প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৯ এএমআপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
যুদ্ধ শেষে করতে ইরানের প্রস্তাব মানতে ইউএস প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প আগ্রহী নন। সোমবার শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন দুইজন ব্যক্তির বরাতে এই খবর দিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলো পরে আলোচনার জন্য রেখে দেওয়ার শর্তে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ইরান।
মার্কিন কর্মকর্তাদের শঙ্কা, ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও প্রায় অস্ত্র উপযোগী মজুত নিয়ে কোন সমাধান ছাড়া হরমুজ প্রণালি খুলে দিলে, আলোচনার জন্য অন্যতম বড় হাতিয়ার হারাতে ওয়াশিংটন।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রেও গ্যাসের দাম বেড়েছে। তাই হরমুজ চালু করা অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সোমবারের বৈঠকের পর ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ এখনো স্পষ্ট নয় বলে প্রতিবেদনে জানায় সিএনএন। মার্কিন কর্মকর্তারা ইরানের ক্ষমতা কাঠামোর অভ্যন্তরীণ বিভাজন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সম্ভাব্য কোনো চুক্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কার হাতে থাকবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা আছে।
সিএনএনকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজের সহকারী প্রেস সচিব অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, “এগুলো সংবেদনশীল কূটনৈতিক আলোচনা। প্রেসিডেন্ট যেমন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন চুক্তিই করবে যা মার্কিন জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে এবং ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেবে না।”
ইরানের নতুন প্রস্তাবে অনাগ্রহী ট্রাম্প
যুদ্ধ শেষে করতে ইরানের প্রস্তাব মানতে ইউএস প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প আগ্রহী নন। সোমবার শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন। বিষয়টি সম্পর্কে জানেন এমন দুইজন ব্যক্তির বরাতে এই খবর দিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলো পরে আলোচনার জন্য রেখে দেওয়ার শর্তে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ইরান।
মার্কিন কর্মকর্তাদের শঙ্কা, ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ও প্রায় অস্ত্র উপযোগী মজুত নিয়ে কোন সমাধান ছাড়া হরমুজ প্রণালি খুলে দিলে, আলোচনার জন্য অন্যতম বড় হাতিয়ার হারাতে ওয়াশিংটন।
হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রেও গ্যাসের দাম বেড়েছে। তাই হরমুজ চালু করা অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সোমবারের বৈঠকের পর ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ এখনো স্পষ্ট নয় বলে প্রতিবেদনে জানায় সিএনএন। মার্কিন কর্মকর্তারা ইরানের ক্ষমতা কাঠামোর অভ্যন্তরীণ বিভাজন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সম্ভাব্য কোনো চুক্তির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কার হাতে থাকবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা আছে।
সিএনএনকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজের সহকারী প্রেস সচিব অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, “এগুলো সংবেদনশীল কূটনৈতিক আলোচনা। প্রেসিডেন্ট যেমন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন চুক্তিই করবে যা মার্কিন জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে এবং ইরানকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেবে না।”