কলকাতায় আগুনে প্রাণ গেল একই পরিবারের ৪ বাংলাদেশির

ভারতের কলকাতায় একটি হোটেলে আগুন লেগে এখন পর্যন্ত ৫ বাংলাদেশিসহ ৯জন নিহত হয়েছেন।

বুধবার ভোররাতে নিউ মার্কেটের ফ্রি স্কুল স্ট্রিটে অবস্থিত হোটেল শিখা ইনে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার মো. খালেদ জানিয়েছেন, “নিহত নয়জনের মধ্যে একই পরিবারের চারজনের বাড়ি বাংলাদেশের কুষ্টিয়ায় এবং একজন ঢাকার আমিনবাজারের। এছাড়াও ঝাড়খণ্ডের একজন ভারতের বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছে কলকাতা পুলিশ।'' বাকি তিনজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।

ভোররাতের আগুনের ঘন ধোঁয়ায় হোটেলের বিভিন্ন তলায় আটকা পড়েন অতিথিরা। ফায়ার সার্ভিসের চারটি গাড়ি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও এক শিশুসহ অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়।

ফায়ার সার্ভিসকে উদ্ধৃত করে ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে আগুনে বাংলাদেশিসহ মোট ৯জন নিহত হয়েছেন। তারা মঙ্গলবারই চিকিৎসার উদ্দেশে ভারতে গিয়েছিলেন। 

এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোটেলের তৃতীয় তলায় একটি এয়ার কন্ডিশনার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 

দমকলকর্মীরা জানিয়েছেন, ঘন ধোঁয়ার কারণে ওপরের তলায় পৌঁছে আটকে পড়াদের উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে। 

কলকাতায় চিকিৎসা নিতে যাওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে এই ঘটনায় নতুন করে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে এনডিটিভির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

হোটেলে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমন পথ ও অতিথিদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

ঘটনার মাত্র দুই দিন আগে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের তারাপীঠে আরেক হোটেলে আগুনে নিহত হন ৮ জন।