বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিশ্বনেতা ও বিভিন্ন দেশের দূতাবাস। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে চিঠি লিখে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রেসিডেন্ট দ্রৌপদী মুর্মু।
চিঠিতে তিনি লিখেছেন, “ভারত দ্বিপাক্ষিক অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করার জন্য এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধিকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্টভাবে কাজ করার জন্য আগ্রহী।”
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস। বাংলাদেশের নেতৃত্ব ও জনগণের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের কমনওয়েলথের অভিন্ন মূল্যবোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের কথা আমি গভীরভাবে স্মরণ করছি”।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে ওয়াশিংটনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
তিনি বিবৃতিতে বলেন, “আমরা উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে, আমাদের মধ্যে বিদ্যমান অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্বকে আরও জোরদার করার প্রত্যাশা করছি।”
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, “থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশের মধ্যকার বন্ধুত্ব সদিচ্ছা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার চেতনায় ধারাবাহিকভাবে লালিত হয়ে আসছে। আমাদের দুই দেশ ও জনগণের পারস্পরিক স্বার্থে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি।”
রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন তার পাঠানো বার্তায় তিনি বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ২৬ মার্চ এ দেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
শুভেচ্ছা বার্তায় রুশ রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, “১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে এবং একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার শক্তিশালী আন্দোলনের সূচনা করে। এই সংগ্রামের মূলে ছিল ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের আকাঙ্ক্ষা।”
এছাড়া নেপাল, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, সুইজারল্যান্ড, কানাডিয়ান হাইকমিশন, ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠানো হয়েছে।