ঢাকায় পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় থাকবে ডিএমপির ২ হাজার ৭২ জন সদস্য
আলাপ রিপোর্ট
প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএমআপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম
শুক্রবার ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ডিএমপি কমিশনার মো. মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
ঢাকায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার নিয়মিত দায়িত্বের বাইরে আরও ২ হাজার ৭২ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে। ২৫৭টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন তারা। শুক্রবার ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ডিএমপি কমিশনার মো. মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
ডিএমপি কমিশনার জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপ, দর্শনার্থীদের উপস্থিতি এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মণ্ডপগুলোকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিট একসাথে সেই দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি মণ্ডপের আশপাশে টহল এবং সন্দেহজনক ব্যক্তি ও বস্তুর ওপরও নজরদারি থাকবে, উল্লেখ করেন ডিএমপি কমিশনার।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোয়াট, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল, ডগ স্কোয়াড ও ক্রাইম সিন ইউনিট প্রস্তুত থাকার কথাও জানান তিনি। পূজামণ্ডপগুলোতে ২৪ ঘণ্টা পুলিশের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মণ্ডপ ও আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপের প্রবেশপথে তল্লাশির জন্য আর্চওয়ে স্থাপন করা হয়েছে।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা ঠেকাতে সাইবার নজরদারি চালানো হবে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার। এ ধরনের কোনো তথ্য চোখে পড়লে দ্রুত ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশকে জানানোর আহ্বানও জানান তিনি।
ঢাকায় পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় থাকবে ডিএমপির ২ হাজার ৭২ জন সদস্য
ঢাকায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার নিয়মিত দায়িত্বের বাইরে আরও ২ হাজার ৭২ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবে। ২৫৭টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন তারা। শুক্রবার ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ডিএমপি কমিশনার মো. মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
ডিএমপি কমিশনার জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে উদযাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপ, দর্শনার্থীদের উপস্থিতি এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মণ্ডপগুলোকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিট একসাথে সেই দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি মণ্ডপের আশপাশে টহল এবং সন্দেহজনক ব্যক্তি ও বস্তুর ওপরও নজরদারি থাকবে, উল্লেখ করেন ডিএমপি কমিশনার।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোয়াট, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল, ডগ স্কোয়াড ও ক্রাইম সিন ইউনিট প্রস্তুত থাকার কথাও জানান তিনি। পূজামণ্ডপগুলোতে ২৪ ঘণ্টা পুলিশের উপস্থিতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে মণ্ডপ ও আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপের প্রবেশপথে তল্লাশির জন্য আর্চওয়ে স্থাপন করা হয়েছে।
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এই উৎসবকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচারের মাধ্যমে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা ঠেকাতে সাইবার নজরদারি চালানো হবে বলেও জানান ডিএমপি কমিশনার। এ ধরনের কোনো তথ্য চোখে পড়লে দ্রুত ৯৯৯-এর মাধ্যমে পুলিশকে জানানোর আহ্বানও জানান তিনি।
বিষয়: