ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুরোনো ভবনের টয়লেট থেকে বারডেমের এক নার্সের ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গেছে। কাছেই পাওয়া গেছে রক্তমাখা ছুরি।
নিহত নারীর নাম তন্ময় মন্ডল। তিনি বারডেম হাসপাতালে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এক মাস আগে তিনি সেখানে যোগ দেন।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, “ভেতরে অনেক রহস্য আছে। আমরা সেগুলো বের করার চেষ্টা করছি।”
নিহত নারী তার এক বান্ধবীর এনআইডি কার্ড দিয়ে মোবাইলের একটি সিম তুলেছিলেন। এ বিষয়সহ অন্যান্য তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
সোমবার সকাল দশটার দিকে রক্তাক্ত মরদেহটি উদ্ধার করে শাহবাগ থানা পুলিশ। ছুরিটি পাওয়া গিয়েছিলো মরদেহ উদ্ধারের কয়েক ঘন্টা আগে।
ঢাকা মেডিকেলের সহকারী পরিচালক ডা. শায়লা ফেরদৌস আহসান সাংবাদিকদের বলেছেন, সকালে এসে তিনি বাথরুমে মরদেহ উদ্ধারের কথা জানতে পারেন। হাসপাতালের কনফারেন্স কক্ষের দ্বিতীয় গেটের সামনে রক্তের চিহ্ন ছিলো বলেও জানান ডা. শায়লা।
তিনি বলেন, বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। ওই এলাকায় সিসি ক্যামেরা আছে, ফুটেজ বিশ্লেষণ করলে ঘটনা সম্পর্কে বোঝা যেতে পারে।
মেডিক্যালের পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাশী পেল্লী সন্তোষ জানিয়েছেন, ভোর সাড়ে ছয়টার মধ্যে তিনি রক্তমাখা ছুরিটি দেখতে পান। উর্দ্ধতনদের নির্দেশে তিনি মেঝে পরিষ্কার করেন এবং ছুরিটি ধুয়ে নিজের কাছে রাখেন।
সন্তোষ বলেন, “ঘটনার অনেকক্ষণ পর জানতে পারি টয়লেটে একজনকে হত্যা করার পর ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।”
ঘটনস্থলে এসে আলামত সংগ্রহ করে সিআইডির ফরেনসিক টিম। আলাপ-কে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মরর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, “আমরা সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি, রাতের পর থেকে সব ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।”