মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ মো. ইলিয়াস হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার ১৪ই মে গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. শরীফ উদ্দীন নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানান, মো. ফোরকান পদ্মা সেতু থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি জানান, পদ্মা সেতুর সিসিটিভি ফুটেজে এক ব্যক্তিকে নদীতে লাফ দিতে দেখা গেছে, যাকে দেখে ফোরকান বলে ধারণা করেছে তার পরিবার ও মামলার বাদী।
লাশ উদ্ধার ও ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া শতভাগ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে সেসময় মন্তব্য করেছিলেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার।
৯ই মে সকাল সাড়ে ৬টায় ফোরকান তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকে ফোন করে জানান, তিনি পাঁচজনকে হত্যা করে পালিয়ে যাচ্ছেন।
সেদিন কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামের এক ভাড়া বাড়িতে ফোরকানের তিন কন্যা শিশু, মা ও শ্যালকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।