খালেদা জিয়া চলে যাওয়ায় যেসব শূন্যতা ও চ্যালেঞ্জ সামনে এলো

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে যখন দাফন করা হচ্ছে, ঠিক তখন পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ছে সূর্য। কিছুক্ষণের মধ্যেই রাতের অন্ধকার নামবে।

দিনটিও প্রতীকী- মানুষের জীবন থেকে আরেকটি বছর হারিয়ে যাওয়ার সময়। কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হবে নতুন বছর, নতুন আশা আর নতুন স্বপ্ন নিয়ে বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষা।

আলো-আঁধারির এই সন্ধিক্ষণে খালেদা জিয়ার বিদায় যেন কেবল একজন রাজনৈতিক নেতার মৃত্যু নয়, বরং বাংলাদেশের রাজনীতির একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের সমাপ্তি।

বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এমন একটি সময়ে অন্তিম যাত্রা করলেন, যখন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে ভীষণ অস্থিরতা এবং উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা ও শঙ্কার মেঘ ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সময় দেশে দক্ষিণপন্থিদের উত্থান নিয়ে চিন্তিত উদারমনস্ক জনগোষ্ঠী, প্রশাসনিক কাঠামোতে এলোমেলো ও বিশৃঙ্খল অবস্থা, আইন-শৃঙ্খলা তলানিতে, মবের তাণ্ডবে আশঙ্কিত মানুষ, ব্যবসা-বাণিজ্য-বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং বাংলাদেশে নিয়ে বিদেশি শক্তিগুলোর মধ্যে চলছে ‘অদৃশ্য এক ঠান্ডা যুদ্ধ’।

এরকম পরিস্থিতিতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে কি অনেক সম্ভাবনাও সমাহিত হলো? তার অনুপস্থিতি কি বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন এক শূন্যতা তৈরি করল, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়?

বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতি ব্যাখ্যা করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত আমেরিকার সাবেক রাষ্ট্রদূত জন এফ. ড্যানিলোভিজ।

“যদিও তার মৃত্যু অপ্রত্যাশিত ছিল না, তবুও এটি এক বিশাল শূন্যতা তৈরি করেছে,” সংবাদমাধ্যম নিক্কেই এশিয়াকে বলেছেন তিনি।

সাবেক এই রাষ্ট্রদূত মনে করেন, খালেদা জিয়া অসাধারণ এক জীবন যাপন করেছেন এবং ‘সবচেয়ে অন্ধকার সময়ে’ অনেকের জন্য আশার ও দৃঢ়তার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন।

বিএনপি’র অত্যন্ত দুঃসময়ে একজন গৃহবধুর ভূমিকা থেকে খালেদা জিয়া দলের হাল ধরেছিলেন, হয়েছিলেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী।

সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন, ক্ষমতার পালাবদল, কারাবাস ও দীর্ঘ অসুস্থতার মধ্যেও দৃঢ় অবস্থানের কারণে ‘আপসহীন’ হিসেবে ভূষিত হয়েছেন নেতাকর্মী-সমর্থকদের কাছে।

চার দশকের বেশি সময় ধরে তিনি ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির কেন্দ্রে এবং তাকে ঘিরে গড়ে উঠেছিল দলীয় পরিচয়, রাজনৈতিক আবেগ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার তীব্র মেরুকরণ। অসংখ্য মানুষের কাছে খালেদা জিয়া ছিলেন দৃঢ়তার প্রতিচ্ছবি।

তাই দেশের ‘অনিশ্চিত’ এক সময়ে তার চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নানা শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক ও জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ডক্টরাল ফেলো আসিফ বিন আলী নিক্কেই এশিয়া-কে বলেন, “২০২৪ সালের ৫ই অগাস্টের পর থেকে অনেক মানুষ তাকে জীবন্ত স্মারক হিসেবে দেখেছেন। এত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার প্রয়াণ অনিবার্যভাবেই এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করে।”

“দুই তিনটা বিষয়ে তার মধ্যে (খালেদা জিয়া) সিরিয়াসনেস ছিল। গণতন্ত্র লাগবে, নির্বাচন লাগবে এবং মধ্যপন্থা লাগবে।”

চ্যালেঞ্জ ও অনিশ্চয়তা কোথায়

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে পতন ঘটে আওয়ামী লীগের টানা দেড় দশকের শাসনামলের। শেখ হাসিনা ভারত আশ্রয় নিয়ে সেখানে অবস্থান করছেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে নতুন অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। সাজামুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন খালেদা জিয়া।

নতুন সরকারের প্রতি মানুষের অনেক আশা থাকলেও তা দ্রুত ফিকে হতে থাকে। এই সময় দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের সমর্থন বাড়তে থাকে বলে জরিপে উঠে এসেছে।

ভূরাজনীতি ও দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসের বিশ্লেষক আলতাফ পারভেজ বলেন, বাংলাদেশে নাটকীয়ভাবে নতুন কিছু যুক্ত হয়েছে। হঠাৎ করে রাজনীতিতে দক্ষিণপন্থার উত্থান ঘটেছে এবং শক্তিশালী ‘পরিণত নেতৃত্ব’ -এর ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

“আমরা যদি অন্যভাবে দেখি, খালেদা জিয়া মারা গেলেন, শেখ হাসিনাও দেশ থেকে চলে গেছেন ক্ষমতাচ্যুত হয়ে। ফলে, সবদিক থেকেই এখানে ম্যাচিউরড লিডারশিপের ঘাটতি দেখা দিয়েছে,” আলাপ-কে বলেন তিনি।

আলতাফ পারভেজ বলেন, এই সময়ে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও দক্ষিণপন্থার উত্থান দেখা যাচ্ছে। আর এই অঞ্চলে ঠান্ডা যুদ্ধটাও তীব্র হচ্ছে, যেখানে- ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র মিলে ‘অদৃশ্য প্রতিযোগিতায় আছে প্রভাব বাড়ানোর’। প্রশাসনে এক ধরনের ‘দুর্বলতা’। পুলিশ কাজ করছে না বা আত্মবিশ্বাস ভেঙে গেছে। সব মিলে এটা বাংলাদেশের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ।

“এই সময় দরকার ছিল শক্তিশালী, ম্যাচিউরড লিডার। জনগণ যাদের চিনে, জনগণের যাদের ওপর আস্থা আছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে যাদের একটু সমীহ করবে অন্যরা। এই জায়গাটায় কিন্তু আমাদের হঠাৎই একটা শূন্যতা তৈরি হয়ে গেল সব মিলিয়ে এবং জাতীয়ভাবে একটা শূন্যতা তৈরি হলো। এইটা হলো এই মুহূর্তের নেগেটিভ দিক।”

তফসিল অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। এই নির্বাচনকে দেশের ইতিহাসের ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিভিন্ন জরিপের ফলাফল বলছে, ভোটে জিতে বিএনপির সরকার গঠন করার সম্ভাবনা বেশি।

প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নিজেও ওই নির্বাচনে প্রার্থী ছিলেন।

নিবন্ধন স্থগিত থাকায় ভোটে অংশ নিতে পারছে না আওয়ামী লীগ। ফলে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী একে অপরের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

আলতাফ পারভেজ বলেন, “দুই তিনটা বিষয়ে তার মধ্যে (খালেদা জিয়া) সিরিয়াসনেস ছিল। গণতন্ত্র লাগবে, নির্বাচন লাগবে এবং মধ্যপন্থা লাগবে। এবং কয়েকটা বিষয়ে একটা রেড লাইন ছিল বাংলাদেশে। এখন যে ধরনের মব ভায়োলেন্স হচ্ছে, তাদের কিন্তু কোনো রেড লাইন নাই। তারা বাংলাদেশকে টেনে নিয়ে যেতে চায় এক অজানার দিকে।”

“মানুষের ভেতর অনিশ্চয়তা ও নীরব শঙ্কা আছে। তারা নির্বাচনটা ঘিরে শেষ আশাটা ধরে রেখেছেন যে, আমরা হয়ত এই ফাঁড়াটা কাটাতে পারব,” যোগ করেন তিনি।

১৯৯১ সাল থেকে ২০২৪ দুই নেতা বাংলাদেশ শাসন করেছেন - বেগম খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা। এবারের ভোটে যিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন, তিনি হয়ত হবেন প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

বিশ্লেষক আলতাফ পারভেজ মনে করেন, ‘পরিণত নেতৃত্ব’ না থাকলেও ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ‘প্রভাব ও দাপট’ তৈরি করতে পারবেন।

“পজিটিভ একটা দিক হলো, এই সময়ে নির্বাচন আছে। ফলে নির্বাচনের ভেতর দিয়ে, যে দলের যিনিই জয়ী হবেন, জনআস্থার মধ্য দিয়ে তিনি আবার দলীয় নেতা থেকে জাতীয় নেতা হয়ে যাবেন।”

তিনি বলেন, “বিএনপিতে যিনি প্রধান নেতা, তারও কিন্তু প্রশাসন পরিচালনার অভিজ্ঞতা নেই। জামায়াতে ইসলামীর যিনি প্রধান নেতা, তারও ওইভাবে অভিজ্ঞতা নেই। আওয়ামী লীগতো দৃশ্যপটেই নেই। তাই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন, তার পক্ষে একটা জনমত তৈরি হবে।

“ফলে, তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্ব পাবেন। তার একটা প্রভাব ও দাপট তৈরি হবে। প্রশাসন তার কথা শুনবে, আন্তর্জাতিক মহলও তাকে গুরুত্ব দেবে। এইটা হলো ইতিবাচক দিক।”

তবে ভোট যদি না হয় তাহলে তাহলে বাংলাদেশ ‘নৈরাজ্যকর’ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে পারে বলে মনে করছেন আলতাফ পারভেজ।

“এইটা (ভোট) দিয়ে আমরা খালেদা জিয়ার মৃত্যুর শুন্যতা পূরণ করতে পারব হয়ত, পারা উচিৎ আরকি। না পারলে একটা নৈরাজ্যকর অবস্থা হবে।”

“এই বিএনপি উনার মায়ের গড়া বিএনপি। কেউ কেউ উনার বাবার ছত্রছায়ায় বড় হওয়া। ফলে উনাকে পুরো বিএনপির সঙ্গে একটা ফিজিক্যাল সম্পর্ক গড়ার ব্যাপার আছে।”

কীভাবে চ্যালেঞ্জ উত্তরণ করবেন তারেক রহমান

খালেদা জিয়ার মৃত্যু অনিশ্চয়তা তৈরি করলেও, বিএনপির জন্য সহানুভূতির ঢেউ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সতেরো বছর নির্বাসনে থাকার পর দেশের ফিরে এসেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মায়ের অনুপস্থিতিতে দলকে এগিয়ে গুরুদায়িত্ব এখন তার কাঁধে।

আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান নিক্কেই এশিয়াকে বলেছেন, তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের চেয়ারম্যান হিসেবে উন্নীত করার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে। এতে বিএনপি যখন তাদের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী ঘোষণা করবে, তখন দলীয় নেতৃত্ব ও সমর্থকগোষ্ঠীর বিস্তৃত সমর্থন নিশ্চিত করা সহজ হবে।

“বিএনপি সহানুভূতিশীল ভোট পেতে পারে। তবে বিশাল সমর্থকগোষ্ঠী ও সাংগঠনিক সক্ষমতার কারণে দলটি এমনিতেই শক্ত অবস্থানে রয়েছে,” বলেন তিনি।

কিন্তু তারেক রহমানের জন্য কিছু চ্যালেঞ্জের কথা বলে আসছেন বিশ্লেষকরা, যেগুলো মোকাবিলা করেই হয়ত তাকে জাতীয় নেতা হতে হবে।

আলতাফ পারভেজ বলেন, “তারেক জিয়ার সামনে চ্যালেঞ্জটা অন্য জায়গায়। প্রথমত,  ইন্টারনাল চ্যালেঞ্জ। ভাইকে হারিয়েছেন, বাবাকে হারিয়েছেন, মাকেও হারালেন। উনার বয়স এত নয় যে, এত শোকের ভার উনি বইতে পারেন। আবার এমনই সময় যে, উনি একাকী কোথাও কাটাবেন, তারও উপায় নেই। মাকে কবর দেওয়ার পরই উনাকে নির্বাচনের যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

“আবার এক্সটারনাল চ্যালেঞ্জও বিপুল। উনি লোকজনের সাথে সরাসরি শারীরিকভাবে ১৭ বছর নেই। এই বিএনপি উনার মায়ের গড়া বিএনপি। কেউ কেউ উনার বাবার ছত্রছায়ায় বড় হওয়া। ফলে, উনার পুরো বিএনপির সঙ্গে একটা ফিজিক্যাল সম্পর্ক গড়ার ব্যাপার আছে। ঢাকা থেকে থানা লেভেল পর্যন্ত। কিন্তু সেইটার জন্য উনার হাতে সময় কই?”

১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন জিয়াউর রহমান। তিনি এমনভাবে সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন- যেখানে ডান ও বামপন্থিদের প্রবেশাধিকার ছিল অবাধ।

আর এই কারণেই আওয়ামী লীগের বিকল্প হিসেবে দ্রুত জনপ্রিয় এবং বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে গড়ে ওঠে বিএনপি।

তবে এই ধরনের বড় দলগুলোর রাজনীতি কঠিন বলে মনে করেন আলতাফ পারভেজ। কারণ এরমধ্যে ‘নানা উপদল’ থাকে, যাদের থাকে দেশ-বিদেশের সংযোগ।

আলতাফ পারভেজ বলেন, “প্রকৃত চ্যালেঞ্জ হলো প্রত্যাশার চাপ। আবার দেশে এখন শুধু বিএনপিপন্থি মানুষ নয়, বিএনপির কর্মী নয়; আমি বলব সাধারণ মানুষই- মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত, ব্যবসায়ী সম্প্রদায়, আমাদের প্রতিরক্ষা বাহিনী সবাই তার কাছে লিডারশিপ প্রত্যাশা করছে। ফলে, ব্যাপক একটা প্রত্যাশার চাপে থাকবেন উনি (তারেক রহমান)।”

“বিএনপি কোনও রেজিমেন্টেড দল নয়, এটা একটা প্ল্যাটফর্মের মতো। এই ধরনের দলে নানা উপদল থাকে এবং লেফট, রাইট উপদল নিয়েই বিএনপি গঠিত হয়েছিল। ফলে তাদেরকে এক ধারায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কগুলো রেখে এগুনো, নির্বাচনে জিতে আসা এবং সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের মনোবল আবার চাঙ্গা করা, তাদের আস্থা ধরে রাখা - সবমিলিয়ে হিউজ একটা চ্যালেঞ্জ। তবে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার মতো উনার আবার পূর্ব অভিজ্ঞতাও নাই। ফলে এই মুহূর্তটা আসলে অনিশ্চয়তায় ভরা।”

তবে তারেক রহমান ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের নেতা হতে যাচ্ছেন বলে আশাবাদী আটলান্টিক কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র ফেলো মাইকেল কুগেলম্যান।

“যদি দলের ভেতরে তারেক রহমানের শীর্ষ নেতৃত্ব নিয়ে কোনো প্রতিরোধ না দেখা যায় - যা আপাতত অসম্ভব বলেই মনে হচ্ছে - তাহলে বিএনপির জন্য এবং সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য এই রূপান্তরটি মসৃণই হবে।”