এআই দিয়ে লেখা দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় এআই নীতি, ধরা পড়তেই প্রত্যাহার

দক্ষিণ আফ্রিকা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো নিজেদের জাতীয় এআই নীতি তৈরি করার। এই নীতির খসড়া তৈরির পর দেখা যায় সেটিও এআই দিয়েই তৈরি করা। এরপর এই খসড়া নীতিটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেন্ডেন্ট এর এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, খসড়া নীতিটিতে ব্যবহৃত ৬৭টি একাডেমিক সাইটেশনের মধ্যে ৬টি ছিল এআই দ্বারা তৈরি করা। বাস্তবে এসকল সাইটেশনের কোনো অস্তিত্ব ছিলো না।

দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী সলি মালাতসি জানান, যারা এ খসড়া তৈরিতে এমন উদাসীনতা দেখিয়েছেন এবং ভুল করেছেন তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে তিনি লিখেছেন, “এই ব্যর্থতা কেবল একটি কারিগরি ত্রুটি নয়, বরং এটি খসড়া নীতিটির সততা এবং গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।” 

তিনি আরও বলেন, “এই অমার্জনীয় ভুলটি প্রমাণ করে যে, এআই ব্যবহারে কেন মানুষের সজাগ দৃষ্টি রাখা অত্যন্ত জরুরি। এটি আমাদের জন্য একটি শিক্ষা।” 

দক্ষিণ আফ্রিকার সংবাদমাধ্যম নিউজ২৪ এ বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট করার পর এটি সবার নজরে আসে। সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, এআই নীতির ডকুমেন্টটি তারা বিশ্লেষণ করে দেখেছে, এতে ৬৭টি একাডেমিক উদ্ধৃতি যুক্ত করা হয়েছে। 

সাউথ আফ্রিকান জার্নাল অব ফিলোসফি, এআই অ্যান্ড সোসাইটি এবং জার্নাল অব এথিক্স অ্যান্ড সোশ্যাল ফিলোসফিসহ সংশ্লিষ্ট জার্নালগুলোর সম্পাদকরা নিশ্চিত করেছেন যে, সাইটেশনগুলো ভুয়া ছিল।

(দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট অবলম্বনে)