বিলিয়নেয়ারদের নিয়ে ফোর্বসের নতুন তালিকা। ইলন মাস্কের সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৩৯ বিলিয়ন ডলারে। বিশ্বে এক বছরে বিলিনেয়ারের সংখ্যা বেড়েছে ৩৯০ জন। একমাত্র বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিলিয়নেয়ার আজিজ খানের সম্পদ কমেছে গত এক বছরে।
মেরাজ মেভিজ
প্রকাশ : ১৬ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৬ পিএমআপডেট : ১৭ মার্চ ২০২৬, ০২:২৪ পিএম
ইলন মাস্কের প্রতিদ্বন্দ্বীরা এখন যেন আলোকবর্ষ পিছিয়ে।
ধারণা করতে পারেন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি শেষে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির সম্পদের পরিমাণ কত? আর কত দ্রুত বাড়ছে তার সম্পদ?
গত এক বছরে তার সম্পদ ছুটেছে তার কোম্পানিতে তৈরি হতে থাকা পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুত গতির রকেট স্টারশিপের স্পিডেই। আর তাতে তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা এখন যেন আলোকবর্ষ পিছিয়ে।
এ গতিতে ছুটতে থাকলে, জুন শেষে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী যখন আসছে অর্থবর্ষের হিসাব দেবেন ততক্ষণে হয়তো বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার ক্লাবের ফিতা কেটে ফেলবেন টেক মুঘল ইলন মাস্ক।
গত এক বছরে তার সম্পদ বেড়েছে আড়াই গুণ। আরকটু সঠিক করে বললে ১৪৫ দশমিক ৩২ শতাংশ।
মার্কিন ব্যবসায়িক সাময়িকী ফোর্বস এর সবশেষ বিলিয়নেয়ার তালিকা বলছে, মার্চের ১ তারিখ ইলন মাস্কের সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৩৯ বিলিয়ন ডলারে। এক বছর আগে যা ছিল ৩৪২ বিলিয়ন ডলার।
৩৬৫ দিনের প্রতিদিন তার সম্পদ বেড়েছে ১ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন বা ১৩৬ কোটি ডলার। বাংলাদেশি টাকায় প্রতিদিন সাড়ে ১৬ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্জন করেছেন স্পেসএক্স ও টেসলার সিইও।
অর্থাৎ বাংলাদেশের পুরো এক অর্থ বছরের বাজেটের সমান সম্পদ তিনি জড়ো করেছেন মাত্র ৪৮ দিনেরও কম সময়ে।
পেছনে যারা কতটা পিছিয়ে তারা?
বিশ্বের ৩ হাজার ৪২৮ জন নিয়ে এবারের বিলিয়নেয়ার ক্লাবে সাজিয়েছে ফোর্বস। যেখানে ইলন মাস্কের ঠিক পেছনেই রয়েছেন গুগলের দুই প্রতিষ্ঠাতা।
দ্বিতীয় স্থানে আছেন গুগলের মূল কোম্পানি অ্যালফাবেটের সাবেক প্রধান নির্বাহী ল্যারি পেজ। আর তৃতীয় স্থানে রয়েছেন অ্যালফাবেটের সাবেক প্রেসিডেন্ট সের্গেই ব্রিন।
ল্যারির সম্পদ ২৫৭ বিলিয়ন আর সের্গেইয়ের ২৩৭ বিলিয়ন ডলার।
ফোর্বসের তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এর সম্পদ ২২৪ বিলিয়ন ডলারের।
এই তিন বিলিয়নেয়ার এতটাই পেছনে যে তাদের তিন জনের মোট সম্পদমূল্য একত্র করলেও সেটা ইলনের মোট সম্পদের চেয়ে ১২১ বিলিয়ন ডলার কম।
তবে তালিকার পাঁচে থাকা মার্ক জাকারবার্গের সম্পদ ২২২ বিলিয়ন ডলার, যা যোগ করা গেলে মাস্ককে পেছনে ফেলা সম্ভব হবে।
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি ডনাল্ড ট্রাম্প স্থান পেয়েছেন ৬৪৫ নাম্বারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এই রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীর মোট সম্পদ ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার।
তালিকায় এবারও নেই কোনো বাংলাদেশি নাগরিক। তবে স্থান পেয়েছেন মুহাম্মদ আজিজ খান, তিনি বাংলাদেশি হলেও সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব গ্রহন করেছেন এবং পরিবারসমেত সেখানেই বসবাস করেন। অবশ্য বাংলাদেশে তার ব্যবসা বাণিজ্য আছে। তিনি যে ব্যবসায়ী গ্রুপের চেয়ারম্যান সেই সামিটের নানারকম ব্যবসা বাংলাদেশে রয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া আমেরিকান নাগরিক ইলন মাস্ককের সম্পদ যখন বাড়ছে হু হু করে তখন শেষ এক বছরে অজিজ খানের সম্পদ কমেছে।
শেষ এক বছরে সম্পদ ১ দশমিক ১ বিলিয়ন থেকে কমে ফেব্রুয়ারি শেষে দাঁড়িয়েছে ১ বিলিয়ন ডলারে। আর তাতে সামিট গ্রুপ চেয়ারম্যানের ঠাঁই হয়েছে তালিকার ৩ হাজার ৩৩২ নাম্বারে।
নতুন বিলিয়নেয়ারদের উত্থান
পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের নিয়ে করা বার্ষিক তালিকা অনুযায়ী গত এক বছরে বিশ্বে ৩৯০ জন নতুন বিলিয়নেয়ার যুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ফোর্বস।
অর্থাৎ গড়ে প্রতিদিন একজনেরও বেশি নতুন ধনকুবের তৈরি হয়েছে।
নতুন বিলিয়নেয়ার যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে এটি ইতিহাসের দ্বিতীয় সেরা বছর। এর আগে ২০২১ সালে মহামারি-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সময় ৪৯৩ জন প্রথমবারের মতো বিলিয়ন ডলার সম্পদের ক্লাবে নাম লিখিয়েছিলেন।
নতুন বিলিয়নেয়ার তৈরির ক্ষেত্রে বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ দেশ থেকে এবার ১০৬ জন নতুন বিলিয়নেয়ার যুক্ত হয়েছেন।
তাদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী নবাগত হলেন এডউইন শেন। যিনি রয়েছেন মূল তালিকার ১৫৮ নাম্বারে।
মাত্র ৩৮ বছর বয়সি সার্জ এআই এর এই সিইওর মোট সম্পদ ১৮ বিলিয়ন ডলার।
নতুনদের মধ্যে ১৬ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে পিটার ম্যালুক রয়েছেন সম্মিলিত তালিকার ১৭৮ নাম্বারে।
নতুনদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি গায়িকা ও গীতিকার বিয়ন্সে নোলস।
ঠিক ১ বিলিয়ন ডলার নিয়ে তার অবস্থান তালিকার ৩,৩৩২ নাম্বারে।
তালিকায় নতুনভাবে জায়গা পাওয়া আরেক পরিচিত নাম টেনিস কিংবদন্তি টেনিস তারকা রজার ফেদেরার। প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নিয়ে তিনি প্রথমবার তালিকায় প্রবেশ করেছেন।
আরেক সেলিব্রেটি নবাগত হলেন টাইটানিক, অ্যাভাটারের নির্মাতা জেমস ক্যামেরুন। তার সম্পদ ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার।
সেলিব্রেটিদের মধ্যে প্রথম স্থানে আছেন দীর্ঘদিনের বিলিয়নেয়ার তালিকাভুক্ত পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গ। যার সম্পদ মূল্য ৭ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন 'স্টার ওয়ার্স' নির্মাতা জর্জ লুকাস। আর তৃতীয় বাস্কেটবল কিংবদন্তি মাইকেল জর্ডান।
এছাড়াও এই তালিকায় রয়েছেন, ওপরা উইনফ্রে, জে-জেড, টেইলর সুইফট, কিম কারদাশিয়ান, রিয়ানা, শাহরুখ খানের মতো তারকারা।
একসময় যে তালিকায় আধিপত্য ছিল শিল্পপতি ও ব্যাংকারদের এখন সে তালিকা আর সেই পুরোনো শিল্প সাম্রাজ্যের হাতে সীমাবদ্ধ নেই।
বিলিয়নেয়ারদের ক্লাবে এখন জয় জয়কার প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, বিনোদন জগতের তারকা, ক্রীড়া সুপারস্টার থেকে শুরু করে তরুণ স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতাসহ বিভিন্ন খাতের কাছে।
ট্রিলিয়নেয়ার হতে ইলন মাস্কের আর কতদিন লাগবে?
বিলিয়নেয়ারদের নিয়ে ফোর্বসের নতুন তালিকা। ইলন মাস্কের সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৩৯ বিলিয়ন ডলারে। বিশ্বে এক বছরে বিলিনেয়ারের সংখ্যা বেড়েছে ৩৯০ জন। একমাত্র বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিলিয়নেয়ার আজিজ খানের সম্পদ কমেছে গত এক বছরে।
ধারণা করতে পারেন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি শেষে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তির সম্পদের পরিমাণ কত? আর কত দ্রুত বাড়ছে তার সম্পদ?
গত এক বছরে তার সম্পদ ছুটেছে তার কোম্পানিতে তৈরি হতে থাকা পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুত গতির রকেট স্টারশিপের স্পিডেই। আর তাতে তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা এখন যেন আলোকবর্ষ পিছিয়ে।
এ গতিতে ছুটতে থাকলে, জুন শেষে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী যখন আসছে অর্থবর্ষের হিসাব দেবেন ততক্ষণে হয়তো বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার ক্লাবের ফিতা কেটে ফেলবেন টেক মুঘল ইলন মাস্ক।
গত এক বছরে তার সম্পদ বেড়েছে আড়াই গুণ। আরকটু সঠিক করে বললে ১৪৫ দশমিক ৩২ শতাংশ।
মার্কিন ব্যবসায়িক সাময়িকী ফোর্বস এর সবশেষ বিলিয়নেয়ার তালিকা বলছে, মার্চের ১ তারিখ ইলন মাস্কের সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৩৯ বিলিয়ন ডলারে। এক বছর আগে যা ছিল ৩৪২ বিলিয়ন ডলার।
৩৬৫ দিনের প্রতিদিন তার সম্পদ বেড়েছে ১ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন বা ১৩৬ কোটি ডলার। বাংলাদেশি টাকায় প্রতিদিন সাড়ে ১৬ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্জন করেছেন স্পেসএক্স ও টেসলার সিইও।
অর্থাৎ বাংলাদেশের পুরো এক অর্থ বছরের বাজেটের সমান সম্পদ তিনি জড়ো করেছেন মাত্র ৪৮ দিনেরও কম সময়ে।
পেছনে যারা কতটা পিছিয়ে তারা?
বিশ্বের ৩ হাজার ৪২৮ জন নিয়ে এবারের বিলিয়নেয়ার ক্লাবে সাজিয়েছে ফোর্বস। যেখানে ইলন মাস্কের ঠিক পেছনেই রয়েছেন গুগলের দুই প্রতিষ্ঠাতা।
দ্বিতীয় স্থানে আছেন গুগলের মূল কোম্পানি অ্যালফাবেটের সাবেক প্রধান নির্বাহী ল্যারি পেজ। আর তৃতীয় স্থানে রয়েছেন অ্যালফাবেটের সাবেক প্রেসিডেন্ট সের্গেই ব্রিন।
ল্যারির সম্পদ ২৫৭ বিলিয়ন আর সের্গেইয়ের ২৩৭ বিলিয়ন ডলার।
ফোর্বসের তালিকায় তৃতীয় স্থানে থাকা ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এর সম্পদ ২২৪ বিলিয়ন ডলারের।
এই তিন বিলিয়নেয়ার এতটাই পেছনে যে তাদের তিন জনের মোট সম্পদমূল্য একত্র করলেও সেটা ইলনের মোট সম্পদের চেয়ে ১২১ বিলিয়ন ডলার কম।
তবে তালিকার পাঁচে থাকা মার্ক জাকারবার্গের সম্পদ ২২২ বিলিয়ন ডলার, যা যোগ করা গেলে মাস্ককে পেছনে ফেলা সম্ভব হবে।
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি ডনাল্ড ট্রাম্প স্থান পেয়েছেন ৬৪৫ নাম্বারে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এই রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীর মোট সম্পদ ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার।
তালিকায় এবারও নেই কোনো বাংলাদেশি নাগরিক। তবে স্থান পেয়েছেন মুহাম্মদ আজিজ খান, তিনি বাংলাদেশি হলেও সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব গ্রহন করেছেন এবং পরিবারসমেত সেখানেই বসবাস করেন। অবশ্য বাংলাদেশে তার ব্যবসা বাণিজ্য আছে। তিনি যে ব্যবসায়ী গ্রুপের চেয়ারম্যান সেই সামিটের নানারকম ব্যবসা বাংলাদেশে রয়েছে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্ম নেওয়া আমেরিকান নাগরিক ইলন মাস্ককের সম্পদ যখন বাড়ছে হু হু করে তখন শেষ এক বছরে অজিজ খানের সম্পদ কমেছে।
শেষ এক বছরে সম্পদ ১ দশমিক ১ বিলিয়ন থেকে কমে ফেব্রুয়ারি শেষে দাঁড়িয়েছে ১ বিলিয়ন ডলারে। আর তাতে সামিট গ্রুপ চেয়ারম্যানের ঠাঁই হয়েছে তালিকার ৩ হাজার ৩৩২ নাম্বারে।
নতুন বিলিয়নেয়ারদের উত্থান
পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিদের নিয়ে করা বার্ষিক তালিকা অনুযায়ী গত এক বছরে বিশ্বে ৩৯০ জন নতুন বিলিয়নেয়ার যুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ফোর্বস।
অর্থাৎ গড়ে প্রতিদিন একজনেরও বেশি নতুন ধনকুবের তৈরি হয়েছে।
নতুন বিলিয়নেয়ার যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে এটি ইতিহাসের দ্বিতীয় সেরা বছর। এর আগে ২০২১ সালে মহামারি-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সময় ৪৯৩ জন প্রথমবারের মতো বিলিয়ন ডলার সম্পদের ক্লাবে নাম লিখিয়েছিলেন।
নতুন বিলিয়নেয়ার তৈরির ক্ষেত্রে বিশ্বে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ দেশ থেকে এবার ১০৬ জন নতুন বিলিয়নেয়ার যুক্ত হয়েছেন।
তাদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী নবাগত হলেন এডউইন শেন। যিনি রয়েছেন মূল তালিকার ১৫৮ নাম্বারে।
মাত্র ৩৮ বছর বয়সি সার্জ এআই এর এই সিইওর মোট সম্পদ ১৮ বিলিয়ন ডলার।
নতুনদের মধ্যে ১৬ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে পিটার ম্যালুক রয়েছেন সম্মিলিত তালিকার ১৭৮ নাম্বারে।
নতুনদের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি গায়িকা ও গীতিকার বিয়ন্সে নোলস।
ঠিক ১ বিলিয়ন ডলার নিয়ে তার অবস্থান তালিকার ৩,৩৩২ নাম্বারে।
তালিকায় নতুনভাবে জায়গা পাওয়া আরেক পরিচিত নাম টেনিস কিংবদন্তি টেনিস তারকা রজার ফেদেরার। প্রায় ১.১ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নিয়ে তিনি প্রথমবার তালিকায় প্রবেশ করেছেন।
আরেক সেলিব্রেটি নবাগত হলেন টাইটানিক, অ্যাভাটারের নির্মাতা জেমস ক্যামেরুন। তার সম্পদ ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার।
দীর্ঘ হচ্ছে সেলিব্রেটি তালিকা
সেলিব্রেটিদের মধ্যে প্রথম স্থানে আছেন দীর্ঘদিনের বিলিয়নেয়ার তালিকাভুক্ত পরিচালক স্টিভেন স্পিলবার্গ। যার সম্পদ মূল্য ৭ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার।
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন 'স্টার ওয়ার্স' নির্মাতা জর্জ লুকাস। আর তৃতীয় বাস্কেটবল কিংবদন্তি মাইকেল জর্ডান।
এছাড়াও এই তালিকায় রয়েছেন, ওপরা উইনফ্রে, জে-জেড, টেইলর সুইফট, কিম কারদাশিয়ান, রিয়ানা, শাহরুখ খানের মতো তারকারা।
একসময় যে তালিকায় আধিপত্য ছিল শিল্পপতি ও ব্যাংকারদের এখন সে তালিকা আর সেই পুরোনো শিল্প সাম্রাজ্যের হাতে সীমাবদ্ধ নেই।
বিলিয়নেয়ারদের ক্লাবে এখন জয় জয়কার প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, বিনোদন জগতের তারকা, ক্রীড়া সুপারস্টার থেকে শুরু করে তরুণ স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতাসহ বিভিন্ন খাতের কাছে।
বিষয়: