চট্টগ্রামের মতো উঁচু জায়গায় জলাবদ্ধতা ও বন্যার ভোগান্তি কেন?

বর্ষা এলেই জলাবদ্ধতা ও বন্যা এখন পরিচিত দৃশ্য চট্টগ্রামের মতো উঁচু এলাকাতে। মহানগর ছাড়াও চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বাঁশখালী, চকরিয়া, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া এবং রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানসহ বিভিন্ন উঁচু এলাকাও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে বন্যা ও জলাবদ্ধতায়।

এবার পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভয়ানক রূপ ধারণ করেছে, মানুষের প্রাণহানির সংখ্যা বাড়ছে। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চার দশকের রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে এবার। এতে বন্যা ও জলাবদ্ধতার বাইরেও পাহাড়ধসে কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

প্রশ্ন উঠছ, চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় উঁচু হলেও কেনো প্রতিবছর এই দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে সেখানকার মানুষকে?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংকট কোনো একক কারণে তৈরি হয়নি। দীর্ঘদিনের অপরিকল্পিত নগরায়ণ, খাল ও নদী দখল, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, পাহাড় কাটা, সমন্বয়হীন অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সম্মিলিত প্রভাবেই আজকের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

‘খালকে মনে করে ডাস্টবিন’

নগরবিদ ও স্থপতি আশিক ইমরানের মতে, চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতার বর্তমান চিত্র গত ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে সঞ্চিত সমস্যার ফল।

তিনি আলাপ-কে বলেন, “এটা আগে ছিলো না। গত ১৫ বা ২০ বছর ধরে জলাবদ্ধতার বিষয়টি প্রকট হয়ে দেখা দিচ্ছে।” 

এর একটি কারণ হিসেবে তিনি তুলে ধরেন খাল দখলকে। 

“আমাদের যে খালগুলো ছিলো, এগুলো বেদখল হয়ে গেছে। আমরা যদি চাক্তাই খালের কথাই ধরি, এই খালের প্রশস্ততা ছিলো ৬০ ফিট। যে খালের মাধ্যমে একসময় নৌ-বাণিজ্য হতো, সেই খালের প্রশস্ততা কোনো কোনো জায়গায় ৬ ফিটেও নেমে আসে।” 

“মানুষের এমন একটা ধারণা হয়ে গেছিলো যে, যার যার মতো করে খালটা দখল করে সেখানে স্থাপনা তৈরি করবে,” মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, “বহু টন প্লাস্টিক, পলিথিন, কর্কশিট, মানুষের ব্যবহার্য জিনিস - যেমন, খাট, আলনা, লেপ-তোশক, সবই খালের মধ্যে পাওয়া গেছে। তার মানে এই খালগুলোকে এখনো চট্টগ্রামের মানুষ মনে করছে তাদের ডাস্টবিন। এখানে সমস্ত ময়লা ফেলবে। ফুটপাথের ধারে যে দোকানগুলো আছে, তাদের সমস্ত ময়লাগুলো ছোট ড্রেইনে ফেলবে।”

ময়লার অবব্যবস্থাপনার কথা উল্লেখ করেন চুয়েটের নগর পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক ড. রাশেদুল হাসানও। 

তিনি আলাপ-কে বলেন, “চট্টগ্রাম মহানগরীতে আমরা প্রতিদিন তিন হাজার টন ময়লা উৎপন্ন করে থাকি। সিটি কর্পোরেশনের হিসাব অনুসারে, দুই হাজার টন তারা ব্যবস্থাপনা করতে পারে। বাকি এক হাজার টন বর্জ্য প্রতিনিয়ত ড্রেনগুলোয় নিক্ষেপ করা হচ্ছে। বালু এবং বর্জ্য যেগুলো ড্রেনে যাচ্ছে, এগুলো নিয়মিত অপসারণ না করার ফলে জলাবদ্ধতার মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।”

তার মতে, চট্টগ্রামের ধারণক্ষমতার তুলনায় কয়েকগুণ বেশি মানুষ বসবাস করছে। পরিকল্পনাহীন নগরায়ণের ফলে ড্রেন, খাল ও জলাধার দখল হয়েছে। ফলে অতিবৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশনের সুযোগ হারিয়ে ফেলেছে শহর।

নগরবিদ আশিক ইমরান ‘দ্রুত ও অপরিকল্পিত’ নগরায়ণকে দায়ী করেন। 

তিনি বলেন, “নগরায়ণটা হয়েছে একেবারেই কোনো মাস্টারপ্ল্যানের তোয়াক্কা না করে। কোনোকিছুর মেইন্টেইন না করে যে যার মতো নগরটাকে দখল করেছে। এটা ২৫-৩০ বছরের পুঞ্জীভূত একটা সমস্যা।”

প্রকৃতির প্রতি অবহেলা: চট্টগ্রামের রেললাইন, নদী ও বালির পাহাড়

স্থপতি আশিক ইমরান বলেন, “চট্টগ্রামের পাহাড়গুলো বালির পাহাড়। এগুলো নির্বিচারেই কাটা হচ্ছে। বৃষ্টির সাথে, পাহাড়ি ঢলের সাথে সমস্ত বালিগুলো ড্রেনে এসে জমছে।”

বালির পাহাড় নিয়ে কথা বলেন অধ্যাপক ড. রাশিদুল হাসানও।

তিনি বলেন, “বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির সাথে সাথে প্রচুর পরিমাণ বালু ধুয়ে আমাদের নালা এবং নর্দমাতে আসছে। আমাদের ড্রেনগুলোকে সবসময় পরিষ্কার রাখা জরুরি।”

তবে শুধু পাহাড় কাটা নয়, সর্বোপরি পরিবেশের প্রতি অবজ্ঞার চিত্র দেখা যায়, এবং এর কারণে চট্টগ্রাম শহর ও বৃহত্তর বিভাগে জলাবদ্ধতা ও বন্যার সমস্যা বাড়ে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এক্ষেত্রে উঠে আসে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের রেল লাইনের কথা, যা শুরুতেই বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়া, এবং নিয়মিত ট্রেনের ধাক্কায় হাতির মৃত্যুর খবর উদ্বেগের জন্ম দেয়।

নগরবিদ আশিক ইমরানের মতে, “রেললাইন অনেক তড়িঘড়ি করে করা হয়েছে। যারা করেছেন, আমি বলবো, জীববৈচিত্র কিংবা প্রাকৃতিক সম্পদের প্রতি তারা বিন্দুমাত্র নজর দেন নাই। দেখেন, প্রতিদিনই হাতি মারা যাচ্ছে ট্রেনের ধাক্কা খেয়ে। হাতি চলাচলের যে জায়গা, শত বছর ধরে হাতি চলাচলের যে রাস্তাটা, সেটাও তারা স্টাডি করেন নাই।”

কক্সবাজারের রেললাইন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় আটকে পড়া ট্রেন

আশিক ইমরানের মতে, সঠিক উপায়ে রেললাইন স্থাপন করা হলে চট্টগ্রামের পাহাড়ি ঢলের পানি নিজ থেকেই অপসৃত হতো। 

“পাহাড়ি ঢলটা নিজের মতো করেই চলে যেতো। পানিটা কোন দিক দিয়ে যাবে সেটাও তারা স্টাডি করেন নাই। রেললাইন যখন চালু হবে, তখনই একটা ঢলে ১৮ থেকে ২০ কিলোমিটার রেললাইন প্রায় নাই হয়ে গিয়েছিলো,” মন্তব্য করেন তিনি।

চুয়েটের অধ্যাপক ড. রাশিদুল হাসানের মতে, রেললাইন নিয়ে পরিকল্পনার অভাবই মূলত কক্সবাজার, চকরিয়া, বাঁশখালী ও অন্যান্য এলাকায় বন্যা ও সংশ্লিষ্ট দুর্ভোগের জন্য দায়ী। 

তিনি বলেন, “চকরিয়া, বাঁশখালী এবং অন্যান্য এলাকায় দুর্যোগের মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল লাইনের অ্যালাইনমেন্ট। সেখানে পানি পাস আউট হওয়ার জন্য যথেষ্ট পরিমাণ কালভার্ট, ব্রিজ রাখা হয়নি। কিছু ক্ষেত্রে ঘের মালিকদের অসহযোগিতার ফলে পানি অপসারণ হয়ে যাওয়ার পথগুলো বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।”

তবে শুধু রেললাইন না, নদীর ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে অবহেলা। এবছর জুলাই মাসে রেকর্ড বৃষ্টিপাতে মাতামুহুরী নদীর আশেপাশের অঞ্চলে বন্যার কারণে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

এর পেছনেও পাহাড় কাটা ও প্রকৃতির প্রতি অবহেলাকে দায়ী করেন নগরবিদ আশিক ইমরান।

তিনি বলেন, “মাতামুহুরী ও সাঙ্গু নদী অনেকদিন কোনো ব্যবস্থাপনা করা হয় নাই। ওখানেও নির্বিচারে পাহাড় কাটা হচ্ছে। এমনকি যেখানে সংরক্ষিত বনাঞ্চল আছে, যেখানে জীববৈচিত্রের বিশাল সমাহার, ঐখানে পর্যন্ত পাহাড় কেটে সমান করে ফেলা হচ্ছে।”

তার মতে, খাল ও ছড়ার স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ায় সেগুলো নদীতে এসে পড়ার কারণেই চারপাশের এলাকা প্লাবিত হচ্ছে।

“ওখানে খাল আছে, ছরা আছে ছোট ছোট। সেগুলো ভরে গেছে, তাদের স্বাভাবিক পানির প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে। সেগুলো সব এসে নদীতে পড়ে। নদীর ধারণ ক্ষমতা কমে গেছে, তার ফলে চারপাশের এলাকাগুলো প্লাবিত হচ্ছে।”

প্রকল্পে সমন্বয়হীনতা

জলাবদ্ধতা ও বন্যার সমস্যা সমাধানে একাধিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। খাল পুনঃখনন, নতুন ড্রেন নির্মাণ, স্লুইসগেট স্থাপনসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে এই প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হওয়ার পর সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর হলে সঠিক ব্যবস্থাপনা কতটা হবে, তা নিয়ে আছে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

অধ্যাপক ড. রাশিদুল হাসান বলেন, “এবারের নালা প্রকল্পের মধ্যে আমরা নতুন কিছু জিনিস যুক্ত করেছি। যেমন- আমাদের স্লুইস গেটের মাধ্যমে পানি অপসারণের ব্যবস্থা। কিন্তু পরবর্তীতে যখন এটা সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে, তা পরিচালনার জন্য লোকবল কাঠামো নাই। বেতন এবং অন্যান্য খরচ কে বহন করবে তারও কোনো গাইডলাইন নাই। এই সমন্বয়হীনতার কারণে দুর্যোগ আরও বেড়ে যাচ্ছে।”

নগরবিদ আশিক ইমরান বলেন, “সিডিএর কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পর সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করবে। তাদের বর্তমান সক্ষমতা অনুযায়ী এই বিশাল কর্মযজ্ঞ রক্ষণাবেক্ষণ করা কখনোই তাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। একটা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জে সিটি করপোরেশনে পড়ে যাবে। তাদের আলাদা বরাদ্দ জনবল এবং একুইপমেন্টস লাগবে। এটা ম্যানুয়ালি কখনো সম্ভব না।”

চট্টগ্রাম শহরের নালা-নর্দমার ক্ষেত্রেও দেখা যাচ্ছে একই সংকট। ড. রাশিদুল হাসান বলেন, “চট্টগ্রামের নালা বা নর্দমার ক্ষেত্রে সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতার বিষয় রয়ে গেছে। সিডিএ ড্রেন করছে, সিটি কর্পোরেশন বলছে এই ড্রেনের দায়িত্ব তারা নিতে পারবে না, তাদের জনবল কাঠামো এবং অর্থনৈতিক অবস্থা দুর্বল, তাদের এই ফাইন্যান্সিয়াল সাপোর্ট না দিলে নিবে না।” 

জলবায়ু পরিবর্তনের ও ‘প্রকৃতির খামখেয়ালিপনা’

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে স্বল্প সময়ে অস্বাভাবিক ভারী বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বেড়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে চরম আবহাওয়া এখন আরও ঘন ঘন দেখা যাচ্ছে।

ড. রাশিদুল হাসানের মতে, চলতি বছরের জুন মাসেই সবচেয়ে কম বৃষ্টিপাতের রেকর্ড হয়েছিলো বাংলাদেশে। তার এক মাস পরই চার দশকে সর্বাধিক বৃষ্টিপাতের রেকর্ড জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের প্রমাণ হিসেবে দেখেন তিনি।

তিনি আলাপকে বলেন, “বাংলাদেশে রেকর্ড পরিমাণ কম বৃষ্টি হয়েছে কিন্তু এবছরই, জুন মাসে। জুনে যখন আমাদের সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয়েছে, হঠাৎ করে আবার জুলাই মাসে চার দিনে ৪২ বছরের রেকর্ড ভেঙে অতিবৃষ্টি হয়েছে। প্রকৃতির যে খামখেয়ালিপনা, অবশ্যই জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয় এখানে পরিলক্ষিত হচ্ছে।”

আবহাওয়াবিদদের মতে, বঙ্গোপসাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, বায়ুমণ্ডলে আর্দ্রতা বৃদ্ধি এবং মৌসুমি বায়ুর পরিবর্তিত আচরণের কারণে ভবিষ্যতে এমন চরম বৃষ্টিপাত আরও বাড়তে পারে। বর্তমান দুর্যোগের পেছনে ‘এল নিনোর’ প্রভাব আছে বলেও মনে করেন অধ্যাপক ড. রাশিদুল হাসান।

সমাধান

চট্টগ্রামের এই নিয়মিত দুর্যোগের সমাধান হিসেবে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধির কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা।

অধ্যাপক ড. রাশিদুল হাসানের মতে, নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অসচেতনতার ক্ষেত্রে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণও জরুরি। 

তিনি বলেন, “নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কঠিনভাবে কার্যক্রম হাতে নিতে হবে। বারংবার সতর্ক করার পরেও যে নাগরিক বা গোষ্ঠী নাগরিক ময়লা ড্রেনে নিক্ষেপ করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নাওয়া যায় কিনা তা আমাদের ভাবতে হবে।”

জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকারি প্রকল্প নিয়ে কিছুটা আশার বাণী দেন নগরবিদ আশিক ইমরান। তার মতে, ব্যবস্থাপনার অভাব থাকলেও বর্তমান অবস্থার উন্নতি হয়েছে। 

তিনি বলেন, “গত ৮ বছর ধরে যের কাজটা শুরু হয়েছে জলাবদ্ধতা নিরসনের, তখন এই কাজটারে কিছুটা তড়িঘড়ি অবশ্যই হয়েছে, তবে আমি এটাকে একেবারে ব্যর্থ প্রকল্প বলবো না। গত পাঁচদিনের যে টানা বৃষ্টি, দুই বছর আগে এমন হলে চট্টগ্রামের শতকরা ৮০ ভাগ এলাকা কোমর পানির নিচে থাকতো।”

তিনি মনে করেন, আগামী বর্ষার আগে প্রকল্প সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন হলে মৌসুমি বর্ষায় দীর্ঘ জলাবদ্ধতা হ্রাস পাবে।

তবে ড্রেনের ব্যবস্থাপনায় সমন্বয়হীনতার সমাধানে যত দ্রুত সম্ভব পদক্ষেপ নিতে হবে এবং সমাধানের রূপরেখা তৈরি করতে হবে বলে মনে করেন অধ্যাপক ড. রাশিদুল হাসান। 

তিনি বলেন, “সুস্পষ্টভাবে ড্রেনগুলো আগামীতে কোন দপ্তরের তত্ত্বাবধানে থাকবে, সেই দপ্তরের লোকবল কাঠামো বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ, আর্থিক বরাদ্দ, এবং মেকানিক্যাল যেসব ইকুইপমেন্ট প্রয়োজন, সেসব বিষয়ে আলোচনা এখনই করে সমাধানের রূপরেখাটা তৈরি করতে হবে।”