সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন কার্যক্রম না চালাতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সতর্ক করা হয়েছে। ১৮ই জুন এ সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
আদেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা কটূক্তি বা অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের চিহ্নিত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।
এর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকেও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে সতর্ক করে নির্দেশনা জারি করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিস আদেশে সরকারি কর্মচারীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যা আছে নির্দেশিকায়
সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল পেইজের ব্যানারে কোনো ব্যক্তির নাম বা পদবি ব্যবহার করা যাবে না। তার বদলে প্রতিষ্ঠানের নাম ও লোগো থাকতে হবে। প্রোফাইলেও থাকবে না ব্যক্তিগত বা পারিবারিক ছবি।
অফিসিয়াল পেইজে কারো ব্যক্তিগত ছবি বা পারিবারিক ছবি ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে কোনো ক্ষতিকারক কন্টেন্টের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারীই দায়ী থাকবেন বলে সতর্ক করা হয়েছে নির্দেশিকায়। সেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া হবে প্রচলিত আইন অনুযায়ী।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র বা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনো পোস্ট, কমেন্ট, লাইক কিংবা শেয়ার করা থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ আছে।
‘ফ্রেন্ড সিলেকশন’ নিয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অপ্রয়োজনী ট্যাগ ও শেয়ার করা থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
‘জাতীয় ঐক্য ও চেতনার পরিপন্থী’ এবং ‘কোনো সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ লাগতে পারে এমন বিষয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পুরোপুরি নিষেধ করা হয়েছে।
নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে জনমনে অসন্তোষ তৈরি করতে পারে এমন লেখা, অডিও-ভিডিওর ক্ষেত্রেও।
এছাড়াও নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যেকোনো ধরনের আত্মপ্রচারণামূলক পোস্ট এবং ভিত্তিহীন, অসত্য ও অশ্লীল তথ্য প্রচার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।