বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬

বিশ্বব্যবস্থায় ভাঙন, পরাশক্তির প্রতিযোগিতা ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বৈশ্বিক শাসনকাঠামো দ্রুত ভেঙে পড়ছে। এতে বিশ্বে দেশগুলোর মধ্যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো বৈশ্বিক সংঘাত, অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে কতটা খাপ খাওয়াতে পারছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের কৌশলগত প্রতিযোগিতা, অন্যদিকে ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানি নিরাপত্তার ঝুঁকি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের বাড়বাড়ন্ত। সব মিলিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ।

এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে প্রশ্ন, বড় শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার মধ্যে নিজেদের স্বার্থ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা কীভাবে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব?

শনিবার, ঢাকায় হওয়া ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর বিভিন্ন পর্বে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, কূটনীতি, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ও অর্থনীতি নিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছে এসব প্রশ্ন।

আলোচকদের কেউ মনে করেন, মধ্যম শক্তির দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় নতুন ভারসাম্য তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। আবার কারও মতে, অভিন্ন লক্ষ্য ও কার্যকর সহযোগিতার কাঠামো ছাড়া মধ্যম শক্তিগুলোর পক্ষে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা কঠিন।

তিন দিনব্যাপী আয়োজনের প্রথম দিন ‘অ্যা ওয়ার্ল্ড রিরিটেন: পাওয়ার, টেকনোলজি, ট্রাস্ট ইন দ্য এইজ অব আনসার্টেইনিটি’ শিরোনামের আলোচনায় বিশ্লেষকরা এসব বিষয় তুলে ধরেন।

টাইম ম্যাগাজিনের এডিটর-অ্যাট-লার্জ চার্লস থমাস ক্যাম্পবেল পরিচালিত অধিবেশনে বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর দ্বন্দ্বে ছোট ও উদীয়মান রাষ্ট্রগুলোর ভবিষ্যৎ কৌশল, জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা এবং প্রযুক্তির ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্ব পরিচালনার জন্য যেসব প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে সেসবের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বক্তারা। সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরিস তাদিচ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক যে আধিপত্য ছিলো, এখন তা বদলে যাচ্ছে। বিশ্ব এখন বহুমেরুতে বিভক্ত।

চীন-ভারতের অর্থনৈতিক ও সামরিক প্রভাবের পাশাপাশি তুরস্ক, ইরান, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর ভূরাজনৈতিক গুরুত্ব বাড়ছে। কিন্তু ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। এতে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে আস্থার সংকট।

বাংলাদেশে নরওয়ে দূতাবাসের উপপ্রধান আলেকজান্ডার ফাল্ক-বিল্ডেন জাতিসংঘসহ অন্যান্য বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের কাঠামোগত সংস্কারের ওপর জোর দেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সংস্কারের কথা কেবল মুখে বললে চলবে না বরং এর বাস্তবায়ন করতে হবে।

ইউরোপের দেশ মন্টেনেগ্রোর সংসদ সদস্য গর্ডন স্টোজোভিচ ছোট দেশগুলোর নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তার মতে, বড় পরাশক্তি দেশগুলোর প্রতিযোগিতার মধ্যে ছোট দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক জোটে যুক্ত থাকা সবচেয়ে বাস্তবসম্মত নিরাপত্তাকৌশল।

আলোচকদের কেউ মনে করেন, মধ্যম শক্তির দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় নতুন ভারসাম্য তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। আবার কারও মতে, অভিন্ন লক্ষ্য ও কার্যকর সহযোগিতার কাঠামো ছাড়া মধ্যম শক্তিগুলোর পক্ষে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা কঠিন।

মধ্যম শক্তির ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক

বর্তমান বৈশ্বিক রাজনীতিতে মধ্যম শক্তির দেশগুলো কি নতুন কোনো ভারসাম্য তৈরি করতে পারবে? এই প্রশ্নটি নিয়ে বেশ আলোচনা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, পুরোনো বিশ্বব্যবস্থা সংকটে থাকলেও, তার মানে এই নয় যে নতুন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি হয়ে গেছে। মধ্যম শক্তির দেশগুলোর মধ্যে অভিন্ন বৈশ্বিক বা আঞ্চলিক লক্ষ্য না থাকায় তাদের পক্ষে সম্মিলিত উদ্যোগ সফল করা কঠিন।

অবশ্য নরওয়ে দূতাবাসের উপপ্রধান আলেকজান্ডার মধ্যম শক্তির সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। তিনি বলেন, ছোট ও মধ্যম শক্তিগুলো একা বিশ্বব্যবস্থা বদলে দিতে না পারলেও, আন্তর্জাতিক নীতিমালা তৈরিতে ঠিকই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অতীতে সমুদ্র আইন প্রণয়নের উদাহরণ টানেন তিনি।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি এবং জাতীয় স্বার্থের প্রশ্ন

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি কেমন হওয়া উচিত এবং পরাশক্তির প্রতিযোগিতায় দেশের অবস্থান কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয় একটি পর্বে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) এ এন এম মুনিরুজ্জামান বলেন, বর্তমান জটিল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে শুধু ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব’ নীতিতে আটকে থাকলে চলবে না। বাংলাদেশকে নিজের সুনির্দিষ্ট জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বড় শক্তিগুলোর ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশকে এমন অবস্থান নিতে হবে যাতে দেশটি অন্যের ‘ছায়াযুদ্ধের’ ক্ষেত্র না হয়। এজন্য কূটনীতির পাশাপাশি অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি বাড়াতে হবে।

বাংলাদেশে তুরস্কের সাবেক রাষ্ট্রদূত ও বর্তমানে ইস্তাম্বুলের মেয়রের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উপদেষ্টা মুস্তাফা উসমান তুরান ‘অ্যাঙ্করড ফ্লেক্সিবিলিটি’ বা নীতিগত ভিত্তি ঠিক রেখে কৌশলগত নমনীয়তার ধারণা দেন। তার মতে, দেশের মূল নীতিতে অটল থাকা জরুরি, কিন্তু অংশীদার বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে নমনীয়তা থাকা দরকার। কোনো একটি দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা দেশের কৌশলগত স্বাধীনতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা সংকটের বিষয় তুলে ধরেন।

ভারত ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক

দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশকেন্দ্রিক ভারত ও চীনের প্রভাবের বিষয়টি আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায়।

ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। নিজেদের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ অধিকার বাংলাদেশের রয়েছে। তিনি দুই দেশের সম্পর্ককে ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন।

ভারতের সাবেক সেন কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) অরুণ কুমার সাহনিও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন অনুসরণের অধিকারের কথা ‍তুলে ধরেন। তবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সীমান্ত স্থিতিশীলতার জন্য নিয়মিত আলোচনার ওপর জোর দেন তিনি।

শেখ হাসিনাকে ফেরত দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন

প্রশ্নোত্তর পর্বে একজন শিক্ষার্থী ভারতের হাইকমিশনারকে প্রশ্ন করেন শেখ হাসিনাকে কবে ফিরিয়ে দেব ভারত।

ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানান, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশ ছেড়ে যান, তখন ভারত সেই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিলো না।

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের মিলিটারি এয়ারক্র্যাফট ভারতে নিয়ে গিয়েছিলো উল্লেখ করে তিনি বলেন, তখন তাকে আশ্রয় না দেওয়ার কোনো বিকল্প ছিলো না।

ফেরত দেওয়া নিয়ে তিনি বলেন, এটি আইনানুসারে হবে। যেহেতু আদালতের বিষয় আছে তাই সময়সীমা বলা সম্ভব নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক আলী রিয়াজ বলেন, পুরোনো বিশ্বব্যবস্থা সংকটে থাকলেও, তার মানে এই নয় যে নতুন কোনো কার্যকর ব্যবস্থা তৈরি হয়ে গেছে।

বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব

ভূগোল ও ভূরাজনীতির সংযোগে থাকা বঙ্গোপসাগরকে ঘিরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্ভাবনা তুলে ধরে মেজর জেনারেল (অব.) মুনিরুজ্জামান বলেন, বঙ্গোপসাগর কেবল বাংলাদেশের নয়, বরং গোটা ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সামুদ্রিক যোগাযোগ ও নিরাপত্তার প্রধান কেন্দ্র। তাই দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগ সেতু হিসেবে বাংলাদেশ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ইউনান অঞ্চলের যোগাযোগ তৈরি এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের সুযোগ আছে। তবে এই সম্ভাবনা বাস্তবায়নে দেশের সমুদ্র নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক দক্ষতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে জোর দেন তিনি।

জ্বালানি নিরাপত্তা এবং দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট

এক পর্বে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও রোহিঙ্গা সংকটের বিষয় তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান সংঘাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দুটি ঝুঁকি তৈরি করেছে। জ্বালানি সরবরাহ ও মূল্যের অনিশ্চয়তা এবং মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা।

তিনি জানান, এই সংকট উত্তরণে জ্বালানির উৎস বহুমুখী করা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে কাজ করছে সরকার।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের একসাথে কাজ করতে হবে ফের মনে করিয়ে দেন বক্তারা।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বনাম নিরাপত্তা ঝুঁকি

প্রযুক্তির অগ্রগতি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বা এআইয়ের দ্রুত বিস্তার বিশ্বব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরিস তাদিচ সতর্ক করে বলেন যে, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সুনির্দিষ্ট নিয়ম না থাকায়, এআইয়ের অপব্যবহার রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

এআই নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে অধ্যাপক আলী রিয়াজ পরামর্শ দেন, রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ যেন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার নষ্ট করার হাতিয়ারে পরিণত না হয়। প্রযুক্তিবিদ ও নাগরিক সমাজের যৌথ অংশগ্রহণে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, সরকার প্রযুক্তিনর্ভর অর্থনীতির প্রসারের পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল হয়রানিরোধে সচেষ্ট আছে।

ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানান, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর শেখ হাসিনা যখন বাংলাদেশ ছেড়ে যান, তখন ভারত সেই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিলো না।

প্রবাসীদের অবদান

একটি বিশেষ পর্বে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রবাসীদের অবদান এবং বৈশ্বিক জনমিতির পরিবর্তন নিয়ে কথা বলেন যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্য ড. রূপা হক।

তিনি বলেন, ৮৭ লাখের বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি শুধু রেমিট্যান্সই পাঠান না, বরং তাদের দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ দিয়েও দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন।

মন্টেনেগ্রোর সংসদ সদস্য গর্ডন স্টোজোভিচ বলেন, বাংলাদেশের মতো তরুণসমৃদ্ধ দেশের জন্য বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীদের মাধ্যমে নতুন ধারণা দেশে আনার সুযোগ রয়েছে।

বে অব বেঙ্গল কনভারসেশনের এই দীর্ঘ আলোচনায় উঠে আসে, বর্তমান ভঙ্গুর বিশ্বব্যবস্থায় বাংলাদেশের সামনে ভূরাজনীতি ও অর্থনীতির যেমন চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তেমনি আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং বহুমুখী অংশীদারত্ব গড়ে তোলার ব্যাপক সুযোগও রয়েছে।