বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে ভারত থেকে ফিরলো ২০ শিশু
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএমআপডেট : ১৩ মে ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম
ভারতে পাচার হওয়া ২০ জন বাংলাদেশি শিশু বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছে।
বুধবার সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট (আইসিপি) দিয়ে তাদের বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ফেরত আসা শিশুদের মধ্যে ১৩জন মেয়ে ও ৭জন ছেলে রয়েছে। এই শিশুরা বাগেরহাট, খুলনা, নড়াইল ও যশোর জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্তের অবৈধপথে বাবা-মার সাথে ভারতের পশ্চিবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় যায়। সেখানে তাদের মা-বাবারা বাসা বাড়িতে এবং মাঠে কাজ করতেন।
তারা ২০২৪ সালের প্রথম দিকে দালালের মাধ্যমে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পথে মা-বাবার সাথে ভারতে যান। পরে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে দিলে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন কারাগারে পাঠায়। সাজা শেষে ভারতের একটি বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থার আবেদনে তাদের পশ্চিমবঙ্গের কিশোলয়া, সুরকন্যা সহ ৭টি শেল্টার হোমে রাখা হয়।
ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, ভারতের কলকাতা উপ হাইকমিশন থেকে ইস্যুকৃত বিশেষ ট্রাভেল পারমিট এবং ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) এক্সিট পারমিটের মাধ্যমে তাদের ফেরত পাঠানো হয়।
উভয় দেশের বিজিবি, বিএসএফ, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ হস্তান্তার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ মোর্তজা আলী বলেন, দেশে ফেরত আসা শিশুদের ট্রাভেল পারমিটসহ যাবতীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থার জন্য তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে যশোরের ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ মহিলা আইনজীবী সমিতি ও যশোর রাইটস নামের ৩টি মানবাধিকার সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে।
বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ শেষে ভারত থেকে ফিরলো ২০ শিশু
ভারতে পাচার হওয়া ২০ জন বাংলাদেশি শিশু বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছে।
বুধবার সন্ধ্যায় ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট (আইসিপি) দিয়ে তাদের বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ফেরত আসা শিশুদের মধ্যে ১৩জন মেয়ে ও ৭জন ছেলে রয়েছে। এই শিশুরা বাগেরহাট, খুলনা, নড়াইল ও যশোর জেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট ছাড়াই সীমান্তের অবৈধপথে বাবা-মার সাথে ভারতের পশ্চিবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় যায়। সেখানে তাদের মা-বাবারা বাসা বাড়িতে এবং মাঠে কাজ করতেন।
তারা ২০২৪ সালের প্রথম দিকে দালালের মাধ্যমে যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পথে মা-বাবার সাথে ভারতে যান। পরে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে দিলে আদালত তাদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন কারাগারে পাঠায়। সাজা শেষে ভারতের একটি বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থার আবেদনে তাদের পশ্চিমবঙ্গের কিশোলয়া, সুরকন্যা সহ ৭টি শেল্টার হোমে রাখা হয়।
ভারতের ব্যুরো অব ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, ভারতের কলকাতা উপ হাইকমিশন থেকে ইস্যুকৃত বিশেষ ট্রাভেল পারমিট এবং ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিস (এফআরআরও) এক্সিট পারমিটের মাধ্যমে তাদের ফেরত পাঠানো হয়।
উভয় দেশের বিজিবি, বিএসএফ, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এ হস্তান্তার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ মোর্তজা আলী বলেন, দেশে ফেরত আসা শিশুদের ট্রাভেল পারমিটসহ যাবতীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থার জন্য তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে যশোরের ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ মহিলা আইনজীবী সমিতি ও যশোর রাইটস নামের ৩টি মানবাধিকার সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছে।