জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন (সংস্কার) ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ হবে না, এই মর্মে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার সকালে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব।
তিনি বলেন, রুলের একজাক্ট টার্ম হচ্ছে জুলাই সংস্কার বাস্তবায়ন (সংস্কার) অধ্যাদেশ কেন অবৈধ হবে না এবং গণভোট অর্ডিনান্স কেন অবৈধ হবে না। যার মধ্য দিয়ে এই দুইটি বিষয় সর্বোচ্চ আদালতের বিচারাধীন থাকলো।
সংবিধানের বিষয়ে পার্লামেন্ট কোন কিছু করতে পারবে এমন প্রশ্নের জবাবে এই আইনজীবী বলেন, “জুলাই সংস্কার এই অধ্যাদেশ চ্যালেঞ্জ করার বেসিক গ্রাউন্ড ছিল যে উনারা ভবিষ্যৎ সংসদকে হাত-পা বেঁধে দিয়েছিল। এইটা করতেই হবে। তা আমরা সেই ভুল করবো না।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে বলেছিলেন, দিন শেষে আইনের শাসনই হবে আমার সরকারের মূল কথা। আমরা বিশ্বাস করি যে বর্তমান সরকার এবং সংসদ রুল অফ ল প্রতিষ্ঠা করার জন্য যা যা প্রয়োজনে মনে করেন তারা করবেন।”
শপথ নিয়ে কী পদক্ষেপ আছে জানতে চাইলে এই সিনিয়র আইনজীবী বলেন, “শপথের পার্ট আমরা ডিলিট করে দিয়েছি। কারণ মেইন অধ্যাদেশটার উপরে রুল হলে, যদি আমরা রুলে বিজয়ী হই তখন তো শপথ টপথ সবই বাতিল হয়ে যাবে।”
সৈয়দ মামুন মাহবুব, “আমরা জুলাই সংস্কার শর্টকাটে আদেশ এবং গণভোট এই দুটির প্রপ্রাইটি চ্যালেঞ্জ করেছি। এই দুইটি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ বিগত সরকার ১০৬6 অনুচ্ছেদের সুপ্রিম কোর্টের এডভাইস নিয়ে ৮ই আগস্ট তারা সাংবিধানিকভাবে ওথ নিয়েছে। সো বাংলাদেশ সবসময় সাংবিধানিক শাসনের মধ্যে আছে, ছিল।”