আমরা যখন স্কুলে পড়তাম, তখন স্কুলের দেয়ালে নানা মনীষীর বাণী লেখা থাকত। সেখানে যেমন আমাদের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বাণী থাকত, তেমনি স্বামী বিবেকানন্দের কথাও থাকত। লালনের গান, রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের কবিতার পঙ্ক্তি কিংবা বেগম রোকেয়ার লেখাও ছিল। ছোটবেলায় এসবের অনেক কিছুই হয়তো বুঝতাম না। কিন্তু বইয়ের কঠিন পড়ার বাইরে দেয়ালের এই লেখাগুলো আমাকে অনেক নামের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। আজও সেসব নাম মনে পড়লে স্কুলের দেয়ালগুলোর কথা মনে পড়ে।
সম্প্রতি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে শহরের ফুটপাতের পাশের দেয়ালে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজন মানুষের ছবি আঁকা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা শহরের দেয়ালগুলো কদর্য রাজনৈতিক পোস্টার, কোচিং সেন্টারের বিজ্ঞাপন আর কলকাতা হারবালের চটকদার প্রচারণায় ভরে ছিল। সেসবের বদলে কবি, সাহিত্যিক কিংবা সমাজসংস্কারকদের ছবি দেখে আমার অন্তত ভালো লাগে। খানিকটা চোখের শান্তি হয়, ছোটবেলার কথাও মনে পড়ে।
সরকারি অর্থ খরচ করে কাদের ছবি আঁকা হবে, সেটি নিয়ে নাগরিকদের প্রশ্ন করার অধিকার আছে। কেউ রবীন্দ্রনাথকে অপছন্দ করতে পারেন, অন্য কারও ছবি আঁকার দাবিও তুলতে পারেন। পাবলিক স্পেসে কী থাকবে, তা নিয়ে বিতর্ক হওয়াই স্বাভাবিক।
কিন্তু সমস্যাটা শুরু হয় যখন কেউ সেই বিতর্কের বদলে রবীন্দ্রনাথের মুখে কালি লাগাতে যান। ১০ই অক্টোবর ঢাকার সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনে ঠিক এমন ঘটনাই ঘটেছে। একজন নারীকে রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালো রং লাগাতে দেখা গেছে। পুলিশ চারজনকে আটক করেছে।
আমি ঘটনাটিকে বিচ্ছিন্ন কোনো উত্তেজনা হিসেবে দেখতে পারছি না। গত দুই বছরের ঘটনাগুলো পাশাপাশি রাখলে এর একটি রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা পাওয়া যায়।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বেগম রোকেয়ার প্রতিকৃতির মুখে কালো রং লাগানো হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভাস্কর্য ও স্মারক ভাঙচুর করা হয়। সেখানে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল ও লালনের প্রতিকৃতিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। নারায়ণগঞ্জে ধর্মীয় গোষ্ঠীর হুমকির মুখে লালন মেলা বন্ধ হয়েছিল। এর মধ্যে জাতীয় সংগীত পরিবর্তনের দাবিও উঠেছিল।
এসব ঘটনার ক্ষেত্রে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা স্পষ্ট। আর ভাস্কর্য ধ্বংস বা প্রতিকৃতিতে কালি লাগানোর মতো ঘটনায় জনপরিসরে কোন ইতিহাস ও সংস্কৃতির স্থান থাকবে, সেই প্রশ্নটি সামনে এসেছে।
এই সময় বাংলাদেশের ডানপন্থি রাজনৈতিক আলোচনায় 'কালচারাল ওয়ার' বা সাংস্কৃতিক যুদ্ধের আলাপ বার বার এসেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, এই যুদ্ধটা আসলে কার বিরুদ্ধে? কেন রবীন্দ্রনাথ, রোকেয়া কিংবা লালনের মতো মানুষেরা এর লক্ষ্য হয়ে উঠছেন? আর এই যুদ্ধ করে ডানপন্থিরা কী অর্জন করতে চান?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ইতিহাসের দিকে একটু তাকানো দরকার।
পাকিস্তান আমলে পূর্ববাংলার ভাষা ও সংস্কৃতিকে পাকিস্তানি মুসলিম জাতীয়তাবাদের একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে আনার চেষ্টা হয়েছিল। ১৯৪৯ সালে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ফজলুর রহমানের উদ্যোগে বাংলা লেখার জন্য আরবি হরফ ব্যবহারের প্রস্তাব সামনে আসে। ১৯৬৭ সালে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় তথ্যমন্ত্রী খাজা শাহাবুদ্দিন পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক আদর্শের পরিপন্থী রবীন্দ্রসংগীত বেতারে প্রচার না করার ঘোষণা দেন।
আজকের বাংলাদেশের কিছু ইসলামপন্থী ডানপন্থির সাংস্কৃতিক যুক্তিতে সেই পুরোনো চিন্তার পুনরাবৃত্তি দেখি। এরা লেখেন ও বলেন যে, রবীন্দ্রনাথ হিন্দু, বিদ্যাসাগর ভারতীয়, সত্যজিৎ রায় ভারতের নাগরিক ছিলেন। অতএব তাঁদের বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে জায়গা দেওয়া ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রকাশ!
অথচ রবীন্দ্রনাথ মারা গেছেন ১৯৪১ সালে। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মারা গেছেন ১৮৯১ সালে। অর্থাৎ ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বহু আগেই তারা মারা গেছেন। রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পরে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও জীবন পূর্ববঙ্গের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। তার লেখা গান বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। ভারত রাষ্ট্রের রাজনৈতিক আধিপত্যের সমালোচনা আর বাংলা ভাষার সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের প্রত্যাখ্যান করা এক বিষয় নয়।
এই জায়গায় বেনেডিক্ট অ্যান্ডারসনের ‘Imagined Communities’ বইয়ের একটা উদাহরণ দেওয়া যায়। অ্যান্ডারসন দেখিয়েছেন, জাতীয় পরিচয় ইতিহাস, ভাষা, সাহিত্য ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে নির্মিত হয়। অর্থাৎ আমরা কাদের নিজেদের মানুষ মনে করব, সেটিও একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া।
বাংলাদেশের ডানপন্থি সাংস্কৃতিক রাজনীতির একটি অংশ সেই জাতীয় পরিচয়ের সীমানাকে ধর্মের ভিত্তিতে নির্ধারণ করতে চায়। রবীন্দ্রনাথের সমস্যা তখন তার সাহিত্য নয়, তার ধর্মীয় পরিচয়। রোকেয়ার সমস্যা তার লেখার কোনো নির্দিষ্ট যুক্তি নয়, বরং নারী ও সমাজ নিয়ে তার চিন্তার সঙ্গে রক্ষণশীল ধর্মীয় ব্যাখ্যার বিরোধ। লালনের সমস্যা আরও বড়। কারণ তার বহু গানই ধর্মীয় পরিচয়ের প্রচলিত সীমানাকে প্রশ্ন করে।
সমাজবিজ্ঞানী মিশেল লামন্ট ও ভিরাগ মলনারের প্রতীকী সীমানার ধারণা দিয়ে এই প্রবণতা ব্যাখ্যা করা যায়। সামাজিক গোষ্ঠীগুলো নিজেদের পরিচয় প্রতিষ্ঠা করতে ঠিক করে কারা তাদের অন্তর্ভুক্ত এবং কারা বাইরের মানুষ। বাংলাদেশের এই সাংস্কৃতিক যুদ্ধেও একই চেষ্টা দেখি। কে বাঙালি, কোন সাহিত্য আমাদের, কোন শিল্পীর ছবি জনপরিসরে থাকবে, তা নির্ধারণের রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা।
এখানে চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লবের একটি ঐতিহাসিক উদাহরণ প্রাসঙ্গিক। ১৯৬৬ সালে মাও সেতুং চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু করেন। তার আহ্বানে বিপুলসংখ্যক তরুণ রেড গার্ড সংগঠনে যুক্ত হয়। বিপ্লববিরোধী কিংবা পুরোনো সংস্কৃতির প্রতিনিধি হিসেবে চিহ্নিত মানুষদের প্রকাশ্যে অপমান করা হয়। শিক্ষক ও অধ্যাপকদের ছাত্রদের সামনে হেনস্তা করা হয়। অনেককে মারধর করা হয়। নিয়মিত সবাইকে গালি দেওয়া হত, পাবলিক স্পেসে অসম্মান করা হত। ঐতিহাসিক নিদর্শন, বইপত্র ও সাংস্কৃতিক সম্পদ হরে দরে ধ্বংস করা হয় ।
এই অপমানের রাজনীতির একটি বিশেষ পদ্ধতি ছিল। কাউকে প্রকাশ্যে শত্রু ঘোষণা করা, তাকে উপহাস করা, তার সামাজিক মর্যাদা ধ্বংস করা এবং অন্যদের সেই আক্রমণে অংশ নিতে উৎসাহিত করা।
চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শেষ পর্যন্ত ভয়াবহ রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন ও রক্তপাতের দিকে যায়। সমাজবিজ্ঞানী অ্যান্ড্রু ওয়াল্ডারের গবেষণায় ১৯৬৬ থেকে ১৯৭১ সালের ঘটনাপ্রবাহে আনুমানিক ১১ থেকে ১৬ লাখ মানুষের মৃত্যুর হিসাব পাওয়া যায়। এসব মৃত্যুর অধিকাংশই সংঘটিত হয়েছিল সাংস্কৃতিক যুদ্ধের প্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষের সংগঠিত দমন-পীড়নের মাধ্যমে।
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে ডানপন্থিদের মধ্যে চীনের রেড গার্ড পরিচালিত সাংস্কৃতিক যুদ্ধের প্যাটার্ন দেখা যাচ্ছে। পার্থক্য হলো চীনের ঘটনাটি ছিল রাষ্ট্রক্ষমতার অভ্যন্তর থেকে পরিচালিত বিপুল রাজনৈতিক সংঘাত। বাংলাদেশের পরিস্থিতি একটু আলাদা। এখানে এই ঘটনা ঘটছে ডানপন্থিদের সামাজিক ও আংশিক রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কাঠামোর মধ্যে থেকে। রেড গার্ডদের মতোই বাংলাদেশের ডানপন্থি অ্যাক্টিভিস্ট ও বুদ্ধিজীবীদের একটি অংশ অবিরামভাবে তাদের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিপক্ষকে গালাগাল করা, শত্রু ঘোষণা করা, প্রকাশ্যে অপমান করা এবং সামাজিকভাবে হেয় করার চর্চা চালিয়ে যাচ্ছেন। কাউকে প্রকাশ্যে গালি দেওয়া, শিক্ষককে হেনস্তা করা, ভিন্নমতের মানুষের ওপর সংঘবদ্ধ আক্রমণ করা কিংবা সাংস্কৃতিক প্রতীক ধ্বংস করে উল্লাস করা, এসব কাজের মধ্য দিয়ে একটি বার্তা দেওয়া হয়: আমরা যাদের শত্রু মনে করি, তাদের মর্যাদা রক্ষা করার প্রয়োজন নেই।
এই পদ্ধতির বিপদ এখানেই। প্রথমে একজন কবির ছবি নষ্ট করা হয়। তারপর তার বই, গান কিংবা চিন্তার বিরোধিতা থেকে তাকে শ্রদ্ধা করা মানুষদেরও রাজনৈতিক শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করার সুযোগ তৈরি হয়। বিতর্কের জায়গা দখল করে নেয় ভয় দেখানো ও অপমানের চর্চা।
একই প্রবণতা ভারতের হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির মধ্যে দেখা যায়। বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথকে হিন্দু কবি বলে দূরে সরানোর চেষ্টা হয়, আবার নজরুলকে কেবল মুসলমানের কবি বানানোর চেষ্টাও চলে। অথচ নজরুল ইসলামি সংগীতের পাশাপাশি শ্যামাসংগীত লিখেছেন, সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে লিখেছেন। সত্যজিৎ রায়ের দেবী চলচ্চিত্রও ধর্মীয় অন্ধবিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। এঁদের কাউকেই একটি ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের মধ্যে সহজে আটকে রাখা যায় না।
তবে রবীন্দ্রনাথ কিংবা অন্য কোনো সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বকে সমালোচনার ঊর্ধ্বে রাখারও কারণ নেই। রবীন্দ্রনাথ জমিদার পরিবারের সন্তান ছিলেন। তার শ্রেণিগত অবস্থান, জমিদারি পরিচালনা, রাজনৈতিক চিন্তা কিংবা সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সমালোচনা হতে পারে। কিন্তু সেই সমালোচনা প্রমাণভিত্তিক হতে হবে। রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন, এমন প্রচলিত দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক দলিল পাওয়া যায়নি। অথচ সেই দাবিই বারবার রাজনৈতিক বক্তৃতায় ব্যবহৃত হচ্ছে।
আমার কাছে মূল প্রশ্নটি তাই রবীন্দ্রনাথকে কে ভালোবাসেন আর কে ঘৃণা করেন, সেটি নয়। প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশের জনপরিসরের সাংস্কৃতিক ইতিহাস নির্ধারণের অধিকার কার?
আপনি রবীন্দ্রনাথের সমালোচনা করুন, তার ছবি সরকারি অর্থে আঁকার বিরোধিতা করুন। কিন্তু কালি নিয়ে উপস্থিত হয়ে সেই ছবি নষ্ট করার অধিকার আপনার নেই। একই নিয়ম অন্য রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রতীকের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত।
একজন ডানপন্থি যখন রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি লাগান, আর অন্য একজন মানুষ এসে সেই কালি মুছে দেন, তখন তাঁদের ধর্মীয় পরিচয় একই হলেও রাজনৈতিক অবস্থান এক নয়। এই সহজ কথাটাই ধর্মীয় ডানপন্থিদের একটি অংশ বুঝতে চায় না।
বাঙালির সাংস্কৃতিক ইতিহাস কোনো একক ধর্মীয় গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়। এর মধ্যে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, ধর্মবিশ্বাসী ও ধর্মনিরপেক্ষ মানুষের অবদান রয়েছে। তাঁদের মধ্যে দ্বন্দ্বও ছিল, মতভেদও ছিল। সেই ইতিহাসকে একটি ধর্মীয় পরিচয়ের অধীন করতে গেলে আমাদের নিজেদের ইতিহাসের বড় অংশই বাদ পড়ে যাবে।
আমার কাছে ডানপন্থিদের এই সাংস্কৃতিক যুদ্ধের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিপদ এখানেই। তারা সংস্কৃতির ওপর নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে ধীরে ধীরে সমাজে অসহিষ্ণুতা ও অপমানকে স্বাভাবিক রাজনৈতিক আচরণে পরিণত করতে চাইছেন।
রবীন্দ্রনাথের কিংবা বেগম রোকেয়ার মুখে কালি লাগানো তাই কেবল একজন কবির অপমান নয়। এটি সেই রাজনৈতিক চর্চার একটি প্রকাশ, যেখানে যুক্তির বদলে অপমান এবং সাংস্কৃতিক মতভেদের বদলে প্রতীক ধ্বংসকে রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হয়।
লেখক: যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটিতে ডক্টরাল ফেলো