জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় দাফন করা হয়েছে। সোমবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামে জানাজা শেষে নানির বাগানবাড়ির আঙিনায় তাকে সমাহিত করা হয়।
এর আগে রবিবার রাতে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সহযোদ্ধা, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
রাত সাড়ে ১০টার দিকে সেনাবাহিনীর লাশবাহী গাড়িতে কারিনার মরদেহ শহীদ মিনারে পৌঁছালে শোকের আবহ তৈরি হয়। জানাজার আগে পরিবারের পক্ষ থেকে তার বাবা সাবেক জাতীয় ফুটবলার কায়সার হামিদ ও মা লোপা কায়সার সবার কাছে দোয়া চান।
জানাজা শেষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নেতৃত্বে দলটির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহীদ মিনার থেকে রাজু ভাস্কর্যের দিকে যায়।
এসময় ‘জুলাইয়ের কারিনা, লও লও লও সালাম’, ‘বিপ্লবী কারিনা, লও লও লও সালাম’, ‘ইনকিলাব, ইনকিলাব’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
মিছিলে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব ও উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম-সহ কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন।
কারিনার প্রথম জানাজা বনানী ডিওএইচএস মাঠে এবং দ্বিতীয় জানাজা বনানী দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত হয়।
লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় কয়েকদিন ধরে সংকটাপন্ন ছিলেন কারিনা কায়সার। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয় তাকে।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ভারতের চেন্নাই নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ই মে তার মৃত্যু হয়।
রবিবার বিকেলে তার মরদেহ দেশে আনা হয়।