতে সক্ষম।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কোটাবাটো ট্রেঞ্চ এলাকায় সংঘটিত ‘সাবডাকশন’ প্রক্রিয়ার কারণেই এ ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে। সাবডাকশন হলো এমন একটি ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া, যেখানে একটি টেকটোনিক প্লেট অন্য একটি প্লেটের নিচে সরে যায় এবং বিপুল শক্তি সঞ্চিত হয়ে ভূমিকম্পের সৃষ্টি করে।
কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, পরাঘাত অব্যাহত থাকলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। এ অবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ ফিলিপাইন প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। এর ফলে দেশটিতে প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে।
ফিলিপাইনে সৃষ্ট ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৯
ভোরে হঠাৎ কেঁপে ওঠে ফিলিপাইন। এক মুহূর্তে মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে দক্ষিণ ফিলিপাইনের উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে। শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে ঘরবাড়ি, সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এ ঘটনায় অন্তত ১৯ জন নিহত এবং ১৩৪ জন আহত হয়েছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ নিহতের এই তথ্য নিশ্চিত করলেও চূড়ান্ত সংখ্যা এখনো সরকারি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এছাড়া অন্তত সাতজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় সময় সকালে দক্ষিণ ফিলিপাইনের উপকূলের কাছে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর পরপরই বিভিন্ন এলাকায় মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা স্থানে আশ্রয় নেয়। জরুরি উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।
ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে অনবরত আফটারশকে । স্থানীয় সময় সকাল ১১টা পর্যন্ত ১৩৮টি আফটারশক বা পরাঘাত রেকর্ড করা হয়েছে। যার মাত্রা ছিল ১ দশমিক ৩ থেকে ৬ দশমিক ৭-এর মধ্যে।
ফিলিপাইনের আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্প গবেষণা প্রতিষ্ঠান (ফিভলকস) জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলটি কোটাবাটো ট্রেঞ্চের মুখোমুখি অবস্থান করছে, যা দেশটির অন্যতম সক্রিয় ভূমিকম্প উৎপাদক ভূতাত্ত্বিক কাঠামো। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, এই ট্রেঞ্চ ছোট থেকে বড় ধরনের ভূমিকম্প সৃষ্টি করতে সক্ষম।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কোটাবাটো ট্রেঞ্চ এলাকায় সংঘটিত ‘সাবডাকশন’ প্রক্রিয়ার কারণেই এ ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে। সাবডাকশন হলো এমন একটি ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়া, যেখানে একটি টেকটোনিক প্লেট অন্য একটি প্লেটের নিচে সরে যায় এবং বিপুল শক্তি সঞ্চিত হয়ে ভূমিকম্পের সৃষ্টি করে।
কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, পরাঘাত অব্যাহত থাকলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। এ অবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ ফিলিপাইন প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’ অঞ্চলে অবস্থিত। এর ফলে দেশটিতে প্রায়ই শক্তিশালী ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে।
বিষয়: