অ্যাথলেট ও ফিটনেস ট্রেইনার সাজ্জাদ হোসেন স্নিগ্ধকে শর্টস পরে মেট্রোতে উঠতে বাধা দেওয়ার প্রতিবাদে আয়োজিত কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়েছেন মাত্র তিনজন। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনে শর্টস পরে প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায় তিন তরুণকে।
এর আগে ২৭এ সেপ্টেম্বর শর্টস পরে মেট্রোতে উঠতে গেলে দায়িত্বরত পুলিশের বাধার মুখে পরেন সাজ্জাদ হোসেন। এসময় তাকে ট্রেনে উঠতে না দিয়ে প্রায় ৪০ মিনিট ‘হেনস্তা’ করা হয় বলে আলাপ-এর ‘কথা চলুক’ পডকাস্টে জানান সাজ্জাদ হোসেন। এই ঘটনার একটি ভিডিও ফেইসবুকে পোস্টও করেন তিনি। সেই ভিডিও ভাইরাল হলে সামাজিক মাধ্যমে চলে আলোচনা, সমালোচনা।
শর্টস পরায় সাজ্জাদ হোসেনকে হেনস্তার ঘটনায় ফেইসবুকে ‘হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে’ নামের একটি ইভেন্ট খোলা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত এতে ৮ হাজারের বেশি মানুষ ‘ইন্টারেস্টেড’ এবং ৬০০ মানুষ ‘গোয়িং’ দিয়েছিলেন।
ইভেন্টে আসা তরুণদের একজন সাগর। ‘‘একজন পুরুষ হয়ে যদি আমি হেনস্তার শিকার হই, তাহলে নারীদের নিরাপত্তা কই?’’ আলাপ-কে বলেন তিনি।
সমালোচনাকারীদের ‘নেগেটিভ মাইন্ড’ সরিয়ে ফেলার পরামর্শ দেন সাগর। ‘‘রানিং করেন, নেগেটিভ মাইন্ড সরে যাবে।’’
ইভেন্টে আসা আর এক তরুণ মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘‘আমি কী টাইপের কাপড় পড়বো এইটার রাইট আমার থাকা উচিৎ।’’