কিশোর গ্যাং ও ছিনতাই প্রতিরোধে আরও ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা বসাবে ডিএমপি
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ০৮ মে ২০২৬, ০২:০৫ পিএমআপডেট : ০৮ মে ২০২৬, ০২:০৫ পিএম
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাস, ছিনতাই ও মাদক প্রতিরোধে রাজধানীতে নজরদারি আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে মহানগরজুড়ে অতিরিক্ত ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। শুক্রবার বাসসের বরাতে এ তথ্য জানা যায়।
ডিএমপি জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড, পুলিশি টহল, চেকপোস্ট ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।
ডিএমপি’র ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার বাসসকে জানান, রাজধানীতে নতুন করে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। যার মধ্যে মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাং ও ছিনতাই দমনে ৭০০ ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
তিনি বলেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মহানগরের নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে।
তিনি আরও জানান, মোহাম্মদপুরে একটি নতুন পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হবে। বর্তমানে বসিলায় একটি ফাঁড়ি চালু রয়েছে এবং সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজধানীর ৫০টি থানায় অতিরিক্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন জানান, বর্তমানে রাজধানীতে প্রায় ১ হাজার ৯১০টি সিসি ক্যামেরা সচল রয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে অপরাধ দমন ও যানজট নিয়ন্ত্রণে সহায়তা পাওয়া যাবে।
এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, ডিএমপি ও সরকারি ব্যবস্থাপনায় বর্তমানে প্রায় ৭১০টি সিসি ক্যামেরা রয়েছে। এছাড়া গুলশান-বনানীসহ বিভিন্ন এলাকার বাড়ির মালিকদের সংগঠন ও স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় আরও প্রায় ১ হাজার ২০০ ক্যামেরা স্থায়ীভাবে চালু আছে। এসব ক্যামেরার কারণে ওইসব এলাকায় অপরাধ কমেছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, ডিএমপি ও সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক কমিটির মাধ্যমে আরও শতাধিক ক্যামেরা পরিচালিত হচ্ছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, নতুন প্রকল্পের আওতায় আরও আধুনিক প্রযুক্তির ক্যামেরা যুক্ত করা হবে। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখা হচ্ছে।
কিশোর গ্যাং ও ছিনতাই প্রতিরোধে আরও ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা বসাবে ডিএমপি
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাস, ছিনতাই ও মাদক প্রতিরোধে রাজধানীতে নজরদারি আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে মহানগরজুড়ে অতিরিক্ত ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। শুক্রবার বাসসের বরাতে এ তথ্য জানা যায়।
ডিএমপি জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে ব্লক রেইড, পুলিশি টহল, চেকপোস্ট ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।
ডিএমপি’র ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার বাসসকে জানান, রাজধানীতে নতুন করে ১১ হাজার সিসি ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। যার মধ্যে মোহাম্মদপুর এলাকায় কিশোর গ্যাং ও ছিনতাই দমনে ৭০০ ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
তিনি বলেন, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মহানগরের নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে।
তিনি আরও জানান, মোহাম্মদপুরে একটি নতুন পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন করা হবে। বর্তমানে বসিলায় একটি ফাঁড়ি চালু রয়েছে এবং সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজধানীর ৫০টি থানায় অতিরিক্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
ডিএমপি’র মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার এন এম নাসিরুদ্দিন জানান, বর্তমানে রাজধানীতে প্রায় ১ হাজার ৯১০টি সিসি ক্যামেরা সচল রয়েছে। এগুলোর মাধ্যমে অপরাধ দমন ও যানজট নিয়ন্ত্রণে সহায়তা পাওয়া যাবে।
এন এম নাসিরুদ্দিন বলেন, ডিএমপি ও সরকারি ব্যবস্থাপনায় বর্তমানে প্রায় ৭১০টি সিসি ক্যামেরা রয়েছে। এছাড়া গুলশান-বনানীসহ বিভিন্ন এলাকার বাড়ির মালিকদের সংগঠন ও স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় আরও প্রায় ১ হাজার ২০০ ক্যামেরা স্থায়ীভাবে চালু আছে। এসব ক্যামেরার কারণে ওইসব এলাকায় অপরাধ কমেছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, ডিএমপি ও সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং বিভিন্ন এলাকাভিত্তিক কমিটির মাধ্যমে আরও শতাধিক ক্যামেরা পরিচালিত হচ্ছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, নতুন প্রকল্পের আওতায় আরও আধুনিক প্রযুক্তির ক্যামেরা যুক্ত করা হবে। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক নজরদারি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখা হচ্ছে।