মন্তব্য প্রতিবেদন

জঙ্গিবাদ সমাচার: বাংলাদেশে জঙ্গি আছে নাকি নেই? 

‘জঙ্গি’ শব্দটি ‘রিকগনাইজ’ করেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 

মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সাফ এ কথা জানিয়ে দেন। 

বলেন, “আমি আপনাদের প্রশ্নগুলো বুঝতে পেরেছি, কিন্তু আমি ওই শব্দকে রিকগনাইজ করি না। আমাদের দেশে এরকম কোনো তৎপরতা নেই। কিছু এক্সট্রিমিস্ট গ্রুপ থাকে, পৃথিবীর সব দেশেই এরকম অ্যাক্টিভ থাকে।”

বরং বলেছেন, “র‍্যাডিক্যাল কিছু ফোর্স থাকে, ফান্ডামেন্টাল কিছু পলিটিক্যাল পার্টি থাকে—এগুলোতে আমরা ইউজড টু, এগুলো থাকে। কিন্তু সে বিষয়ে আপনি যে শব্দ উচ্চারণ করলেন, আমাদের দেশের বর্তমান কালচারে সেটা এখন আর নাই-ই।”

একই দিন আবার প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, “এটা একজাজারেটেড (অতিরঞ্জিত) হয়েছিল ওই সরকারের সময়। পরবর্তীতে যে সরকারের সময়, ইন্টারিমের সময় এই আলাপ কেউ কেউ করার চেষ্টা করেছে যে বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি নেই, এটাও আরেকটা এক্সট্রিম। এটাও ভুল কথা। ”

তিনি ‘জঙ্গি’ শব্দটি ‘রিকগনাইজ’ করে বলেছেন, “বাংলাদেশে একটা পর্যায়ে মিলিটেন্সি-জঙ্গিবাদ ছিল, আছে। সেটাকে আমরা আসলে কমব্যাট করতে চাই।”

এবার বছরখানেক আগের একটা মন্তব্য মনে করা যাক।

“জঙ্গি নাই, এখন ঠেকাতে হবে ছিনতাই। জঙ্গি থাকলে না জঙ্গি নিয়ে ভাববো!”

মন্তব্যটি করেছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. সাজ্জাত আলী। সেদিন ছিলো পহেলা জুলাই— হোলি আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলার নবম বর্ষপূর্তী।

ডিএমপি কমিশনার আরও বলেছিলেন, “বাংলাদেশে কোনো জঙ্গি নাই। বাংলাদেশে আছে ছিনতাইকারী।”

তিনি বলেছিলেন, “আওয়ামী লীগের সময় জঙ্গি নাটক সাজিয়ে ছেলেপেলেদের মারছে, কিসের জঙ্গি?”

আরো কয়েকটি ঘটনায় এক নজরে চোখ বোলানো যাক।

>> জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দুইদিন পর ৭ই অগাস্ট বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে সভা করতে দেখা যায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিযবুত তাহ্‌রীরের কর্মীদের।

একই দিনে সংগঠনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে একটি সভা করে। ৯ই সেপ্টেম্বর ঢাকার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানায় হিযবুত তাহ্‌রীর।

বিবিসি বাংলার ১৩ই সেপ্টেম্বর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, “সরকার পতনের পর হিযবুত নেতাদের বেশ কয়েকজন জেল থেকে মুক্তিও পেয়েছেন।”

এ নিয়ে পরদিন মন্ত্রণালয়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলমকে প্রশ্ন করা হলেও তিনি এড়িয়ে যান।

পরে আরেক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম জানান, হিজবুত তাহ্‌রীর নিয়ে সরকার আগের অবস্থানেই আছে।

পরের বছর, ২০২৫ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার বায়তুল মোকাররম থেকে 'মার্চ ফর খিলাফত' কর্মসূচির ঘোষণা দেয় হিযবুত তাহ্‌রীর। ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টারও দেখা গিয়েছিল সেই কর্মসূচি নিয়ে। সেই 'মার্চ' ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ।

>> দৈনিক প্রথম আলোর ২৭এ অক্টোবর, ২০২৪ সালের একটি খবর বলছে, ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত মুফতি জসীম উদ্দিন রাহমানী জামিনে মুক্তি পান। তার বিরুদ্ধে চলা মামলায় পুলিশ তাকে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের প্রধান হিসেবে উল্লেখ করেছে।

>> চার মাস আগে গত ২৬এ ডিসেম্বর ঢাকার কেরাণীগঞ্জের উম্মুল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণ হয়। নারী ও শিশুসহ আহত হন ৪ জন।

ওই সময় দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলম জানিয়েছিলেন, ঘটনাস্থল থেকে ককটেল, দাহ্য পদার্থ ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

>> গত ১৩ই এপ্রিল ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্তের আন্তসীমান্ত নদী ইছামতী থেকে একজনের মরদেহ উদ্ধার হয়।

পরিচয় না পাওয়ায় অজ্ঞাত হিসাবে দাফনও হয়। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দেখে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তার ভাই নিশ্চিত করেন মরদেহটি আফগান নাগরিক হাশমত মোহাম্মাদির।

ইতালির পাসপোর্টধারী হাশমত ভারতে রত্ন-পাথরের ব্যবসা করতেন। ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে জেলও খেটেছেন সেদেশে। জামিন পেয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেন বলে জানা যায়।

তার ব্যবসায়িক ইতিহাস ও অন্যান্য সম্পৃক্ততা নিয়ে খোঁজখবর করছেন বাংলাদেশ ও ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

হোলি আর্টিজান সমাচার

যে ঘটনার নয় বছর পূর্তিতে সাবেক ডিএমপি কমিশনার বলেছিলেন ‘দেশে জঙ্গি নেই’, ওই ঘটনা শুধু বাংলাদেশ নয়, নাড়িয়ে দিয়েছিল বিশ্বকে।

২০১৬ সালের পহেলা জুলাই রাতে ঢাকার গুলশান-২ নাম্বারে হোলি আর্টিজান বেকারিতে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায় বাংলাদেশেরই পাঁচ তরুণ। গুলি চালিয়ে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে ১৭ বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে তারা হত্যা করে।

অভিযানের সময় গুলি, গ্রেনেডে মারা গিয়েছিলেন দুইজন পুলিশ কর্মকর্তাও।

হোলি আর্টিজান হামলার আগের বছর, ২০১৫ সালের ২৫এ মে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ জানায় জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট বা ‘আইএস’-এর দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ওই সময়ে ডিবির যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম (৫ই অগাস্টের পর পলাতক) জানিয়েছিলেন, দুজনই উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তান ও তথ্যপ্রযুক্তিতে দক্ষ। আইএসের নির্দেশিত খিলাফত প্রতিষ্ঠাই তাদের লক্ষ্য ছিল।

কিন্তু হঠাৎই সুর বদলে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। এরপর আর আইএস সন্দেহে কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। বরং এ ধরনের জঙ্গি সম্পৃক্ততায় গ্রেপ্তার হলে বলা হতো, আইএস মতাদর্শে বিশ্বাসী গ্রেপ্তার।

নিউ জেএমবি বা নিও জেএমবি বলে একটি দলের কথাই বেশি বলতো ‍পুলিশ।

এরপর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল থেকে শুরু করে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী বলতে শুরু করলো, ‘‘দেশে আইএস বলে কিছু নেই।’’

যদিও তৎকালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট বলেছিলেন, ‘‘বাংলাদেশে আইএসসহ সহিংস উগ্রপন্থিদের উত্থান ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র পাশে থাকবে৷’’

যদিও ২০১৫ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের এনবিসি টেলিভিশন এক রিপোর্টে জানায়, বাংলাদেশের মতো দেশেও আইএসের কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়েছে এবং চিহ্নিত ব্যক্তিদের গুপ্তহত্যার মতো নতুন কৌশল বেছে নিচ্ছে।

আইএসের নিজস্ব সাময়িকী দাবিক-এর বরাতে ওই সময় সংগঠনটির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিবরণ তুলে ধরা হয় প্রতিবেদনে। ওই সাময়িকীতেই বাংলাদেশে আইএসের কার্যক্রম সম্প্রসারিত করার কথা আছে।

২০১৫ সালের ২৮এ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার গুলশানে ফুটপাতে ইতালির নাগরিক চেজারে তাভেল্লা-কে গুলি করে হত্যা করা হয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এই ঘটনার দায় স্বীকার করে আইএস।

এরপর তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, “এ দেশে আইএস বলে কিছু নেই। ইতালীয় নাগরিক তাভেল্লাকে বিএনপি নেতা কাইয়ুম তার ভাইকে দিয়ে শুটার ভাড়া করে হত্যা করেছে।”

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৫ সালের ৩রা অগাস্ট এই মামলার রায়ে তিনজনের যাবজ্জীবন হলেও খালাস পান বিএনপি নেতা এমএ কাইয়ুমসহ চারজন।

হোলি আর্টিজানের আগেই আইএস ইস্যুতে বেশ আলোচনা হলেও তৎকালীন সরকার কার্যত বিষয়টি এড়িয়ে যায়।

২০১৬ সালের এপ্রিলে আইএসের মুখপত্র অনলাইন সাময়িকী দাবিক-এর ১৪তম সংস্করণে শেখ আবু-ইব্রাহিম আল-হানিফ নামের একজনের সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়। যেখানে তাকে আইএসের বাংলাদেশ প্রধান হিসাবে উল্লেখ করা হয়।

২০১৫ সালের ২৮এ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৬ সালের ২২এ মার্চ পর্যন্ত ছয় মাসে ১৫টি হামলার দায় স্বীকার করে আইএস। এর মধ্যে দুই বিদেশি নাগরিক, হিন্দু পুরোহিত, খ্রিষ্টান ধর্মযাজক ও পুলিশ হত্যা, আহমদিয়া মসজিদ ও শিয়া মসজিদে হামলাসহ শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর একাধিক হামলা হয়।

আওয়ামী লীগ সরকার শুরু থেকেই আইএসের এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করে। পরে বিভিন্ন সময়ে আইএস দায় স্বীকার করেছে, এমন আটটি ঘটনায় জেএমবির জঙ্গিরা ও একটিতে (ঢাকায় ইতালীয় নাগরিক হত্যা) বিএনপির কিছু নেতা জড়িত বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

এমনকি হোলি আর্টিজানের ঘটনায় অভিযান ‘অপারেশ থান্ডারবোল্টে’ নিহতদের সাথে আইএস সম্পৃক্ততার যথেষ্ট তথ্য প্রমাণের পরও তা কানে তোলা হয়নি।

যদিও জঙ্গি দমনে অসংখ্য অভিযান চলেছে।

কারা তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান

বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর হঠাৎই আলোচনায় উঠে এলো তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান বা টিটিপি।

নিষিদ্ধ ঘোষিত ‘উগ্রবাদী’ সংগঠনের সদস্য ও সমর্থকদের দ্বারা সংসদ ভবন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় হামলা হতে পারে, পুলিশ সদর দপ্তরের জারি করা এমন একটি সতর্কতামূলক নির্দেশনার পর তা হয়ে ওঠে ‘টক অব দ্য কান্ট্রি।’

তেইশে এপ্রিল পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, উগ্রবাদী সংগঠনের গ্রেপ্তার করা সদস্য ইসতিয়াক আহম্মেদ ওরফে সামী ওরফে আবু বক্কর ওরফে আবু মোহাম্মদের সাথে চাকরিচ্যুত দুইজন সেনা সদস্যের নিয়মিত যোগাযোগ আছে।

দৈনিক বণিক বার্তার ২৭এ এপ্রিলের একটি খবর বলছে, পাকিস্তানি তালেবান নাম পরিচিত সশস্ত্র গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে।

শাকিল হাসান নামের ওই পুলিশ কনস্টেবলকে বাহিনীর পক্ষ থেকে ‘আইসোলেট’ করে রাখা হয়েছে বলে খবরে জানানো হয়।

অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের ২৬এ এপ্রিল বাংলাদেশে টিটিপি নিয়ে তার ফেইসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন,“মার্শাল আর্ট শেখানোর আড়ালে দেশের বিভিন্ন এলাকায় তরুণদের উগ্রবাদী কর্মকান্ডে উদ্বুদ্ধ করতে কার্যক্রম পরিচালনা করছে ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম (এফসিএস) নামের একটি সংগঠন।”

তিনি যোগ করেছেন, “শাহ আমানত সাবির নামে এক ব্যক্তির সরাসরি নেতৃত্বে এর কার্যক্রম পরিচালিত হলেও এদের নেটওয়ার্ক বেশ বিস্তৃত, সংশ্লিষ্টতা রয়েছে আফগানিস্তান ফেরত উগ্রপন্থীদের — এরা সম্মিলিতভাবে বসিলা'তে বিদেশি দাতব্য প্রতিষ্ঠানের অর্থে আবাসন প্রকল্পের আড়ালে চালাচ্ছে তেহরিক-ই তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপি’র জন্যে রিক্রুটমেন্ট প্রক্রিয়া। পাশাপাশি এই চক্রটি টিটিপির আদলে, তেহরিকে তালিবান বাংলাদেশ (টিটিবি) গঠন করতে চেষ্টা চালাচ্ছে।”

বাংলাদেশে টিটিপি’র উপস্থিতি নতুন নয়। ২০১৩ সালে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ওই বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশে তিন টিটিপি সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এমনকি গত বছর পাকিস্তানের সামরিক অভিযানে অন্তত চার জন বাংলাদেশি টিটিপি যোদ্ধা হিসাবে নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।

তবে এতোকিছুর পরও, পুলিশ স্পষ্ট করছে না। আগের মতোই ভাসা ভাসা তথ্য। ডিএমপি'র কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) যুগ্ম কমিশনার মুনশী শাহাবুদ্দীন বলেছেন, “আমরা কাজ করছি, ইনশাআল্লাহ আমরা এটাকে ফেইস করতে পারবো। এটা আমরা সমন্বিতভাবেই ফেইস করবো।”

নাকের ডগায় যদি জঙ্গিবাদ গড়ে ওঠে, আর তাতে রা না করলেই যে তারা হারিয়ে যায় না, তাতো পরিষ্কার গত দুই দশকে।

অন্ধ হলে কি প্রলয় বন্ধ থাকে?