ট্রাম্প কি গ্রিনল্যান্ড নিয়েই ছাড়বে?

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে আটকের পর ডনাল্ড ট্রাম্পের নজর এবার গ্রিনল্যান্ডের দিকে। জাতীয় নিরাপত্তার তকমা দিয়ে দেশটির দখল নিতে উঠে পড়ে লেগেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। 

রাশিয়া ও চীন যাতে গ্রিনল্যান্ডের দখল নিতে না পারে, সেজন্যই ডেনমার্কের অধীনে স্বশাসিত এই  অঞ্চলটির 'মালিকানা' যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়োজন বলে দাবি করছেন ট্রাম্প। “গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সহজ কিংবা কঠিন, যেকোনো উপায়ে, ওয়াশিংটন এই অঞ্চলের দখল নেবে।”

চলতি বছরের শুরুর দিকে হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে যে, গ্রিনল্যান্ড কেনার কথা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, তবে জোর করে দখলের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেয়নি তারা। 

গ্রিনল্যান্ডের দখল নিতে যেকোনো সামরিক পদক্ষেপ নর্থ আটলান্টিক প্রতিরক্ষা জোট (নেটো)-এর সমাপ্তি ঘটাবে বলে সতর্ক করেছে জোটের সদস্য ডেনমার্ক। 

যদিও এই অঞ্চলটি বিক্রির জন্য নয় বলে আগে থেকেই জানিয়ে এসেছে ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ড।

পূর্বে গ্রিনল্যান্ড দখলের চেষ্টা  

এবারই প্রথম নয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, ১৯৪৬ সালে গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। তখনও গ্রিনল্যান্ড এই প্রস্তাব নাকচ করে দেয়। 

এরপর ২০১৯ সালে আবারও গ্রিনল্যান্ডের দখল নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন ট্রাম্প। প্রথম মেয়াদে তার এই আগ্রহকে গুরুত্বসহকারে না দেখা হলেও দ্বিতীয় মেয়াদে এসে, একে তুচ্ছ করে দেখার কোনো উপায় নেই। 

যুক্তরাষ্ট্রের “জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে” গ্রিনল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অনেকবারই মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। 

জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজের মতে, উত্তরাঞ্চলে যেসব পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, তা নেওয়ার মতো পর্যাপ্ত সম্পদ বা সক্ষমতা কোনোটাই ডেনমার্কের নেই। 

এই সপ্তাহে ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে থাকলে গ্রিনল্যান্ডের জনগণের জীবন “আরও বেশি নিরাপদ, শক্তিশালী এবং সমৃদ্ধ” হবে।

গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছে দেশটির নাগরিকরা

গ্রিনল্যান্ডের নেতাদের পুনঃআহ্বান

শুক্রবার রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে,আবারও বিরোধী দলসহ গ্রিনল্যান্ডের সব দলের নেতারা তাদের দেশের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবহেলা’ বন্ধ করার আহ্বান জানান। 

"আমরা আমেরিকান হতে চাই না, আমরা ডেনিশ হতে চাই না, আমরা গ্রিনল্যান্ডবাসী হতে চাই … গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ গ্রিনল্যান্ডের জনগণকেই নির্ধারণ করতে দিতে হবে," বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

সেনা মোতায়েন

গ্রিনল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত পিটুফিক মার্কিন ঘাঁটিতে একশ জনেরও বেশি সেনা মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় চালু হওয়া পিটুফিক ঘাঁটি একটি ক্ষেপণাস্ত্র পর্যবেক্ষণকেন্দ্র। 

এছাড়া ডেনমার্কের সাথে চুক্তি অনুসারে, গ্রিনল্যান্ডে যত খুশি সৈন্য মোতায়েনের ক্ষমতাও রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।

অন্যদিকে ইউরোপীয় দেশগুলো ডেনমার্কের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং ট্রাম্পের একতরফা দাবির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তাদের প্রধান যুক্তি হলো, আর্কটিক বা উত্তর মেরু অঞ্চলের নিরাপত্তা কোনো দেশের একক বিষয় হতে পারে না, বরং এটি নেটোর যৌথ দায়িত্ব হওয়া উচিত। 

এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার ফ্রান্স, জার্মানি, সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং যুক্তরাজ্য সেনারা পৌছেঁছে গ্রিনল্যান্ডে।

'রিকনেসান্স মিশন' বলা হলেও, একে মার্কিন হুমকির মুখে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।  

ট্রাম্পের দাবি, ইউরোপীয় দেশগুলো একটি "অত্যন্ত বিপজ্জনক খেলা" খেলছে যা পৃথিবীর নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলছে। 

নেটোর আরেক সদস্য কানাডাও এই সপ্তাহে গ্রিনল্যান্ডের সমর্থনে সমাবেশ করেছে। কানাডা সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, "এই ব্যাপারে শুধুমাত্র ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ডের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার আছে।"

রয়টোর্সের এক জরিপ বলছে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপ সমর্থন করেন মাত্র ১৭ শতাংশ মার্কিনি

অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ

গ্রিনল্যান্ড প্রস্তাবের বিরোধিতা করায় আটটি ইউরোপীয় দেশের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপের হুমকি দেবার পরদিনই ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে অতিরিক্ত শুল্কের হার ঘোষণা করেছেন।  

শুক্রবার হোয়াইট হাউজে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ট্রাম্প প্রথম এই শুল্কের ইঙ্গিত দেন। “গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যদি কোনো দেশ আমাদের সঙ্গে একমত না হয়, তবে আমি তাদের ওপর শুল্ক আরোপ করতে পারি। কারণ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য আমাদের গ্রিনল্যান্ড প্রয়োজন।” 

এর পরদিন, শনিবার ট্রুথ সোশ্যাল-এ পোস্ট করে ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, ফ্রান্স, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস এবং ফিনল্যান্ড উপ  ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান পহেলা ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়া এই শুল্ক, জুন মাসে বেড়ে ২৫ শতাংশ করা হবে আর তা চলবে যতদিন না গ্রিনল্যান্ড কেনার বিষয়ে কোনো চুক্তি হয়।

ট্রাম্পেরএই শুল্ক আরোপের ঘোষণা আসার কয়েক দিন আগে মার্কিন ও ডেনিশ কর্মকর্তারা গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার জন্য একমত হয়েছিলেন। 

কিন্তু এই পদক্ষেপের সেই আলোচনা আগানোর আর তেমন কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। এই ঘোষণা নেটো মিত্রদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কেরও চরম অবনতি ঘটিয়েছে। 

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত ‘অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত ও বিস্ময়কর’ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাজমুসেন। 

অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের প্রতিক্রিয়ায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন তারা সরাসরি মার্কিন প্রশাসনের কথা বলবেন। "নেটো মিত্রদের সম্মিলিত নিরাপত্তার স্বার্থে কাজ করার জন্য তাদের ওপর শুল্ক আরোপ করা সম্পূর্ণ ভুল।" 

শুল্ক নিয়ে ট্রাম্পের এই হুমকি ‘অগ্রহণযোগ্য’ মন্তব্য করে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁখো বলেছেন, "আমরা কোনো ধরনের ভয়ভীতির কাছে নতি স্বীকার করব না।" 

একইরকম প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন সুইডিশ প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন; বলেছেন তার দেশ কোনরকম ‘ব্ল্যাকমেইলে’ শিকার’ হবে না। 

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যতকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের প্রভাবশালী জার্মান নেতা ম্যানফ্রেড ওয়েবার। 

২০২৫ সালে হওয়া সেই চুক্তিতে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সব পণ্যের ওপর ১৫% মার্কিন শুল্কের বিনিময়ে কিছু আমেরিকান পণ্যকে বিনা শুল্কে ইইউ-এর বাজারে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছিল, 

"গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির মুখে এখন এই চুক্তির অনুমোদন দেওয়া সম্ভব নয়। আমেরিকান পণ্যের ওপর শুন্য শুল্ক সুবিধার সিদ্ধান্তটি অবশ্যই স্থগিত রাখতে হবে," এক্স-এ দেওয়া পোস্টে বলেছেন ওয়েবনার। 

ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডে বিক্ষোভ

ট্রাম্পের দখল নেওয়ার হুমকির  প্রতিবাদে বিক্ষোভের জোয়ার দেখা যাচ্ছে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডে।

সাম্প্রতিক এক জরিপ বলছে, গ্রিনল্যান্ডের ৮৫% মানুষ আমেরিকার সাথে যুক্ত হওয়ার তীব্র বিরোধী। 

শনিবার ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার ঠিক আগেই ডেনমার্কের বিভিন্ন শহর এবং গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুকের রাস্তায় নেমে আসে হাজার হাজার মানুষ।

ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে বিক্ষোভকারীরা ‘হ্যান্ডস অফ গ্রিনল্যান্ড’ এবং ‘গ্রিনল্যান্ড ফর গ্রিনল্যান্ডার্স’ লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে জড়ো হয়। 

নুকে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীদের সাথে মিছিলে যোগ দেন গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন। তারা মার্কিন কনসুলেটের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় ‘গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়’ এবং ‘আমরাই আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ব’ স্লোগান দিতে থাকে।  

ঠিক এই পরিস্থিতির মধ্যেই গ্রিনল্যান্ডের প্রতি সমর্থন জানাতে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল দেশটি সফর করছেন। 

এগারো সদস্যের এই দলে রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেটিক দুই দলের সদস্যরাই রয়েছে। 

প্রতিনিধিদলের নেতা ডেমোক্র্যাট সেনেটর ক্রিস কুনস জানান, তাদের এই সফরের লক্ষ্য হলো স্থানীয়দের কথা শোনা এবং যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গিয়ে তাদের মতামত জানানো, যাতে উত্তেজনা কমিয়ে আনা যায়।

তথ্যসূত্র: ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

 

কেন গ্রিনল্যান্ড দখল করতে উঠে পড়ে লেগেছে ট্রাম্প? 

জলবায়ু পরিবর্তনের মতো একটি বিষয়, যা নিয়ে ট্রাম্প কখনোই মাথা ঘামাননি, এখন ঠিক সেই বিষয়টিকেই তিনি একটি দেশ দখলের অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছেন। 

জনসংখ্যা কম হলেও গ্রিনল্যান্ডের প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ। উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিক অঞ্চলের মধ্যে এর অবস্থান হওয়ার কারণে সম্ভাব্য মিসাইল হামলা শনাক্ত করার জন্য এই অঞ্চলটি গুরুত্বপূর্ণ। 

এছাড়া আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরে পানির উপর ও নিচে যেকোনো ধরনের জাহাজ চলাচলের ওপর নজরদারি করার জন্যও গ্রিনল্যান্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

ভবিষ্যতে কোনো বড় যুদ্ধে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ থাকার অর্থ আটলান্টিক মহাসাগরের নিয়ন্ত্রণও থাকা। গ্রিনল্যান্ডে ইতোমধ্যেই একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। 

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশি বছর পর বরফ গলে গ্রিনল্যান্ড ভূ-খন্ড এখন আরও দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। 

জলবায়ু বিজ্ঞানীদের মতে, ২০৪০-এর দশকের শুরুর দিকে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে সুমেরুর চারপাশের বরফ গলে যাবে গ্রীষ্মকালে। সুমেরুর আশেপাশের এই বরফ হচ্ছে রাশিয়াকে কানাডা ও গ্রিনল্যান্ড থেকে আলাদা করা মহাসাগরটি। 

এর ফলে এশিয়া থেকে উত্তর আমেরিকায় যেতে আর পৃথিবীর মধ্যভাগ ঘুরে যেতে হবে না, সরাসরি যাওয়া যাবে। ফলে বাণিজ্য ও ভ্রমণের পাশাপাশি সামরিক আক্রমণের জন্যও এক নতুন পথ তৈরি হবে। 

বরফ গলে যে সংঘাতের নতুন এক ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে, তার উপর প্রভাব বিস্তারের লড়াইয়ে ক্রমেই জড়িয়ে পড়ছে চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। 

এই লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দু গ্রিনল্যান্ড, কানাডা ও রাশিয়ার দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষিত নরওয়ের অধীনে থাকা স্ফালবার্ড দ্বীপপুঞ্জ। 

ট্রাম্প রীতিমতই দাবি করে আসছেন যে, গ্রিনল্যান্ডের চারপাশ ‘রাশিয়ান এবং চীনা জাহাজ দিয়ে আবৃত’। যদিও তার দাবির পক্ষে কোনও প্রমাণ দেননি তিনি। 

"আমি চীনের জনগণকে ভালোবাসি। আমি রাশিয়ার জনগণকেও ভালোবাসি, কিন্তু তাদেরকে আমি গ্রিনল্যান্ডে প্রতিবেশী হিসেবে চাই না, এটা হবে না… যেভাবেই হোক, নেটোকেও বিষয়টি বুঝতে হবে,” বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। 

গ্রিনল্যান্ডের প্রতি ট্রাম্পের আগ্রহের আরেকটি বড় কারণ, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বরফ গলে যাওয়ায় উন্মুক্ত হয়ে যাবে মাটির নিচে থাকা খনিজ সম্পদ, যার মধ্যে অন্যতম রেয়ার আর্থ ম্যাটেরিয়াল, ইউরেনিয়াম ও লোহা। তেল ও গ্যাসের মজুদ থাকতে পারে বলেও ধারণা বিজ্ঞানীদের।