ইরান যুদ্ধে কালির সংকটে জাপান, চিপসের প্যাকেট হয়ে যাচ্ছে সাদাকালো
আলাপ ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ মে ২০২৬, ০৩:১৭ পিএমআপডেট : ১৩ মে ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের কারণে কালি তৈরির উপাদানের সংকট দেখা দিয়েছে। যার কারণে জাপানের একটি বড় স্ন্যাকস প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান তাদের কিছু পণ্যের রঙিন প্যাকেট বাদ দিয়ে সাদাকালো প্যাকেজিং ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছে।
মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা দ্য গার্ডিয়ান এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ক্যালবি নামক জাপানি একটি চিপস কোম্পানির কয়েকটি পণ্যের প্যাকেটে এ পরিবর্তন আনা হবে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, মে মাসের শেষ নাগাদ তারা তাদের ১৪টি পণ্য একরঙা অর্থাৎ সাদাকালো ব্র্যান্ডিংয়ে চলে যাবে।
কারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে যে যুদ্ধের কারণে কিছু কাঁচামালের সরবরাহ কমে যাওয়ায় তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
ন্যাফথা হলো পেট্রোলিয়ামজাত একটি উপাদান, যা মুদ্রণের কালি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এই ন্যাফথারের প্রায় ৪০ শতাংশই জাপান মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে।
ইরান যুদ্ধের কারণে ন্যাফথার সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় ক্যালবিকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
তবে প্যাকেটের রঙ পরিবর্তন হলেও পণ্যের মানে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বাস দিয়েছে কোম্পানিটি।
১৯৪৯ সালে হিরোশিমায় প্রতিষ্ঠিত হয় ক্যালবি। পরে প্রতিষ্ঠানটি এশিয়া, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে পণ্য বিক্রি করে বৈশ্বিক স্ন্যাকস জায়ান্টে পরিণত হয়।
ইরান যুদ্ধে কালির সংকটে জাপান, চিপসের প্যাকেট হয়ে যাচ্ছে সাদাকালো
হরমুজ প্রণালিতে অবরোধের কারণে কালি তৈরির উপাদানের সংকট দেখা দিয়েছে। যার কারণে জাপানের একটি বড় স্ন্যাকস প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান তাদের কিছু পণ্যের রঙিন প্যাকেট বাদ দিয়ে সাদাকালো প্যাকেজিং ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছে।
মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা দ্য গার্ডিয়ান এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ক্যালবি নামক জাপানি একটি চিপস কোম্পানির কয়েকটি পণ্যের প্যাকেটে এ পরিবর্তন আনা হবে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, মে মাসের শেষ নাগাদ তারা তাদের ১৪টি পণ্য একরঙা অর্থাৎ সাদাকালো ব্র্যান্ডিংয়ে চলে যাবে।
কারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে যে যুদ্ধের কারণে কিছু কাঁচামালের সরবরাহ কমে যাওয়ায় তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
ন্যাফথা হলো পেট্রোলিয়ামজাত একটি উপাদান, যা মুদ্রণের কালি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এই ন্যাফথারের প্রায় ৪০ শতাংশই জাপান মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে।
ইরান যুদ্ধের কারণে ন্যাফথার সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় ক্যালবিকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
তবে প্যাকেটের রঙ পরিবর্তন হলেও পণ্যের মানে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বাস দিয়েছে কোম্পানিটি।
১৯৪৯ সালে হিরোশিমায় প্রতিষ্ঠিত হয় ক্যালবি। পরে প্রতিষ্ঠানটি এশিয়া, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে পণ্য বিক্রি করে বৈশ্বিক স্ন্যাকস জায়ান্টে পরিণত হয়।