মূল্যস্ফীতির চাপে মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস যখন বাড়ছে, তখন ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই সরকারি কর্মচারীদের মূল বা বেসিক বেতন সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর খসড়া সাজাচ্ছে নতুন সরকার।
এমন এক সময়ে এই সিদ্ধান্ত আসছে, যখন দেশের মূল্যস্ফীতি আবার ৯ শতাংশ ছাড়িয়েছে, রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি এক লাখ কোটি টাকার বেশি, আর সাধারণ মানুষ প্রতিদিনের বাজারখরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে।
ঠিক তখনই সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যয় খাতগুলোর একটিতে যোগ হতে যাচ্ছে আরও প্রায় ৪৪ হাজার হাজার কোটি টাকার চাপ।
আগামী পহেলা জুলাই থেকে কার্যকর হতে যাওয়া এই সিদ্ধান্ত কি কেবল ১৪ লাখ সরকারি চাকরিজীবীর ভাগ্যবদল করবে, নাকি এর সুদূরপ্রসারী ধাক্কায় বেসামাল হয়ে পড়বে দেশের বেসরকারি খাত আর সাধারণ ট্যাক্সপেয়ারের সংসার?
সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম পে স্কেল এখন ঠিক এই দুই প্রান্তের টানাপোড়েনে দাঁড়িয়ে।
পে স্কেল ১৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সুখবর।
কিন্তু অর্থনীতির ভাষায় এটি শুধু এক শ্রেণীর মানুষের বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নয়; এটি বাজার, মূল্যস্ফীতি, করনীতি এবং রাষ্ট্রের ব্যয় ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি বড় অর্থনৈতিক ঘটনা।
প্রশ্ন হচ্ছে, এই বাড়তি অর্থ কোথা থেকে আসবে? বাজারে কি আরও মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হবে? করদাতাদের ওপর কি বাড়বে ভ্যাট-ট্যাক্সের বোঝা? নাকি সরকারকে আরও ঋণের পথে হাঁটতে হবে?
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বেতন বৃদ্ধি প্রয়োজন ছিলো।
কিন্তু একই সঙ্গে তারা সতর্ক করছেন, রাজস্ব আয় ও অর্থনৈতিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হলে এর প্রভাব পড়তে পারে দেশের প্রতিটি পরিবারের রান্নাঘর থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় কোষাগার পর্যন্ত।
সুপারিশ ও বাস্তবায়ন
মূলত, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ১০৫ থেকে ১৪৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করে গিয়েছিলো অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময়ে গঠিত বেতন কমিশন।
তারই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করে। আর সেখানে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়, যা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হবে তিন বছর মেয়াদে।
এরপর পে স্কেলের চূড়ান্ত রূপরেখা ঠিক করতে বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বৈঠক করেছে পুনর্গঠিত সচিব কমিটি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ, বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীর বেতন কাঠামো এবং বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।
পে স্কেলের খসড়ায় নতুন অর্থবছরে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি, পেনশনে উল্লেখযোগ্য সমন্বয় এবং শিক্ষা, টিফিন ও বৈশাখী ভাতায় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
গেজেট প্রকাশের পর আগামী জুলাই থেকেই নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
তবে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগায় বেতনের বাড়তি টাকা হাতে পেতে অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে সরকারি চাকুরিজীবিদের।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নবম পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আরও কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তী বৈঠক আগামী ২৪ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বাজারে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি কতটা
অর্থনীতির একটি পরিচিত ধারণা হলো-বাজারে হঠাৎ বড় অঙ্কের অর্থ প্রবাহিত হলে পণ্যের চাহিদা বাড়ে। আর সরবরাহ যদি একই গতিতে না বাড়ে, তাহলে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হয়।
“মূল্যস্ফীতির প্রভাব একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সাময়িক হলেও বাজারে এর প্রভাব পড়বে,” আলাপ-কে বলেছেন বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)-এর গবেষণা পরিচালক ড. মাহফুজ কবীর আরও এক ধাপ এগিয়ে বলেন, “বেতন বৃদ্ধির আলোচনা শুরু হওয়ার পর থেকেই বাজারে প্রত্যাশাজনিত মূল্যস্ফীতি বা ‘ইনফ্লেশন এক্সপেকটেশন’ এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে।”
“অর্থনীতিতে ‘ইনফ্লেশন এক্সপেকটেশন’ বলতে বোঝায়, মানুষ যদি মনে করে সামনে দাম বাড়বে, তাহলে ব্যবসায়ী, উৎপাদক ও ভোক্তারা আগেভাগেই সে অনুযায়ী আচরণ শুরু করেন। ফলে অনেক সময় বাস্তব পরিবর্তনের আগেই বাজারে মূল্যবৃদ্ধির চাপ তৈরি হয়,” বলেন তিনি।
এপ্রিল মাসে দেশের মূল্যস্ফীতি আবার ৯ দশমিক ০৪ শতাংশে পৌঁছেছে। এমন অবস্থায় নতুন বেতন কাঠামোর ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়াবে কিনা, তা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “বড় পরিসরে বেতন বৃদ্ধি বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়াতে পারে। এক বছরের হিসাবে মূল্যস্ফীতি কমেছে বলা হলেও বাস্তবে পণ্যের দাম কমেনি; বরং দাম বাড়ার গতি কিছুটা কমেছে মাত্র।”
আলাপ-কে তিনি বলেন, “এই প্রেক্ষাপটে বড় ধরনের বেতন বৃদ্ধি মূল্যস্ফীতিকে উসকে দিতে পারে।”
এ জন্য অবশ্য তিনি বাজার কাঠামোতে স্বচ্ছতা আনার পাশাপাশি চড়া মূল্যস্ফীতির সময়ে খাদ্য ভর্তুকি ও সুবিধাভোগীর আওতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন।
বেসরকারি খাতের ওপর বাড়তি চাপ
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লে সবচেয়ে বেশি চাপ অনুভব করতে পারে বেসরকারি খাত।
কারণ সরকারি চাকরিজীবীদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়লেও বেসরকারি চাকরিজীবীদের আয় একই হারে বাড়বে না। ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়লেও তাদের আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের ব্যবধান আরও বাড়তে পারে।
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেনের মতে, “সরকারি বেতন বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়বে প্রাইভেট সেক্টরের মালিক ও চাকরিজীবীদের ওপর।”
“একদিকে কর্মীদের বেতন বাড়ানোর চাপ, অন্যদিকে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি-দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা অনেক প্রতিষ্ঠানের জন্য কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাগুলো সবচেয়ে বেশি চাপে পড়তে পারে,” বলেন তিনি।
বেতন বাড়ছে, কিন্তু অর্থ আসবে কোথা থেকে
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করতে গেলে সরকারের অতিরিক্ত বিপুল অর্থের প্রয়োজন হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, নতুন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়নের জন্যই ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৪৪ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে।
যা আগামী তিন বছরে পুরোপুরি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী, এই পূর্ণ বাস্তবায়নে বার্ষিক ব্যয় আরও অনেক বেশি হতে পারে। যেটা হলে এ খাতে অতিরিক্ত খরচ হবে ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা।
এখানে সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ অর্থ সংস্থান। কারণ প্রধান সমস্যা হলো, সরকারের রাজস্ব আহরণের চিত্র এখন খুবই দুর্বল।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি।
অর্থাৎ সরকার যে আয় করার পরিকল্পনা করেছিল, বাস্তবে তার অনেকটাই অর্জন করতে পারেনি।
এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে-বেতন বৃদ্ধির অর্থ জোগাড় হবে কীভাবে? কর বাড়িয়ে, ব্যয় কমিয়ে, নাকি ঋণ নিয়ে?
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “রাজস্ব আদায়ের সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই বেতন বৃদ্ধি বাস্তবায়ন করা উচিত। অন্যথায় সরকারের আর্থিক ভারসাম্যের ওপর চাপ তৈরি হবে।”
করদাতাদের কাঁধে কি বাড়তি বোঝা?
সরকারের অতিরিক্ত ব্যয়ের অর্থ শেষ পর্যন্ত আসে জনগণের করের টাকা থেকেই। এই বেতন ভাতা বৃদ্ধির চাপও আসলে পড়বে সেই জনগণের কাঁধেই।
নতুন অর্থবছরে এসব বিবেচনা থেকে রাজস্ব আয়ে বড় লক্ষ্য দেওয়া হয়েছে এনবিআরকে। এছাড়া বাড়ানো হচ্ছে অনেক ধরনের ভ্যাট-ট্যাক্স।
অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, রাজস্ব আয় বাড়াতে সরকার যদি নতুন কর আরোপ করে কিংবা বিদ্যমান ভ্যাট-ট্যাক্সের হার বাড়ায়, তাহলে এর চাপ পড়বে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর।
বাংলাদেশে পরোক্ষ কর বা ভ্যাটের অংশ তুলনামূলক বেশি। ফলে কর বৃদ্ধি মানে শুধু উচ্চ আয়ের মানুষের ওপর নয়, সাধারণ ক্রেতাদের প্রতিদিনের খরচেও এর প্রভাব পড়তে পারে।
অর্থাৎ সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির ব্যয় মেটাতে শেষ পর্যন্ত সাধারণ করদাতাদেরই বাড়তি মূল্য দিতে হতে পারে-এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না অর্থনীতিবিদরা।
ধার-কর্জ আর বাড়তি কর
এরপরও প্রয়োজনীয় রাজস্ব আয় না বাড়লে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ার চাপ সামাল দিতে সরকারের সামনে আরেকটি পথ খোলা রয়েছে- ঋণ গ্রহণ।
কিন্তু ঋণেরও মূল্য আছে। অভ্যন্তরীণ ঋণ বাড়লে বেসরকারি খাতের জন্য অর্থের প্রাপ্যতা কমতে পারে।
আবার বৈদেশিক ঋণ বাড়লে ভবিষ্যতে সুদ ও কিস্তি পরিশোধের চাপ বাড়বে।
“বর্তমান রাজস্ব পরিস্থিতিতে সরকারের এই ব্যয় বহনের সক্ষমতা প্রায় শূন্যের কাছাকাছি। তাই রাজস্ব না বাড়লে অন্য খাতে ব্যয় কমানো অথবা ঋণ নেওয়া ছাড়া বিকল্প সীমিত,” মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন।
এর পরও দুর্নীতি কমবে
নবম পে স্কেল নিয়ে সরকারের অন্যতম যুক্তি হলো, বেতন বৃদ্ধি সরকারি কর্মকর্তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে এবং দুর্নীতি কমাতে সহায়ক হবে।
বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আয় বাড়লে দুর্নীতি স্বাভাবিকভাবেই কমবে বলে তারা আশা করছেন।
তবে দুর্নীতিবিরোধী বিশেষজ্ঞ ও টিআইবি এই ধারণার সঙ্গে একমত নয়।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম আলাপ-কে বলেন, “বেতন বৃদ্ধি যৌক্তিক হলেও সেটি পারফরম্যান্সভিত্তিক হওয়া উচিত। একই সঙ্গে আয় ও সম্পদের হিসাব প্রকাশের মতো জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।”
কতটা প্রয়োজন ছিল এই বৃদ্ধি
সবশেষ পে স্কেল কার্যকর হয়েছিল ২০১৫ সালে। প্রায় ১১ বছরে দ্রব্যমূল্য, বাসাভাড়া, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে।
যদিও এ সময় তারা নিয়মিত ৫ শতাংশ বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট পেয়েছেন, কিন্তু জীবনযাত্রার ব্যয়ের তুলনায় তা অনেকের কাছে পর্যাপ্ত ছিল না।
এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই বেতন কমিশন রেকর্ড পরিমাণ বেতন বৃদ্ধির সুপারিশ করে।
চলতি বছরের ২১এ জানুয়ারি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে বেতন কমিশনের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর কমিশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খান বলেন, “সময়োপযোগী বেতন কাঠামো না থাকায় সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ কঠিন হয়ে পড়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই কমিশন নতুন সুপারিশ করেছে।”
নবম পে স্কেল নিঃসন্দেহে সরকারি চাকরিজীবী ও পেনশনভোগীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। দীর্ঘদিন পর তাদের আয় বাড়ছে, বাড়ছে অবসর-পরবর্তী সুবিধাও।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, সরকারের হাতে কি সেই ব্যয় বহনের যথেষ্ট সক্ষমতা আছে? আর যদি না থাকে, তাহলে এর মূল্য কি শেষ পর্যন্ত গুনতে হবে সাধারণ ভোক্তা, করদাতা এবং বেসরকারি খাতকে?
দেশের বাকি মানুষের জন্য এর প্রভাব কী হবে, তার উত্তর পাওয়া যাবে কয়েক মাসের মধ্যেই।
আর এর বাস্তবায়ন নতুন সরকারকে কতটা চাপে ফেলবে সেটা বলবে- সময়।